Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪ আশ্বিন ১৪২৭, ০১ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ : সর্তক অবস্থানে পুলিশ

| প্রকাশের সময় : ২৭ অক্টোবর, ২০১৭, ১২:০০ এএম


বিশেষ সংবাদদাতা,ময়মনসিংহ ব্যুরো : ময়মনসিংহের ত্রিশাল প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়কে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অস্থির করার অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ভিসি প্রফেসর এএমএম শামছুর রহমান লিখিত বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন। সূত্রমতে, দুর্নীতি ইস্যুতে শিক্ষক,কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও পক্ষে-বিপক্ষে শিক্ষকদের গ্রæপিং কোন্দলে অস্থির ক্যাম্পাসে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্তক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য টানা কয়েকদিন ক্যম্পাসে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও বর্তমানে পুলিশী নজরদারী বিদ্যমান রয়েছে বলে জানান ত্রিশাল থানার ওসি জাকিউর রহমান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, দুর্নীতি ইস্যুতে শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দুর্নীতির তদন্ত দাবি করলেও শিক্ষক নেতা রুহুল আমীন ও রেজোয়ান আহম্মেদ শুভ্রর নেতৃত্বে একটি পক্ষ শুধুমাত্র টেজারারের দুর্নীতির বিচার দাবি করে সাবেক ভিসির পক্ষে অবস্থান নেয়। এতে করে বিভক্ত হয়ে পড়েছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানান, সম্প্রতি দায়িত্বের মেয়াদকাল শেষ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হল প্রভোস্ট সহকারী অধ্যাপক রুহুল আমীন ও আলফারুন্নাহার রুমা এবং পরিবহন প্রশাসক রেজোয়ান আহম্মেদ শুভ্র’কে রুটিন দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বিধি মেনে নতুনদের আগামী দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়। এরপর থেকেই নানা ইস্যুতে অস্থিরতা বাড়তে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বক্ষেত্রে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভিসি ট্রেজারার প্রফেসর এএমএম শামছুর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা-বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক। মূলত ভিসির দায়িত্ব পালনকালে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মেনেই দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনটি পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থির করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, যাদের পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তাদের কাউকে মেয়াদকাল একদিন থাকতেও পরিবর্তন করা হয়নি, এটা সত্য। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ ষড়যন্ত্র করছে কি না তা আমি অবগত নই। তবে সহকারী অধ্যাপক রেজোয়ান আহম্মেদ শুভ্র বলেন, আমি বা আমরা কোন ধরনের ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত নই। তবে আমাদেরকে অবৈধ ভাবে পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার কৃষিবিদ ড.হুমায়ন কবীর বলেন, ষড়যন্ত্রের বিষয়ে আমি অবগত নই। তবে যে সব পদে পরির্বতন আনা হয়েছে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন কাজের অংশ হিসেবে বিধি সম্মত ভাবে করা হয়েছে। কাউকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়নি। কিন্তু নানা ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতা বাড়ছে, তা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন