Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার ১৯ মে ২০১৯, ০৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৩ রমজান ১৪৪০ হিজরী।
শিরোনাম

চিঠিপত্র

| প্রকাশের সময় : ২৫ অক্টোবর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

 

মাল্টিমিডিয়ায় পাঠদান

শিক্ষাকে আকর্ষণীয় করতে ডিজিটাল শিক্ষা কনটেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কনটেন্টসমূহ শ্রেণিকক্ষে ব্যবহারের মাধ্যমে পাঠ্য বিষয় সহজ, আকর্ষণীয় ও আনন্দদায়ক হয়েছে। সরকার শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। আইসিটি শিক্ষা শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের জন্য উপযুক্ত করে তুলবে। অথচ দক্ষ শিক্ষক না থাকার কারণে মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতিতে ক্লাস সঠিকভাবে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে অনিয়ম ও দুর্নীতি শিক্ষাকে গ্রাস করছে। প্রতিদিন অন্তত ছয়টি বিষয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস বাধ্যতামূলক হলেও বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতিতে ক্লাস হচ্ছে না। অথচ মাল্টিমিডিয়া ক্লাস হচ্ছে ই মর্মে উপজেলা শিক্ষা অফিসে ভুয়া প্রতিবেদন ঠিকই পাঠানো হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসও প্রধানমন্ত্রীর অফিসে একইভাবে রিপোর্ট পাঠাচ্ছে। এতে কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ ব্যাহত হবে।
জয়নুল আবেদীন
শ্রীপুর, গাজীপুর।

 

যানজট নিরসন
আমাদের এই ছোট দেশে অনেক সমস্যা রয়েছে, ঢাকার যানজট তার মধ্যে অন্যতম। জনসংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি তার চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে যানজট। শহরের রাস্তাঘাটে যানজটের জন্য হাঁটা যায় না। এই যানজটের কারণে মানুষ সময়মতো স্কুল, কলেজ ও অফিসে যেতে পারে না। জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নিতে দেরি হয়। তাঁদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক রোগী রাস্তার জ্যামে আটকে থাকা অবস্থায় মারা যায়। যানজট হওয়ার অনেকগুলো কারণ রয়েছে; তার মধ্যে বিপুল জনসংখ্যা, চালকদের অসচেতনতা, ট্রাফিকদের দায়িত্বে অবহেলা ইত্যাদি। যানজট নিরসন করতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে। মেয়র থেকে শুরু করে নাগরিক পর্যন্ত সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।
মকবুল হামিদ
চাঁদপুর সরকারি কলেজ।


ঢাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
রাজধানী ঢাকাকে এখন শুধু মসজিদ বা রিকশার শহর নয়, বরং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শহরও বলা যেতে পারে। ঢাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো প্রতিটি স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অগণিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রতিদিনই অগণিত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্ম হচ্ছে। শিক্ষার মান খারাপ হওয়ার পেছনে এই অপরিকল্পিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই বেশি দায়ী।
ঢাকায় কয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে তার সঠিক তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় দিতে পারবে কি না, সে ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। আর এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ হয় একেবারে অপরিকল্পিতভাবে। অনেকে যোগ্যতা ছাড়াই শিক্ষক হচ্ছে। শিক্ষার মান কমে যাওয়ার এটাও অন্যতম কারণ। এরাই আবার ছাত্রদের কাছ থেকে প্রচুর টিউশন ফি নিচ্ছে। যাহোক, সরকারের প্রতি অনুরোধ, প্রতিটি জেলা–উপজেলায় চাহিদা ও প্রয়োজনের ওপর ভিত্তি করে যেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। কুশিক্ষা নয়, আমরা সুশিক্ষা চাই।
মো. নিজাম গাজী
ঢাকা।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন