Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ৮ কার্তিক ১৪২৭, ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

দেশব্যাপী হেফাজতের বিক্ষোভ আজ

প্রকাশের সময় : ২৫ মার্চ, ২০১৬, ১২:০০ এএম

চট্টগ্রাম ব্যুরো : সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাতিলের ষড়যন্ত্র বন্ধ এবং রাষ্ট্রধর্মের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে শুনানির কার্যতালিকায় থাকা রিট মামলা বাতিলের দাবিতে আজ (শুক্রবার) বা’দ জুমা ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীসহ সারাদেশে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেইটে সমাবেশ করবে হেফাজত। কর্মসূচী সর্বাত্মক পালনের জন্যে দেশবাসীর প্রতি আহŸান জানিয়েছেন সংগঠনটির আমীর দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী। তিনি বলেছেন সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম বহাল রাখার এই প্রতিবাদে শামিল হওয়া প্রতিটি মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব। শান্তিপূর্ণভাবে লাখ লাখ মুসলমান রাস্তায় বিক্ষোভ করে জোরালোভাবে সকল মহলে এই বার্তা পৌঁছিয়ে দিতে হবে যে, ৯২ ভাগ মুসলমানের বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল আগেও ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে, ইনশাআল্লাহ। এ নিয়ে যে কারো ষড়যন্ত্র জনগণ কঠোরভাবে প্রতিহত করবে। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী।
গতকাল এক বিবৃতিতে সমাবেশ ও মিছিল সফল করার জন্য নবীপ্রেমিক তাওহিদী জনতার প্রতি উদাত্ত আহŸান জায়িছেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। হেফাজতে ইসলাম নেতৃবৃন্দ বলেন, রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে বহাল রেখে ২০১১ সালের ২৫ জুন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কর্তৃক পঞ্চদশ সংশোধনীতে সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদটি সংশোধন করা হয়। প্রতিস্থাপিত ২ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে।’ এখানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামের অবস্থান অবশ্যই একটি গণতান্ত্রিক অধিকার, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের অনুকূল। প্রয়োজনে গণভোটের মাধ্যমে এর নিষ্পত্তি করা হোক। একইসাথে অন্যান্য ধর্মের প্রতিও সমমর্যাদা ও সমঅধিকারের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তা সত্তে¡ও এদেশের ইসলামবিদ্বেষী অপশক্তি কোনোভাবেই চায় না ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ জাতীয় কিছু একটা সংবিধানে থাকুক। এর আগে সংবিধান থেকে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ বাক্যটি ছেঁটে দেওয়ার পরও তাদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি।
হেফাজতে ইসলাম নেতৃবৃন্দ বলেন আমরা স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল ঘোষিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ ও সমাজতন্ত্রের কোনো উল্লেখ ছিল না। দেশের তৌহিদি জনতা ও তরুণসমাজের প্রতি আমাদের আহŸান হলো, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রক্ষা করা আপনাদের ঈমানি দায়িত্ব। কর্পোরেট উদ্দীপনা ও দুনিয়াবী মোহে পড়ে আপনাদের এই ঈমানি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেন না; অন্যথায় খোদায়ী আজাব ও গজব থেকে আমরা কেউই রেহাই পাবো না। বিবৃতিদাতা অন্যন্য নেতৃবৃন্দ হলেন, মাওলানা লোকমান হাকিম, মাওলানা আবু তাহের আরবি, মাওলানা মঈনুদ্দিন রূহী, মাওলানা কাতেব ইলিয়াস ওসমানী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা হাফেজ মোজাম্মেল হক।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: দেশব্যাপী হেফাজতের বিক্ষোভ আজ
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ