Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫, ৯ যিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী

আমারটা বড়, আরও শক্তিশালী : ট্রাম্প

| প্রকাশের সময় : ৪ জানুয়ারি, ২০১৮, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : নববর্ষের ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের মন্তব্যের প্রতি-উত্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার কাছে থাকা পারমাণবিক বোমার বোতাম ‘আরও বড়’, ‘আরও শক্তিশালী’। গত মঙ্গলবার এক টুইটে ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরীয় নেতার ভাষণের এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন বলে খবরে বলা হয়েছে। উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সর্বশেষ এ টুইটকে কিমের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের কথার লড়াই হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। পিয়ংইয়ং-এর একের পর এক পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মধ্যে এর আগেও দুই নেতা একে অপরের বিরুদ্ধে বাক্যবাণ ছুড়েছেন, দিয়েছেন হুমকি। টেলিভিশনে প্রদত্ত খ্রিস্টীয় নববর্ষের ভাষণে কিম যুক্তরাষ্ট্রে ফের পারমাণবিক হামলার হুমকি দিয়ে বলেন, পারমাণবিক বোমা ছোড়ার একটি বোতাম সবসময় তার ডেস্কেই থাকে। এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, তার কাছেও পারমাণবিক বোমার বোতাম থাকে, আর তা কিমেরটার চেয়েও বড় এবং বেশি শক্তিশালী। ক্ষয়ে যাওয়া এবং খাদ্যের অভাবে অনাহারে থাকা (উত্তর কোরীয়) শাসনব্যবস্থার কেউ কি তাকে (কিম) দয়া করে বলবেন, আমারও একটি পারমাণবিক বোতাম আছে; এটি তার বোতামের চেয়ে অনেক বড় এবং বেশি শক্তিশালী। আমার বোতাম কাজও করে, টুইটে বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্রধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টর আছে পারমাণবিক হামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার তাৎক্ষণিক এখতিয়ার; কিমকে দেওয়া জবাবে ট্রাম্প সেদিকেই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন বলে মন্তব্য বিবিসির। গত কয়েক বছর ধরে ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে উত্তর কোরিয়া। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই একের পর এক দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে তারা। সেসব ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় এখন যুক্তরাষ্ট্রের পুরো ভুখন্ড আছে বলেও দাবি পিয়ংইয়ংয়ের। পর্যবেক্ষকরা অবশ্য এখনও উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে সন্দিহান; হাজার মাইলের দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম হলেও পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যে ঠিকঠাক আঘাত হানতে পারবে কীনা, কিংবা হানলেও তা কতটুকু ক্ষতি করার সামর্থ্য রাখে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তারা। ট্রাম্প এবং কিম একে অপরকে বিভিন্ন নামে সম্বোধন করে কথার লড়াইকে জমিয়ে তুলেছেন। বিবিসি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।