Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১০ মাঘ ১৪২৪, ৫ জমাদিউস আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী

মেয়াদ পূর্তির আগেই বেচা যাবে ট্রেজারি বিল ও বন্ড

| প্রকাশের সময় : ১২ জানুয়ারি, ২০১৮, ১২:০০ এএম

অর্থনৈতিক রিপোর্টার : ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মেয়াদ পূর্তির আগেও সরকারের কাছে তা বিক্রি করা যাবে। বর্তমানে ক্রেতাকে বন্ডের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা ধারণ করতে হয়। এখন থেকে বিক্রি হওয়া ট্রেজারি বিল ও বন্ড পুনরায় কিনে নেবে সরকার। ট্রেজারি বন্ডের সংখ্যা কমানো এবং এগুলোর মেয়াদ শেষে বিষয়টি সুষম করার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক বাই-ব্যাক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা করেছে। নীতিমালাটি সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের নির্ধারণ করে দেওয়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রিভার্জ অকশন ও ওভার দ্য কাউন্টারের মাধ্যমে ট্রেজারি বিল ও বন্ড বাই-ব্যাক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এক লাখ টাকা বা এক লাখ টাকার গুণিতক অংকের বিল ও বন্ড বাই-ব্যাক করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কারেন্ট একাউন্ট আছে এমন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাই-ব্যাক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। বাংলাদেশে বসবাসরত ও অনিবাসী ব্যক্তি এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যাদের কারেন্ট একাউন্ট নেই, তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কারেন্ট একাউন্ট রয়েছে এমন কোনো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাই-ব্যাক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন। বাজেট ঘাটতি মেটানোসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে অর্থ সংগ্রহের জন্য সরকার ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড ইস্যু করে থাকে। ট্রেজারি বিলগুলো হয় স্বল্প মেয়াদি, সাধারণত এর মেয়াদ হয় ৯০ দিন। অন্যদিকে ট্রেজারি বন্ডের মেয়াদ দুই থেকে ২০ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে।
বর্তমানে ক্রেতাকে বন্ডের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা ধারণ করতে হয়, সরকার তা কিনে নেয় না। বাই-ব্যাক চালু হলে ক্রেতাকে মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্যে অপেক্ষা করতে হবে না। দর-দাম মিলে গেলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সরকারের কাছে তা বেচে দিতে পারবে।

 

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।