Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী

চিঠিপত্র

| প্রকাশের সময় : ৩০ নভেম্বর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

জনপরিবহন দৈন্যদশার জন্য দায়ী কারা?
প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয় আসলেও যাতায়াতের প্রয়োজনীয়তাও ব্যাপক। তাই তো গ্রাম-গঞ্জ, নগর-অঞ্চল,শহর-বন্দরে সহসাই যেতে হচ্ছে নানাবিধ দরকারে । যাতায়াতে দরকার পড়ছে সিএনজি, লেগুনা, বাস, ট্রেন,লঞ্চ-স্টিমার ও বিমান সহ হরেক রকম যানবাহনের। আর চলতে-ফিরতে,যাতায়াতে এ সকল বাহনে চড়ায় নানান সমস্যায় পড়তে হয় আমাদের। এসবের কিছু প্রকট কারণও লক্ষ্যণীয়। যেমন মেয়াদোত্তীর্ণ লক্করঝক্কর-ফিটনেসবিহীন গাড়ী,অদক্ষ চালক-হেলপার, ক্ষুদ্ধ ও অধৈর্যশীল যাত্রী,অর্থলোভী গাড়ি মালিক,অনুন্নত ভাঙ্গাচোরা রাস্তা, প্রকট যানজট ও সরকারি দায়িত্বশীলদের নিষ্ক্রিয়তা ও অদক্ষ পরিচালনা। সবচেয়ে বেশি দায়ী হল প্রসাশন ও গাড়ীর মালিক-ড্রাইবার। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সঠিক পরিকল্পনা,একাগ্রতা,যথাপোযুক্ত আইন তৈরী ও প্রয়োগ,ট্রাফিক পুলিশের অব্যবস্থাপনা,খামখেয়ালি মনোভাব ও অযথা হয়রানি,সাথে দোষীদের লঘু শাস্তি, শাস্তিদানে বিলম্ব বা শাস্তিহীনতাই প্রধান। স্থানীয় প্রশাসনও এর দায় এড়াতে পারে না। আর এসবের সঠিক (!) ব্যবহার করে থাকে গাড়ীর চালক ও মালিকেরা। তাই সকল দুর্দশাগ্রস্ত গাড়ী নামিয়ে বাজে সেবা ও যানজটে অস্থির করে তোলে সাধারণ যাত্রীদের জনজীবন। তাই নিবিঘেœ যাতায়াতের জন্য যানজট ও গাড়ীর সমস্যা সমাধানে উল্লেখিত বিষয়াবলির কার্যকরী পদক্ষেপের পাশাপাশি সঠিক অবকাঠামো নির্মাণ,সরকারি গাড়ী/ট্রেন বৃদ্ধি,আইনের কঠোর প্রয়োগ, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, চালক-মালিক ও যাত্রীদের আন্তরিকতা ও ধৈর্যশীল হওয়া বাঞ্চনীয়। এসকল বিষয়ে সরকার,প্রশাসন,মালিক-ড্রাইভার ও সাধারণ যাত্রীদের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা জরুরী।
এস.এম আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়


দ্য রিভাইভার অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গাঁজা, মদ, হেরোইন, ফেনসিডিল ও সর্বনাশা ইয়াবার আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। ঠিক তখন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান এক জনসভায় ঘোষণা দিলেন-
: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আমি থাকব, না হয় মাদক বিক্রেতারা থাকবে। মাদক থাকলে আমি থাকব না। এসপি মিজানুর রহমানের এমন ঘোষণার পর জেলা-উপজেলার ৩ শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে। অনেক মাদক ব্যবসায়ী ভয়ে মাদক ব্যবসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে। সুযোগ্য পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের অক্লান্ত পরিশ্রম ও দায়িত্ববোধের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আজ ৯৯ ভাগ মাদকমুক্ত জেলা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সংবাদকর্মী, মানবাধিকার কর্মী, ব্যবসায়ীসহ সচেতন নাগরিক সমাজ পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে ‘শক্তের জম-নরমের ভক্ত’, ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইকন’ ইত্যাদি আখ্যা দিয়েছেন। আমি দায়িত্বনিষ্ঠ এই পুলিশ সুপারকে ‘দ্য রিভাইভার অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া’ বলে আমার লেখার শিরোনাম করেছি।
এম. মনসুর আলী
অরুয়াইল, সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।