Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

বিমানবন্দরে সোহেল তাজের ব্যাগের তালা ভেঙে তল্লাশি

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৪ অক্টোবর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজের স্যুটকেস বিমানবন্দরে তার অনুমতি ছাড়াই কে বা কারা তালা ভেঙে তল্লাশি চালিয়েছে রোববার। ওই দিন সকালে তিনি বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সময় এ ঘটনার শিকার হন। তিনি ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। স্যুটকেস থেকে তার বাবা তাজ উদ্দিনকে নিয়ে লেখা বেশ কিছু কাগজপত্র চুরি হয়েছে। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেয়া স্ট্যাটাসে সোহেল তাজ বলেন, ঢাকা বিমানবন্দরে কেউ হয়তো আমার অনুমতি ছাড়াই সুটকেসের তালা ভেঙে তল্লাশি চালিয়েছে। সুটকেসে বাবাকে নিয়ে লেখা কিছু বই ছিল। সোমবার এক ফেইসবুক পোস্টে ওই ঘটনার কথা জানিয়ে তার সঙ্গে স্যুটকেসের একটি ছবিও দিয়েছেন তিনি। তবে, কাতার এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোহেল তাজের স্যুটকেস খোলার বিষয়টি তারা তদন্ত করে দেখছে। সোহেল তাজ ফেইসবুকে লিখেছেন, গত ২২ অক্টোবর দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর তিনি স্যুটকেস খোলা অবস্থায় পান। ওই স্যুটকেসের সঙ্গে ট্যাগে তার নাম স্পষ্ট করে লেখা ছিল। ঢাকা কাস্টম হাউজের সহকারী কমিশনার মো. সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কাউকে তল্লাশি করার অর্থ হল তার উপস্থিতিতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার ব্যাগেজ বা শরীরে সন্দেহজনক কিছু আছে কিনা সেটা দেখবে। যাত্রী যখন তার ব্যাগেজ এয়ারলাইন্সকে বুঝিয়ে দেয়, সেই এয়ারলাইন্স তাকে একটি ট্যাগ দেবে। এক্ষেত্রে মালামাল খোয়া গেলে বা কোনো ক্ষতি হলে তার দায় এয়ারলাইন্সকেই নিতে হবে। এখানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু করার থাকে না।



 

Show all comments
  • Mohammed Shah Alam Khan ১ নভেম্বর, ২০১৭, ৯:৩৫ এএম says : 0
    সংবাদটা পাঠ করার পর আমার খুবই দুঃখ লাগে এবং ইতিহাস না বদলীয়ে পুনাবৃতি হচ্ছে দেখে কিছু মন্তব্য করে ইচ্ছা হচ্ছে এখন ইনকিলাব পত্রিকার যারা এর নিয়ন্ত্রন করেন ওনারা যদি এই বৃদ্ধের কথা গুলো পাঠদের সামনে তুলে ধরেন তাহলে আমার মনে হয় জাতীর উপরকারই হবে। পূর্বে বাঙ্গালী জাতী ইতিহাস পড়ত বা অতীত নিয়ে বয়জৈষ্ঠদের কাছে থেকে নিজেদের পরিবার কিংবা আশেপাশে কে কিভাবে সুপ্রতিষ্ঠত হয়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এসব গল্পাকারে শুনত এবং সেভাবে আমরা নিজেদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা করতাম এবং প্রতিষ্ঠিত হতাম বা ভাল মানুষ হিসাবে চিহ্নিত হতাম। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এভাবেই গড়ে উঠেছেন এবং সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। দেশের নেত্রী যেটা করেন আমরাও সেটাই করব এটাই স্বাভাবিক তাই না??? তাইত আজ দেশের মেরু দন্ড ভেঙ্গে একটি বিকলাঙ্গ জাতী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবার পথে। কথাটা বলার কারন হচ্ছে, দেশ স্বাধীন হবার আগে এবং সাথে সাথে জাতিরজনক ও তাজউদ্দীনের জুটী ছিল দৃষ্টান্ত দেবার মত জুটী। এখনও বয়জেষ্ঠ বুদ্ধিজীবিরা এই জুটীর কথা স্বগর্ভে আলোচনা করে থাকেন যদি নেত্রী এটা শুনে এর উপর চিন্তা করেন......... আমি দেখেছি একসময়ের বঙ্গবন্ধুর প্রধান প্রতিপক্ষ খন্দকার মোস্তাক কিভাবে বঙ্গবন্ধুকে কুবকাত করার জন্য একজনের মাধ্যমে তার অন্তরে ঢুকে তাজউদ্দীনকে বহিষ্কার করে জনককে হত্যা করে তার গদী দখল করে। এটাও এখন ইতিহাস, বুদ্ধিজীবী মহল মনে করে এই একই ইতিহাস আবার নতুন নেতার নাম পরিবর্তন করে নুতন ইতিহাস হতে যাচ্ছে। আমি বহু বছর ধরে এর উপর অনেক মন্তব্য করেছি বিভিন্ন পত্রিকায় কিন্তু নেত্রী হাসিনা এটা পড়েন নি বা তার সহযোগীরা হয়ত ওনার নজরে আনেননি। হয়তবা নেত্রী পড়েছেন বা ওনার নজরে আনা হয়েছে কিন্তু কথা গুলো সমাদৃত হয়নি। তাই বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, তাজউদ্দীন সাহেবের যে পরিণতি হয়েছিল তার পুত্রের জীবনেও একই ঘটনা পুনরাবৃতি হয়ে নতুন এক ইতিহাস রচিত হলও এটাই বুদ্ধিজীবীদের ধারনা। আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে ঘটনার অন্তস্থলে গিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা দান করুন। আমীন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বিমানবন্দর


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ