Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী

সাভারে চাঁদা নেয়াকে কেন্দ্র করে আ’লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ

| প্রকাশের সময় : ২৫ নভেম্বর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার, সাভার থেকে : ঢাকার সাভারে একটি আঞ্চলিক সড়কে চলাচলরত অটোরিকসা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দুই পক্ষের সংঘর্সে দুই জন আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সাভারের রেডিও কলোনী থেকে জামসিং চৌরাস্তা পর্যন্ত চলাচলরত শতাধিক অটোরিকসা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে এ সংঘর্সের ঘটনা ঘটে।
আহত মেহেদী হাসান (১৬) ও এবারত হোসেন (২৭)কে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে মেহেদী সাভার পৌর সভার এক নং ওয়ার্ডের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রিয়াজুল হকের পক্ষের ও এবারত হোসেন এক নং ওয়ার্ডের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর মিনহাজ উদ্দিন মোল্লার পক্ষের লোক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অটোরিকসা চালকরা জানান, সাভারের জামসিং সোলায়মান মার্কেট থেকে রেডিওকলোনী এলাকা পর্যন্ত যাত্রীদের নিয়ে প্রতিদিন প্রায় শতাধিক অটোরিকসা চলাচল করে।
প্রতিটি অটোরিকসা থেকে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে চাঁদা নিতো সাভার পৌর সভার এক নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা। কিন্তু নিজ এলাকায় যুবলীগের এক নেতাকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আত্মগোপনে থাকার পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে রিয়াজুল হকের ছেলে ইমতিয়াজ আহমেদ সুমন চাঁদার টাকা উত্তোলন করে।
কিন্তু সম্প্রতি মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা জামিনে এসে পুনরায় অটোরিকসা থেকে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে জামসিং চৌরাস্তা মোড়ে আওয়ামীলীগ নেতা রিয়াজুল হকের ছেলে ইমতিয়াজ আহমেদ সুমন ও মিনহাজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে অন্তর মোল্লার পক্ষের লোকজনের সাথে সংঘর্ষ হয়। তখন উভয় পক্ষে দুই জন গুরুতর আহত হয়।
মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা জানান, আমি কিংবা আমার ছেলে কোন অটোরিকসা থেকে চাঁদা তুলি না। চাঁদা তুলে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রিয়াজুল হক ও তার লোকজন। রিয়াজুলই আমাকে বিপদে ফেলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির পদ ছিনিয়ে নিয়েছে।
তবে রিয়াজুল হকের ছেলে ইমতিয়াজ আহমেদ সুমন বলেন, মিনহাজ ও তার ছেলে অটোরিকসা থেকে চাঁদা তুলে। চাঁদা তুলতে বাধা দেয়ায় তারা আমাদের লোকজনের উপরর হামলা করেছে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহসিনুল কাদির জানান, এখনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।