Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮, ৮ বৈশাখ ১৪২৫, ০৪ শাবান ১৪৩৯ হিজরী

মোবারকগঞ্জ সুগার মিলে যান্ত্রিক ত্রæটি কোটি কোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কা

| প্রকাশের সময় : ৪ জানুয়ারি, ২০১৮, ১২:০০ এএম

ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতা : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মোবারকগঞ্জ সুগারমিলে চলতি মাড়াই মৌসুমে একর পর এক যান্ত্রিক ত্রæটির কারণে আখ চাষিরা ফুসে উঠেছেন। উদ্বোধনের পর থেকে মিলটি যান্ত্রিক ত্রæটির কারনে বেশীর ভাগ সময় বন্ধ থাকছে। এতে আখচাষীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। মিলের এই যান্তিক ত্রæটির জন্য কৃষক ও শ্রমিকরা জিএম (কারখানা) মাহমুদুল হককে দায়ী করছেন। শ্রমিক ও আখচাষীদের দাবি, জিএম (কারখানা) মাহমুদুল হকের গাফিলতি ও টারবাইনে অদক্ষ কর্মী থাকায় বার বার যান্ত্রিক ত্রæটি দেখা দিচ্ছে। তাদের ভাষ্য মাড়াই মৌসুমের আগে মেরামতের জন্য বরাদ্দ প্রায় কোটি টাকা নয়ছয় করেছে। মিল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১ ডিসেম্বর মিলের মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের কয়েক ঘন্টা পর মিল বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ গত রোববার থেকে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত টানা দু’দিন কারখানা বন্ধের কারনে মিলগেটে কৃষকদের আনা আখের ওজন বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে মিলগেটে শত শত কৃষক তাদের আখ নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। বিকালে কৃষকরা তাদের আখ ওজনের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। এসময় চাপের মুখে মিল কর্তৃপক্ষ তাদের আখ ওজন ক্রয় করতে বাধ্য হয়। সুগার মিল সূত্র জানায়, চলতি আখ মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধনের একদিন পর ২ ডিসেম্বর শনিবার বিকেল ৪ টা থেকে মিলহাউজ টারবাইনে সমস্যা দেখা দেয়। ফলে একটানা প্রায় ৪০ ঘন্টা বন্ধ থাকে। মেরামত করে আবার আখ মাড়াই শুরু করলেও থেমে থেমে চলতে থাকে আখ মাড়াই। শরিফুল ইসলাম নামে আখচাষী জানান, আখ কেটে রোদে ফেলে রাখলে শুকিয়ে যায়। মিল বন্ধ রাখলে তো সমস্যা আরো বেশি হয়। এতে আমাদের অনেক লোকসান হচ্ছে। প্রতিবছরই এমন ঘটনা ঘটে। এরকম চলতে থাকলে আর আখচাষ করবো না। মোবারকগঞ্জ সুগার মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন বলেন, জিএম (কারখানা) মাহমুদুল হকের গাফিলতির কারণে প্রায়ই যান্ত্রিক ত্রæটি দেখা দেয়। এতে আখচাষীদের প্রচুর লোকসান হচ্ছে। মোবারকগঞ্জ সুগার মিলের কারখানা ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হক জানান, টারবাইনে সমস্যার কারণে আখ মাড়াই বন্ধ ছিল।

 

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।