Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২২ এপ্রিল ২০১৮, ৯ বৈশাখ ১৪২৫, ০৫ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
শিরোনাম

জেরুজালেম পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ভূমিকা পালনে প্রস্তুত

ইস্তাম্বুলে ৩৯টি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত : জাকার্তা বৈরুতেও বিক্ষোভ

আল জাজিরা | প্রকাশের সময় : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

জেরুজালেম পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী প্রয়োজন হলে তাদের ভ‚মিকা পালন করতে প্রস্তুত রয়েছে। তারা ঊর্ধতন নেতৃত্বের আদেশের অপেক্ষা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জেরুজালেম নীতি পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিশামউদ্দীন হাশেম গতকাল রবিবার এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা গোটা মুসলিম বিশে^র প্রতি এক চপেটাঘাত। তিনি বলেন,মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী প্রয়োজন হলে যে কোনো সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুত। ঊর্ধ¦তন নেতৃত্বের আদেশ পেলেই তারা তা করবে। তিনি এও বলেন, আমরা প্রার্থনা করি যে এ বিরোধ যেন সংঘাতে পরিণত না হয়।
মিডল ইস্ট মনিটর জানায়, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের স্বীকৃতিদানের প্রতিবাদে এবং ফিলিস্তিন ও জেরুজালেমের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ইস্তাম্বুলে ৩৯টি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে কয়েক ডজন স্থানীয় সংগঠন ও মানবাধিকার সংগঠন এ সব বিক্ষোভের আয়োজন করে।
শুক্রবার জুমআর নামাজ শেষে বিভিন্ন মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল রাজপথে বেরিয়ে আসে। বিক্ষোভ প্রদর্শনকারীরা ইস্তাম্বুলের প্রধান চত্বরগুলোতে সমবেত হন। ইস্তাম্বুলের এশিয়া অংশের উসকাদুর এলাকা এবং ফাতিহ এলাকার সিরকেসিতে প্রধান সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ইস্তাম্বুলের সর্বস্তরের মানুষ এ সব বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন। এমনকি স্কুল-কলেজ -বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেয়।
বিক্ষোভ উপলক্ষে শুক্রবার ভোরবেলা থেকে ইস্তাম্বুলে হাজার হাজার পুলিশ কর্মকর্তা রাস্তায় অবস্থান নেন। তারা ট্র্যাফিক অচলাস্থা রোধে শহরের সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। বিক্ষ্ভেকারীরা তুর্কি ও ফিলিস্তিনি পতাকা, ২০১০ সালে গাজা উপক‚লে তুর্কি মানবিক সাহায্য সামগ্রী বহনকারী জাহাজ বহর ফ্রিডম ফ্লোটিলার ফ্ল্যাগশিপ এমভি মাভি মারমারা ইসরাইলি কমান্ডোদের হামলায় নিহতদের ছবি এবং জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদের ছবি বহন করছিলেন।
বিক্ষোভকারীরা মার্কিন সিদ্ধান্ত বলিষ্ঠভাবে প্রত্যাখ্যান করায় প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে ধন্যবাদ জানান।
রবিবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বহু লোক বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
লেবাননের রাজধানী বৈরতে ফিলিস্তিনিরা মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

 


Show all comments
  • Abdul Matin ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ১২:৫৮ পিএম says : 0
    সকল মুসলিম দেশ আসা দরকার
    Total Reply(0) Reply
  • ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ২:২২ এএম says : 0
    Wait Hi The Muslim. No happy No angry . Allah is super power.
    Total Reply(0) Reply
  • সাকিব ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৩:২০ এএম says : 0
    মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ
    Total Reply(0) Reply
  • মাহমুদ ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ১১:১০ এএম says : 1
    ধন্যবাদ মালশিয়ার সেনাবাহিনী কে
    Total Reply(0) Reply
  • Nazim Uddin ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৩:৩৯ পিএম says : 0
    World community should stand united against the oppression and injustice by Mr Trump declaring Jerusalem as the capital of Israel.
    Total Reply(0) Reply
  • Adil Al Sazin ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৩:৫৩ পিএম says : 0
    আল্লাহু আকবার।অন্যায়ের বিরুদ্ধে হুংকারের জন্য মালয় সরকারকে ধন্যবাদ।
    Total Reply(0) Reply
  • ALIM ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৯:৫৯ পিএম says : 0
    “ কভে আল্লাহতালা সমস্ত মুসলিম দেশের সেনাবাহিনীকে তাদের মত সিংহ বানাবেন ? আল্লাহতালা আমাদেরকে পুরুষত্ব হওয়ার তওফিক দান করুন ৷”
    Total Reply(0) Reply
  • abir ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭, ১১:২৭ এএম says : 0
    বাংলাদেশের সকল মুসলমানের উচিত এখন রাস্তায় নেমে জালেম ইজরাইলের বিরুদ্দে পতিবাদী মিছিল করা
    Total Reply(0) Reply
  • মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৮:৩২ এএম says : 1
    মুসলিম বিশ্বের এ দুর্দিনে এরদোগানের তুরস্ক আর মাহথিরের মালয়েশিয়া পথ দেখাবে, আলো ছড়াবে,ইনশাআল্লাহ। সকল মুসলিম রাষ্ট্রের ঐক্য প্রয়োজন। প্রয়োজন ওআইসিকে কার্যকর সংগঠনে পরিণত করা। মুসলিম তরুণদের নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গঠন।কাফিরদের মোকাবিলায় সর্বদা অস্ত্রে সুসজ্জিত থাকা আল্লাহরই নির্দেশ। সর্বোপরি আমাদের ঐক্যের বিকল্প নেই। কুরআনে বলা হয়েছে, "তোমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আল্লাহর রজ্জুকে ধারণ কর।" রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলমানদের একটি দেহের মতো তুলনা করে বলেছেন, কারো চোখে ব্যথা হলে যেমন সমগ্র শরীরে ব্যথা অনুভূত হয়, তেমনি একজন মুসলমান অপর মুসলমানের ব্যথায় ব্যথিত, দু:খে দুখী হবে।' ব্রিটিশদের অপকৌশল হল, ভাগ কর এবং শাসন কর। তারা মুসলমানদের মাঝে বিভিন্ন ফেরকা উসকে দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করছে। শিয়া,সুন্নী,ওহাবী মতবাদসহ সকল প্রকার বিভাজন ওদেরই গড়া,যার ফাদে পড়ে প্রাণ যাচ্ছে নিরীহ মুসলমানদের, অপচয় হচ্ছে মুসলিম শক্তির। আল্লাহ্‌ মুসলিম মিল্লাতকে সঠিক বুঝ দান করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • Shohid ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭, ১২:৪২ পিএম says : 0
    সমস্থ মুসলিম জাতিকে এক হতে হবে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর