Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, ০৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী

জননেতা আব্দুর রৌফ চৌধুরীর দশম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

| প্রকাশের সময় : ২১ অক্টোবর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

 স্টাফ রিপোর্টার: মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর ¯েœহধন্য, আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রৌফ চৌধুরীর দশম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৩৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ পৌরসভার ধনতলা চৌধুরীর পরিবারে জন্ম নেন তিনি। ২০০৭ সালের ২১ অক্টোবর তিনি মারা যান। আব্দুর রৌফ চৌধুরী ছিলেন বৃহত্তর দিনাজপুরের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। তার একমাত্র ছেলে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী দিনাজপুর-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও টানা তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

রৌফ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শনিবার সকালে মরহুমের কবরে রৌফ চৌধুরী ফাউন্ডেশনসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এছাড়া দরিদ্রদের মাঝে কাপড় ও খাবার বিতরণ এবং এতিমখানায় দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে। পারিবারিকভাবে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোরআনখানি, আলোচনা সভা ও মিলাদের আয়োজন করেছে।
আব্দুর রৌফ চৌধুরী ১৯৫২ সালে সিরাজগঞ্জ থেকে মেট্টিকুলেশন, ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি ও দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। সিরাজগঞ্জে পড়ার সময়েই তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় সংগঠক ছিলেন এবং এজন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়। ঢাকা কলেজে পড়া অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে দিনাজপুরে ফিরে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করেন। বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার ছাত্রলীগ ও কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ছিলেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দীর্ঘদিন পালন করেছেন দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পূর্বাঞ্চলীয় জোনে মুজিব সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ ও কামরুজ্জামানের দূত হিসেবে তিনি কাজ করেছেন। পঁচাত্তরে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলন এবং পঁচাত্তর পরবর্তী সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে রৌফ চৌধুরীর ভ‚মিকা অসামান্য। যার ফলে তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন।
১৯৮৮ সালে বোচাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ১৯৯৬ সালে দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ সরকারের ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে জাতীয় শোক দিবসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখায় বিএনপি-জামায়াতের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে অসুস্থাবস্থায় ২০০৭ সালের এ দিনে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে তিনি স্ত্রী রমিজা বেগম, একমাত্র পুত্র ও পাঁচ কন্যা রেখে যান।

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ