Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭, ০৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
শিরোনাম

৫০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ১শ’ শয্যার কার্যক্রম

লক্ষীপুর সদর হাসপাতাল

| প্রকাশের সময় : ১৫ নভেম্বর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

থাকেন না বেশির ভাগ চিকিৎসক, ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ
লক্ষীপুর সংবাদদাতা : ১৪ বছর ধরে ৫০শয্যার জনবল দিয়েই চলছে ১০০ শয্যার লক্ষীপুর সদর হাসপাতালের কার্যক্রম। একই চিত্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোর অবস্থায়ও। হাসপাতালে থাকেন না বেশিরভাগ চিকিৎসক। এতে করে জেলার প্রায় ১৮ লাখ মানুষ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ভোগান্তির শিকার সাধারন মানুষ। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি লক্ষীপুর সফরের সময় সদর হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নিত করার ঘোষনা দিয়েছেন সেটির কার্যক্রম চলছে বলে জানান, সিভিল সার্জন মোস্তফা খালেদ আহমদ।
জেলা বাসীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালে ৫০ শয্যা লক্ষীপুর সদর হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০৩ সালের ৪ জুন ৫০ শয্যার এ হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যায় উন্নতি করে সরকার। কিন্তু উন্নিত করা হয়নি চিকিৎসক ও জনবল। রয়ে গেছে সেই ৫০ শয্যার কার্যক্রম। এ ৫০ শয্যার হাসপাতালটি মঞ্জুরীকৃত পদ রয়েছে ১২২টি। ৬৯টি পদে কর্মরত থাকলেও ৫৩টি পদ রয়েছে খালি। বিশেষ করে কনস্যালটেন্ট সার্জারী, অর্থোপেডিক, চক্ষু ও রেডিওলজীসহ গুরুত্বপূর্ন পদে র্দীঘদিন ধরে কোন চিকিৎসক নেই। একই অবস্থায় রামগতি, কমলনগর, রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর চিকিৎসার সেবার অবস্থায়। হাসপাতালে আশা রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ চিকিৎসকদের অধিকাংশই নিজের ইচ্ছেমতো হাসপাতালে আসেন। কোন রকম হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে চলে যান। তাই হাসপাতালে আসা রোগীরা আউটডোর-ইনডোরের প্রকৃত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন দিনের পরদিন।
রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান অনেক দূর-দূরান্ত থেকে আসি। কিন্তুু হাসপাতালে কোন চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছেনা। হাসপাতালে কোন ডাক্তার ও নার্স নেই। চিকিৎসক তাদের ইচ্ছেমতো অফিস করছেন। হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা বলতে কিছু নেই। ঠিকমত সেবা পাওয়া যাচ্ছেনা। এতে করে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।
সিভিল সার্জন মোস্তফা খালেদ আহমদ বলছেন, প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কম চিকিৎসক নিয়ে ব্যাপক সংখ্যক রোগিদের চিকিৎসা সেবা দিতে তাদের হিমমিম খেতে হচ্ছে। কোন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। চিকিৎসক সংকটের কথা বার বার কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনা, তারপরও হাসপাতালের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।