Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯, ০৫ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৬ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

অপ্রতিরোধ্য সিটির রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭, ১২:০০ এএম


পেপ গার্দিওলা ও হোসে মরিনহোর লড়াইয়ে আবারো জিতলেন গার্দিওয়া। ঘরের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে মরিনহোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের টানা ৪০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডে যতিচিহ্ন বসিয়ে গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি ম্যাচ জিতে নেয় ২-১ গোলে। প্রিমিয়ার লিগে যা আকাশি-নীলদের টানা ১৪তম জয়। এক মৌসুমে টানা এত ম্যাচ আগে জেতেনি কোন দল।
নগর প্রতিদ্ব›দ্বীর মাঠে এই জয়ের পর সিটির হাতেই শিরোপা দেখছের অনেকে। অবশ্য মৌসুমের এখনো অর্ধেকেরও বেশি পথ বাকি। তবে এটাও ঠিক, লিগের এই সময় নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বীর চেয়ে ১১ পয়েন্টে এগিয়ে থাকা কোন দল শিরোপা না জিততে পারলে সেটাই তো হবে বিষ্ময়। এমনটা যে আগে কখনো ঘটতে দেখা যায়নি। দুইয়ে থাকা ইউনাইটেডের সংগ্রহ ৩৫ পয়েন্ট, সিটির ৪৬। মরিনহোও ম্যান সিটির শিরোপা প্রাপ্তি প্রায় নিশ্চিত করে দেখছেন, ‘সম্ভবত, হ্যাঁ। আজকের জয়টা তাদেরকে অনেকখানি এগিয়ে দিল।’ গার্দিওলার সিটির প্রসংশা করলেও স্বভাবসুলভ পরাজিত ম্যাচে রেফারিকে সমালোচনা করতে ভোলেননি মরিনহো। এজন্য সিটিকে ‘ভাগ্যবান’ও বলেন স্বঘোষিত ‘স্পেশাল ওয়ান’।
গার্দিওলার অপেক্ষা ছিল এএমন একটা সময়ের। বার্সেলোনায় থাকার সময় টিকিটাকা ফুটবল নিয়ে অনেক সমালোচনা শুনতে হয়েছিল তার। অনেক ফুটবল বোদ্ধা বলেও ফেলেছিলেন ইংল্যান্ডে এটা কাজ করবে না। কিন্তু তার মোক্ষম জবাব দিয়ে কাতালান কোচ বলেন, ‘অনেকে বলেছিল আমরা বার্সেলোনায় যেমনটা খেলতাম সেটা ইংল্যান্ডে কাজ করবে না। কিন্তু এটা সম্ভব এবং আমি সেটা দেখিয়েছি।’ নগর প্রতিদ্ব›দ্বী ও বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের মাঠ থেকে একই কৌশলে বিজয়ী এই কোচ বলেন, ‘স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ ও ওল্ড ট্রাফোর্ডে এই পন্থা কাজে লাগিয়ে জিততে পেরে আমি খুশি।’ উল্লেখ্য, বার্সার হয়ে চার বছরে তিনটি লা লিগা ও দুটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জেতেন গার্দিওলা।
ম্যাচের এত সব হিসাব মিলিয়ে যেতে সময় লাগেনি। ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে আগুয়েরো-ডি ব্রæইনদের আনন্দ উল্লাসে বাধা দিতে গিয়ে তোপের মুখে পড়েন মরিনহো। পানি আর দুধে ভিজে জবজবে হয়ে যায় পর্তুগিজ কোচের শরীর। সিটি কোচ মিখাইল আর্তাতার মাথায় আঘাতও পান। এসময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না গার্দিওলা। সিটির বিজয় উল্লাসে বিঘœ ঘটানোর জন্য পরে দুঃখ প্রকাশ করে ইউনাইটেড।
কেভিন ডি ব্রæইনের কর্ণার থেকে এদিন ডেভিড সিলভা পোস্টের খুব কাছ থেকে সিটিজেনদের এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের স্টপেজ টাইমে অবশ্য মরিনহোর দলকে সমতা ফেরান মার্কোস রাশফোর্ড। কিন্তু ৫৪তম মিনিটে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ওটামেন্ডির জোড়ালো শটে সিটিজেনদের জয় নিশ্চিত করে।
দিনের অপর ম্যাচে ওয়েইন রুনির গোলে লিভারপুলের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে এভারটন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন