Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ১ কার্তিক ১৪২৫, ০৫ সফর ১৪৪০ হিজরী

সেক্যুলারিজম : ভারতীয় সংবিধানে ২৬ বছর পর : বাংলাদেশে ১ বছরেই কেন?

মোবায়েদুর রহমান | প্রকাশের সময় : ২ জানুয়ারি, ২০১৮, ১২:০০ এএম

আজ প্রায় ৪০ বছর হয়ে গেল বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বিভিন্ন বিষয়ের ওপর কলাম ও রাজনৈতিক ভাষ্য লিখে চলেছি। সুতরাং বয়সটাও বসে নেই। বয়সটাও সেই সাথে এগিয়ে চলেছে। এই বয়সে এসে মনের ভেতর প্রবল তাগিদ অনুভব করছি যে, এখন সময় হয়েছে এমন কিছু লেখার যেটা এ পর্যন্ত কেউ লেখেননি। অথচ আমরা যারা বাংলাদেশকে গভীরভাবে ভালবাসি এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে সিঙ্গাপুরের মত মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়ে দিতে চাই তারা মনে করি যে, সেই সব কথা না বললে বাংলাদেশ সেভাবে শির উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না। সিঙ্গাপুর স্বাধীনতা ঘোষণা করে ১৯৬৩ সালের ৩১ আগস্ট। মালয়েশিয়া থেকে দেশটি পৃথক হয় ১৯৬৫ সালের ৯ আগস্ট। এই বিচারে সিঙ্গাপুর প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জন করে ৫২ বছর আগে। আমরা অর্থাৎ বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করি ৪৬ বছর আগে। অর্থাৎ স্বাধীনতার বয়স ধরলে সিঙ্গাপুর আমাদের চেয়ে ৬ বছরের সিনিয়র। অথচ দেখুন, এই ৫২ বছরে সিঙ্গাপুর কোথায় চলে গেছে। কারণটা যাই হোক না কেন, তাদের জাতীয় সংগীতের মূল সুরের বাংলা অনুবাদ, ‘সামনে দেখো সিঙ্গাপুর’। অর্থাৎ তারা পেছনে তাকায়নি। তারা শুধু সামনে তাকিয়েছে এবং দৃষ্টিসীমা যতদূর যায় ততদূর এগিয়েছে। বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষ সিঙ্গাপুর গেছেন। লক্ষ মানুষ পর্যটক হিসেবেও সেখানে গেছেন। আর অনেকে ভাগ্যান্বেষণে সেখানে গেছেন এবং প্রবাসী হিসেবে থেকে গেছেন। সিঙ্গাপুরের উন্নতি সম্পর্কে কোটি কোটি বাংলাদেশির মোটামুটি একটি ধারণা আছে। আর চিকিৎসার ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের কোনো তুলনাই হয় না। আগে যারা চিকিৎসার জন্য আমেরিকা, লন্ডন ও রাশিয়া যেতেন তারা এখন ছুটছেন সিঙ্গাপুরে। ছবির মত শহর সিঙ্গাপুর। কতক্ষণ লাগে সেখানে যেতে? পৌনে চার ঘণ্টাও পুরাপুরি লাগে না।
এর পাশাপাশি বাংলাদেশকে দেখুন। একটু আগেই বলেছি, স্বাধীনতার বয়স হিসেবে আমরা সিঙ্গাপুরের চেয়ে মাত্র ৬ বছরের জুনিয়র। অথচ এই ৪৬ বছর বয়সে সিঙ্গাপুর আর আমাদের উন্নতির কি কোনো তুলনা করা যায়? কেন আমরা এত পিছিয়ে থাকলাম? কোনো আমরা তাদের মতো এগিয়ে যেতে পারলাম না? আমাদের আত্ম অনুসন্ধাণের সময় এসেছে। আসল কারণটি উদ্ঘাটনের সময় এসেছে।
১৯৭৬ সালে আমি হল্যান্ড যাই। তখন আমি বর্তমান বিসিক অর্থাৎ বাংলাদেশ ক্ষুদ্রশিল্প কর্পোরেশনে ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছিলাম। বস্ত্রশিল্পের ওপর সাড়ে ৬ মাসের একটি কোর্স করার জন্য হল্যান্ড যাই। যাওয়ার পথে দিল্লীতে চার দিনের ট্রানজিট নেই। ঢাকা থেকে দিল্লী পর্যন্ত আমার বাহন ছিল থাই এয়ারওয়েজ। এসব কথা বলার একটি কারণ আছে। সেটি এখন বলছি। যখন দিল্লী বিমান বন্দরে চেক আউটের জন্য লাইন দেই তখন আমার লাইনে অনেক থাই তরুণ-তরুণী অপেক্ষমাণ ছিল। যখন ওরা জানতে পারে যে, আমি বাংলাদেশ থেকে আসছি তখন ওরা অত্যন্ত সমীহের সাথে আমার সাথে কথা বলতে শুরু করে। অনেকটা বিপন্ন বিস্ময়ের সুরে বলে, হাই, তোমরা কত এগিয়েছ, আর আমরা কত পেছনে পড়ে আছি। ওরা আমাদের অগ্রগতির ধারাবাহিকতার কথা বলছিল। হিসাব করুন, সেটি ছিল ৪১ বছর আগের কথা। ৪১ বছর পর আয়নায় থাইল্যান্ডের চেহারা দেখুন, আর বাংলাদেশের চেহারাও দেখুন। তারা কোথায়, আর আমরা কোথায়। সবকিছু বাদ দেন। পর্যটন ক্ষেত্রেও তো আমরা তাদের ধারে-পাশে নাই। বেড়ানোর জন্য এখন বাংলাদেশের হাজার হাজার পরিবার থাইল্যান্ডে উড়ে যাচ্ছে। তেমনি হাজার হাজার পরিবার বেড়ানোর জন্য উড়ে যাচ্ছে মালয়েশিয়ায়। অথচ টুঙ্কু আবদুর রহমান যখন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন তিনি আক্ষেপ করে বলেছিলেন, কবে তারা আমাদের মত হতে পারবেন। আজ থাইল্যান্ডে শুধু আমরা বেড়াতেই যাই না, চিকিৎসা, শপিং প্রভৃতি অনেক কিছুর জন্যই থাইল্যান্ড যাই। মহাথির মোহাম্মদ তার ২০ বছরের শাসনামলে মালয়েশিয়াকে বদলে দিয়েছেন। আজ মালয়েশিয়ার ৮৮ তলা বিশিষ্ট টুইন টাওয়ার পৃথিবীর মানুষের একটি দর্শনীয় বস্তু। কোথায় তারা বাংলাদেশে চাকরি করতে আসবে, তা না, কয়েক লক্ষ বাংলাদেশি আজ মালয়েশিয়ায় চাকরি করছেন এবং কয়েক হাজার চোরা পথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেদিকে যাচ্ছেন। এখন বেড়ানোর জন্য, ঈদ চাঁদের ছুটি কাটানোর জন্যও অনেকে মালয়েশিয়া বা থাইল্যান্ড যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত একাধিকবার কক্সবাজার গিয়েছি। আপনারা আমার থেকেও অনেক বার বেশি গিয়েছেন। বলুন তো, বিশ্বের এই বৃহত্তম সমুদ্র সৈকতের এমন কি উল্লেখযোগ্য উন্নতি আমরা করতে পেরেছি? আমি আওয়ামী লীগ বা বিএনপির কোনো সরকারকে বিশেষ করে কিছু বলছি না। আমরা ৪৬ বছরে কেউই উল্লেখ করার মত কিছু করিনি। অনেক কিছুই তো করার ছিল। আমাদের রাজনৈতিক দল বলুন বা পাবলিক অফিসের কর্মকর্তা বলুন, সকলেই কথা বলেছেন, কিন্তু কাজ তেমন কিছুই করেননি। এমন সব বিষয় নিয়ে আমাদের কোনো কোনো দল এবং নেতা এত সোরগোল করেছেন যেগুলোতে শুধুমাত্র এনার্জি ক্ষয় হয়েছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
\দুই\
আসুন, সংবিধান প্রণয়ন থেকে শুরু করা যাক। শুরুতেই বলেছি যে, এখন সময় এসেছে, কিছু সত্যি কথা বলার। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে। এরপর নতুন সরকার সংবিধান প্রণয়ন করা শুরু করে। ১ বছর পর সংবিধান প্রণয়নের কাজ শেষ হয়। আচ্ছা বলুন তো, যারা সংবিধান প্রণয়ন করেন তারা ১৯৭০ সালে কোন কাজটি করার জন্য তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন? ঈরিষ্কার উত্তর এই যে, তারা পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র প্রণয়নের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন, বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের জন্য নয়। যেটি হতে পারতো সেটি হলো, প্রথমে তাজউদ্দিন এবং পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যে সরকার গঠিত হয় সেই সরকার বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের জন্য একটি গণপরিষদ গঠনের নির্বাচন করতে পারতেন। জাতীয় সংসদ এবং গণপরিষদ এক জিনিস নয়। জাতীয় পরিষদের ইংরেজি হলো, National Assembly. আর গণপরিষদের ইংরেজি হলো, Constituent Assembly. নির্বাচনের মাধ্যমে গণপরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর সরকারই ক্ষমতায় থাকত। গণপরিষদ গঠিত হওয়ার পর সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত গণপরিষদই পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদ হিসেবে কাজ করত। সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর গণপরিষদ ভেঙ্গে যেত এবং জাতীয় সংসদ গঠনের জন্য সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতো।
\তিন\
আমরা সব সময় বলে আসছি এবং গণতন্ত্রেও বলা হচ্ছে যে, জনগণই রাষ্ট্রের মালিক এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব গচ্ছিত রয়েছে জনগণের হাতে। একদম খাঁটি কথা। তাহলে রাষ্ট্রের মূলনীতি নির্ধারণ করবে কে বা কারা? অবশ্যই জনগণ। আওয়ামী লীগের যেসব সদস্য ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ এবং পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন, তারা কি সমাজতন্ত্র এবং সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি করার জন্য কোনো ম্যান্ডেট পেয়েছিলেন? নাকি চেয়েছিলেন?
১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের জন্ম হয়। তারপর অসাম্প্রদায়িক হওয়ার জন্য ‘মুসলিম’ শব্দটি কেটে দেওয়া হয় এবং এই রাজনৈতিক দলটি আওয়ামী লীগ নাম ধারণ করে। সেটি তারা করুক। তাতে কারো কিছু বলার নেই। সেই থেকে শুরু করে ১৯৭০ সালের নির্বাচন- এই ২১ বছরে আওয়ামী লীগ কোনো সময় তার গঠনতন্ত্রে অথবা ১৯৫৪ বা ১৯৭০ সালের নির্বাচনী মেনিফেস্টোর কোথাও সমাজতন্ত্র বা সেক্যুলারিজমের অঙ্গীকার করেনি। এমনকি ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিব নগরে যে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করা হয় সেখানেও রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচারের’ অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। এই ঘোষণাটি বাংলাদেশের সংবিধানে আজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এখানে কোথাও সমাজতন্ত্র এবং সেক্যুলারিজম শব্দ দুটির উল্লেখ নেই। বর্তমান সংবিধানের ১৫৩ পৃষ্ঠায় বর্ণিত ষষ্ঠ তফসিলের শিরোনাম, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা।’ এই ঘোষণারও কোথাও সমাজতন্ত্র এবং সেক্যুলারিজমের কোনো উল্লেখ নেই।
\চার\
তাহলে কারো কোনো মতামত না নিয়ে কি এমন ঘটল যে সংবিধানে সমাজতন্ত্র এবং সেক্যুলারিজমকে অন্তর্ভুক্ত করতে হলো? আর সেটাও বিজয় দিবস থেকে মাত্র ১ বছরের মধ্যে? এখন কথায় কথায় ভারতের উদাহরণ টানা হয়। সেই ভারতের সংবিধান গৃহীত হয় ১৯৪৯ সালের ৬ নভেম্বর। অথচ ভারতের এই মূল সংবিধানে সেক্যুলারিজম শব্দটি ছিল না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ভারতের সংবিধান প্রণেতা বলে পরিচিত সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান বি আর আম্বেদকার এবং ভারতের তখনকার একচ্ছত্র নেতা প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জওহরলাল নেহরু সংবিধানে সেক্যুলারিজম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করেছিলেন। এই বিষয়ে ভারতীয় পার্লামেন্টে যে দীর্ঘ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয় সেখানে অনেক পার্লামেন্ট সদস্যই স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে, সেক্যুলারিজম অন্তর্ভুক্ত করলে ভারতের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে তীব্র ধর্মীয় বিভাজন সৃষ্টি হবে।
তারপর ভারতীয় সংবিধানের ৪১টি সংশোধনী পাশ হয়েছে। কোনোটাতেই সেক্যুলারিজম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। অবশেষে মূল সংবিধান গ্রহণের ২৬ বছর পর ১৯৭৫ সালের জুন মাসে ৪২তম সংশোধনীর মাধ্যমে মিসেস ইন্দিরা গান্ধীর সময় সংবিধানে সেক্যুলারিজম অন্তর্ভুক্ত হয়।
যেখানে ভারতের মত একটি বিশাল রাষ্ট্রের সংবিধানে সেক্যুলারিজম ঢুকাতে রাষ্ট্রটির জন্মের পর ২৭ বছর সময় লাগল সেখানে বাংলাদেশে এমন কি পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটেছিল যে, মাত্র ১ বছর সময়ের মধ্যেই জনগণের কোনো রকম ম্যান্ডেট ছাড়া সংবিধানে সেক্যুলারিজম অন্তর্ভুক্ত করতে হলো? একটি কথা কারো ভুলে যাওয়া উচিৎ নয় যে, সরকার টিকে থাকে ৫ বছর, ১০ বছর বা ২০ বছর। কিন্তু রাষ্ট্র টিকে থাকে শত শত বছর। সুতরাং একটি রাষ্ট্র শতায়ু হবে, সেটি মাথায় রেখে পরবর্তী প্রজন্মের চিন্তা-চেতনাকে বর্তমানে ধারণ করে সংবিধানের মত এমন অসাধারণ গুরুত্বপূর্ণ দলিলকে রচনা ও সংশোধন করতে হয়। ধর্ম নিরপেক্ষতার কারণেই আজও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর হতে গেলে সর্বাগ্রে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
আমি যেখান থেকে শুরু করেছি সেটি কন্টিনিউ করবো ইনশাআল্লাহ, যদি এর মধ্যে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় এসে না পড়ে।



 

Show all comments
  • খাইরুল ইসলাম ২ জানুয়ারি, ২০১৮, ৩:০১ এএম says : 1
    অসম্ভব সুন্দর ও যৌক্তিক একটি লেখা। লেখককে ধন্যবাদ
    Total Reply(0) Reply
  • বিপ্লব ২ জানুয়ারি, ২০১৮, ৩:০০ এএম says : 1
    লেখার মধ্যে একটা লাইন খুব ভালো লেগেছে। সেটা হলো- বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর হতে গেলে সর্বাগ্রে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • কামরুজ্জামান ২ জানুয়ারি, ২০১৮, ৩:০২ এএম says : 1
    প্রতি সপ্তাহে আপনার লেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকি।
    Total Reply(0) Reply
  • Sanjay ২ জানুয়ারি, ২০১৮, ১:১১ পিএম says : 2
    India pareni ti amra parbona.ata ...er moto column lekha.
    Total Reply(0) Reply
  • সায়মা ২ জানুয়ারি, ২০১৮, ৬:৫৯ পিএম says : 0
    অনেক সুন্দর একটা লেখা।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।