Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮, ৯ কার্তিক ১৪২৫, ১৩ সফর ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

প্রিয়জনের জন্য কান্না

গুমের শিকার ২৭ পরিবারের সদস্যদের সংবাদ সম্মেলন

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

বাবার জন্য সন্তান কাঁদছে, সন্তানের জন্য কাঁদছে মা। স্বামীর জন্য স্ত্রী কাঁদছে, ভাইয়ের জন্য ভাই। কারো আপনজন হারিয়েছে কয়েক বছর আগে’; কারো বা হারিয়েছে কয়েক মাস হলো। নিখোঁজ মানুষগুলোর জন্য পরিবারের সদস্যদের শুধু কান্না আর কান্না। এ ছাড়া আর যেনো কোনো উপায় নেই তাদের। নিখোঁজ বাবার উদ্দেশ্যে পাঁচ বয়র বয়সী শিশু রিদির আর্তি, ‘‘পাপা আমি বড় হচ্ছি। আমার সাথে খেলবে না? ফিরে এসো পাপা। আমার পাপাকে ফিরিয়ে দাও।’’
কয়েক বছর ধরে হঠাৎ করে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মানুষের স্বজনরা গতকাল রোববার জড়ো হয়েছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবে। ‘মায়ের ডাক, সন্তানদের মায়ের কোলে ফিরিয়ে দাও’- শীর্ষক এ সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন গুমের শিকার ২৭টি পরিবারের সদস্যরা। তারা সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন স্বজনের ছবি। পাঁচ বছরের শিশু রিদি বাবাকে ফিরিয়ে দেয়ার আকুতি জানালেও প্রিয়জনকে হারানোর কষ্টে কেউ কেউ শুধুই কেঁদেছেন, কোনো কথাই বলতে পারেন নি। কেউ কেউ অশ্রুভেজা কণ্ঠে প্রিয়মানুষকে হারানোর কষ্টের কথা বলেছেন। বছরের পর বছর ধরে মা অপেক্ষায় আছেন সন্তানের জন্য। ছেলে অপেক্ষায় বাবার জন্য। স্ত্রী প্রহর গুনছেন স্বামীর জন্য। নিখোঁজ মানুষ ফিরে না আসায় অপেক্ষার পালা আর শেষ হয় না। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চার বছর আগে গুম হওয়া সাজেদুল ইসলামের বোন মারুফা ইসলাম। তিনি বলেন, আজ আমাদের গুম পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচিত হতে হচ্ছে। ছলছল চোখে তিনি বলেন, এই পরিচয়ে পরিচিত হতে চাই না। চার বছর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ধরে নেওয়া হয় বিএনপির ঢাকা মহানগরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম সুমনকে। তারপর আর কোনো খোঁজ মেলেনি তার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারে দ্বারে ধরনা দিয়েও কোনো ফল পায়নি তার পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে সুমনের আরেক বোন ফেরদৌসী রহমান বলেন, আমি চার বছরে ২০ বারের মতো এখানে দাঁড়িয়েছি। কথা বলার মতো শক্তি আর থাকবে কি না, জানি না। ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সুমনসহ বেশ কয়েকজনকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। ওই সময়কালে অন্তত ১৯ জনকে তুলে নেওয়া হয়েছিল, যারা আর ফিরে আসেনি। সংবাদ সম্মেলনে তাদের স্বজনদের সঙ্গে আসা ফেরদৌসী বলেন, ভাইয়ের খোঁজে সবার কাছে গেছি। কিন্তু ভাই তো আজও ফিরে আসেনি। এখন কার কাছে যাব? ফরমালি বক্তৃতা দিতে আর ইচ্ছে করে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে, অথচ থানায় গেলে বলে নিখোঁজের ডায়েরি করতে। এটা কী করে সম্ভব! নিখোঁজ এই ব্যক্তিদের স্বজনদের অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দিকে হলেও র‌্যাব কিংবা পুলিশের কর্মকর্তারা বরাবরই সে অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তবে তাদের খোঁজও দিতে পারেনি বাহিনীগুলো। দেশে-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো গত কয়েক বছরের গুমের ঘটনায় সরকারের দিকে অভিযোগের আঙুল তুললেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারি কর্তাব্যক্তিরাও তা অস্বীকার করে আসছেন। ফেরদৌসী বলেন, আতঙ্ক নিয়ে থাকি; আবারও যদি কোনো ফোন আসে যে এসব পরিবার থেকে আরও কেউ হারিয়ে গেছে। সুমনের সঙ্গেই তুলে নেওয়া হয় ছাত্রদলের নেতা পারভেজ হোসেনকে। তখন তার এক বছর বয়সী মেয়ে রিদি হোসেন এখন পাঁচ বছরের। কথাও বলতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে এসে রিদি বলে, পাপা আমি বড় হচ্ছি। আমার সাথে খেলবে না? ফিরে এসো পাপা। পাপাকে ফিরিও দাও। নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা পিন্টুর বড় বোন রেহেনা বানু মুন্নি জানান, বাসা থেকে তার ভাইকে তুলে নেওয়া হয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, জানি না, ভাই বেঁচে আছে কি না?” মুন্নির মতে সংবাদ সম্মেলনে আসা অন্যরাও অনিশ্চিত তাদের স্বজনের বিষয়ে। এই স্বজনরা জানান, প্রতিবছর ৪ ডিসেম্বর এই দিনটি পালন করা হলেও এবার বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে মিল রেখে তারা পালন করছেন। সুমনের বৃদ্ধ মা হাজেরা খাতুনের সভাপতিত্বে এই সংবাদ সম্মেলনে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপি নেতা রুমিন ফারহানা, অধিকারকর্মী সিআর আব্রাফ, নুর হোসেন লিটন বক্তব্য রাখেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, অনেকগুলো গুম-খুনের সঙ্গে সরকারের সাথে সাথে পাশের দেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা জড়িত বলে আমি বিশ্বাস করি। ফরহাদ মজহার প্রসঙ্গে জাফরুল্লাহ বলেন, ফরহাদ মজহার ভাগ্যবান, তার স্ত্রী ভাগ্যবান, কারণ ফরহাদ ফিরে এসেছে। ফরহাদ জীবিত ফিরে আসার অন্যতম কারণ পুলিশ ও র‌্যাবের সক্রিয়তা। সেদিন যদি পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় না হত, আজকে ফরহাদ মজহার ফিরে আসতে পারত না। তিনি বলেন, র‌্যাব আর বিডিআর (বিজিবি) সক্রিয় না হত, তাহলে হয় তার মৃতদেহ পাওয়া যেত অথবা তার বডিটা পাওয়া যেত সালাউদ্দিনের মতো ভারতের মাটিতে। তিনি সরকার প্রধানের উদ্দেশে বলেন, আপনি কেন এই মায়ের, এই বোনের-ভাইয়ের কান্না শুনতে পান না। আপনি মানবতার নারী হিসেবে পরিচিত হলে চলেছেন, মানবতার মা হিসেবে আপনাকে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমি, আমরা সবাই বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি।
মুক্তিযোদ্ধা জাফরুল্লাহ বলেন, অনুগ্রহ করে এই অমানবিক কাজটা বন্ধ করুন। তা না হলে এই মুক্তিযুদ্ধ, যেটা নিয়ে এত বড়াই করি। তা অর্থহীন হবে। নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমি নিজেও এক সময় গুমের প্রচেষ্টার শিকার হয়েছিলাম। সেই অনুভূতির কথা আমি গত বছর বলেছিলাম। এখানে যারা কথা বলেছেন। তারা বলেছেন যে, অভিযোগ করতে গেলে অভিযোগ নেয় না। অথবা চাপের মুখে অভিযোগ নিলেও কোনো তদন্ত হয় না বা তদন্তের অগ্রগতি হয় না। মান্না বলেন, গত এক বছরে দেশে ৫২ জন গুম হয়েছেন এবং কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন ৮৭ জন। তিনি বলেন, আমি নিজে আওয়ামী লীগ করেছি বহুদিন। বড় বড় দলগুলোর মধ্যে যে রকম প্রবণতা দেখি, যিনি মূল দায়িত্বে থাকেন তাকে যারা পরামর্শ দেন, এই লোকগুলো নিজেদের, প্রধানমন্ত্রীর কিংবা শীর্ষ কর্মকর্তার এবং দেশের ক্ষতি করছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)-এর পরিচালক সি আর আব্রাফ বলেন, গুম হওয়া পরিবারগুলোর যে অভিযোগ, রাষ্ট্রের দায়িত্ব তার জবাব দেওয়া। কিন্তু যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে তারাই এখন নীরব। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেন, একটা মানুষ যখন হারিয়ে যায়, তখন তার পরিবার অনন্তকাল ধরে তার ফিরে আসার অপেক্ষা করে। প্রতি মুহূর্তের অপেক্ষা মৃত্যুর চেয়ে অনেক কঠিন। মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন বলেন, আমরা বিচারের নায্যতায় নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সেই পরিস্থিতিতে আমরা মার্চ মাসের মধ্যে গণশুনানির দাবি জানাচ্ছি।
গত কয়েক বছর ধরে দেশে রহস্যজনকভাবে গুম হওয়া মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বেড়েছে। চলতি বছরের গত আগস্ট থেকে এই পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন মানুষ নিখোঁজ হয়েছে। এদের মধ্যে ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ , সাংবাদিক ও শিক্ষক রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে ৪ জন ফিরে এলেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ড. মুবাশ্বার হাসানসহ বাকিরা এখনো নিখোঁজ। সেই সঙ্গে বিচার বহির্ভূত ঘটনা অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে একটি ভীতির পরিবেশ। বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি এখন কোন অবস্থায় রয়েছে, বিবিসির এমন প্রশ্নের জবাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, প্রত্যেকটা মানুষ স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। এই অধিকার থেকে এত অল্প সময়ের মধ্যে এতগুলো মানুষ নিখোঁজ হওয়াতে মানুষের মধ্যে ভীতির সঞ্চয় হওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার এবং এই বিষয়টিকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান আরও বলেন, প্রতিটি মামলা আমরা যখন কোন খবরের কাগজে অথবা মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি যে একটা মানুষ গুম হয়েছে বা নিখোঁজ হয়েছে, আমরা সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের আইনে যেভাবে বলা আছে সেই আলোকে আমরা সরকারকে জানাই এবং সরকারের কাছে জোর দাবি করি তাদের খুঁজে বের করার জন্য। যারা এদেরকে গুম করেছে তাদেরকেও চিহ্নিত করে আইনের কাঠগড়ায় আনার জন্য আমরা বিভিন্নভাবে কাজ করছি যেন মানুষ এই আতঙ্ক থেকে কেটে উঠতে পারে। মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ বছর ১০ মাসে সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান ও সাংবাদিক উৎপলের মতো নিখোঁজ হয়েছে ৫৪৪ জন। তাদের মধ্যে ৩৯৫ জনকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। চলতি বছরের ১০ মাসেই নিখোঁজ হয়েছে ৫০ জন, যাদের ৩৮ জনের খোঁজ মেলেনি। লাশ পাওয়া গেছে দুজনের। সা¤প্রতিক সময়ের কয়েকটি ঘটনায় আবার নিখোঁজ বা গুম উৎকণ্ঠা বেড়েছে। অন্যদিকে গত ১০ মাসে কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে ১৩৯ জন। চার বছরে এভাবে নিহত হয়েছে ৬৫৪ জন।
এদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল এক সমাবেশে বলেন, পাঁচ বছর ধরে নিখোঁজ সন্তানের মায়েরা আহাজারি করছেন। এ পাঁচ বছরে অসংখ্য পরিবারকে আশাহত করেছে এই সরকার। নিখোঁজ ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেওয়ার আহŸান জানিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে যাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাদের ফিরিয়ে দিন।
সাংবাদিকদের মানববন্ধন
অনলাইন নিউজ পোর্টালের সাংবাদিক উৎপল দাস নিখোঁজ হওয়ার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনে মানববন্ধন করেছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। গতকাল দুপুরে এই মানববন্ধন করে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের একটিই দাবি, আমাদের মাঝে উৎপল দাসকে ফিরিয়ে দিন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক শুক্কুর আলী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে অনুরোধ, উৎপলকে ফিরিয়ে দিন। গত ১০ অক্টোবর অফিস থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন উৎপল দাস। উৎপল ঢাকার ফকিরাপুল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরার রাধানগরে। ছেলেকে ফিরে পেতে গত ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ চান উৎপলের বাবা চিত্তরঞ্জন দাস।



 

Show all comments
  • বেলী ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৩:১৫ এএম says : 0
    আর কতজনকে হারালে সরকার প্রশাসন এদের উদ্ধারে সক্রিয় হবে?
    Total Reply(0) Reply
  • Sheik Asif Mahmud ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৪:২৯ পিএম says : 0
    আললাহ, ন্যায় বিচারক. যতো বড় খমতাবান হোক না কেন তাকে বিচারের সম্মুখীন হতেই হবে. খমতাশালিদের শিক্ষার জন্য ,দুনিয়াতে ফেরাউনের লাশকে উদাহরন সরুপ রেখেছেন.
    Total Reply(0) Reply
  • Najrul Islam ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৪:৩০ পিএম says : 0
    আমি এক বৎসর বয়সে পিতা হারিয়েছি আমিবুজি পিতাহারানোর জন্তনা হে আমাদের প্রতিপালক তুমি তাহাদিগকে দংশ কর জাহারা এই গুম করেছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Ayub Ali ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৪:৩৯ পিএম says : 0
    এই বাচ্চা গুলি আগামী দিনে এই গুম খুনের বিচার করবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Fazlur Rahman ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৪:৩৯ পিএম says : 0
    আল্লাহ!!!তোমার রহমত এই অবুঝ শিশুদের উপর বর্ষন কর!
    Total Reply(0) Reply
  • Iqbal Ali ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৪:৪০ পিএম says : 0
    এর বিচার একদিন বাংলার মাটিতেই হবে ইনশাহ আল্লাহ
    Total Reply(0) Reply
  • Tanvir Ahmed ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ৪:৪২ পিএম says : 0
    আল্লহর উপর ভরসা রাখ ইনসাআল্লাহ এক সবাই ফিরে আসবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Kowaj Ali khan ২২ এপ্রিল, ২০১৮, ২:০৬ এএম says : 0
    কি সর্বনাশ করলায় পাপীরে? পাপী দয়া নাই তুদের মনে।পাপিষ্ঠ গুম,আর খোন করিলায়রে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর