Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬, ১৮ শাবান ১৪৪০ হিজরী।
শিরোনাম

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ড্যাফোডিলের প্রশংসা করলেন শিক্ষামন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার সাভার | প্রকাশের সময় : ১১ জানুয়ারি, ২০১৮, ১২:০০ এএম

ডিজিটাল বাংলাদেশ’- গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রসংশনীয় ভূমিকা পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য এবং আদর্শ জাতি গঠনে নৈতিক শিক্ষা খুবই জরুরী যা অর্জনে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা প্রশংসনীয়। গতকাল (বুধবার) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ৭ম সমাবর্তনে ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর প্রেসিডেন্ট মো: আবদুল হামিদের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্বকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে গবেষণার মাধ্যমে নতুন তথ্য ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে যা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সহায়তা করবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকারী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে কোন পার্থক্য করি না। সকলেই আমাদের সন্তান এবং তাদের সকলের জন্যই আমরা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই। কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও তাদের নূন্যতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি। যে সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া তারা আর কোন পথ খোলা নেই। এসময় তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ব্যবসা ও মুনাফার চিন্তা ত্যাগ করে জনকল্যাণে, সেবার মনোভাব ও শিক্ষার জন্য অবদান রাখার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে ডিআইইউ চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে যেতে পারছেন। শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে এরকম পদক্ষেপ সত্যিই আশাব্যঞ্জক। তিনি বলেন, কৃষিভিত্তিক প্রসেসড ফুডসের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতেও এ বিশ্ববিদ্যালয় অবদান রাখছে। এসময় তিনি বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসর এসোসিয়েশনের সাথে এমওইউ স্বাক্ষর করায় ড্যাফোডিল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে প্রশংসনীয় ভূমিকার উল্লেখ করেন।
সমাবর্তনে আরো বক্তব্য রাখেন বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান, ডিআইইউ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম এবং ইউনিভার্সিটির ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো: সবুর খান। সমাবর্তন বক্তা ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস-এর সভাপতি এবং জর্জিয়ার ককেসাস ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. কাখা শিঙ্গেলিয়া। সমাবর্তনে ৩ হাজার ৪৯৮ জন নবীন গ্র্যাজুয়েট সনদ লাভ করেন। সমাবর্তনে পাঁচ জন কৃতি গ্র্যাজুয়েটকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক প্রদান করেন শিক্ষামন্ত্রী। এরা হলেন পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্টের সাদিয়া আফরোজ, পঙ্কজ কুমার সাহা, তামাতুন ইসলাম তানহা, ইটিই বিভাগের মোহাম্মদ জাকারিয়া ভূইয়া, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ইপসা আনিকা ও সিএসই ডিপার্টমেন্টের মোঃ রিয়াজুর রহমান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী ১৫ জন গ্র্যাজুয়েটকে স্বর্ণপদক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী সমাবর্তন শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ডিআইইউ ১৭ টি বিভাগে ২৫ হাজার শিক্ষার্থীকে গ্র্যাজুয়েশন প্রদান করে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন