Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

দোকলামে বিশাল সামরিক ঘাঁটি গড়ছে বেইজিং

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৮ জানুয়ারি, ২০১৮, ৯:৫৮ পিএম

স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত নতুন চিত্র থেকে বোঝা যায়, চীন একটি বিশাল সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে। এটি এক বিশাল সামরিক সঙ্কট তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। খবরে বলা হয়, চীন-ভুটান ও ভারত সীমান্তের দোকলামের উত্তেজনা ছিল বেশ কিছু দিন বড় ধরনের সঙ্কট। তবে ওই সমস্যা মিটে গেছে বলে ভারত ও চীন যে দাবি করেছিল তা সত্যি নাও হতে পারে বলে ভারতীয় মিডিয়া এখন দাবি করছে। কারণ, উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় পোস্ট থেকে মাত্র ৮১ মিটার দূরে চীন তাদের পরিকাঠামো নির্মাণ করে চলেছে। যা দেখে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন আসলে কখনো সেনা প্রত্যাহার করেনি। বরং সেনা ঘাঁটি তৈরির কাজ চালিয়ে গেছে। সিকিম সেক্টরে দোকলামের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়েছিল ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী। ৭০ দিন পরে উভয় দেশই সেনা প্রত্যাহার করে নেয় বলে দাবি করা হয়। অবশ্য, চীন কখনোই সুস্পষ্টভাবে বলেনি, তারা তাদের সৈন্যদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে। পাঁচ মাস পরে তোলা উপগ্রহ চিত্র কিন্তু অন্যকথা বলছে। বিতর্কিত এলাকায় ইস্ট-ওয়েস্ট রোড বরাবর একের পর এক সেনাঘাঁটি বানাচ্ছে তারা। হেলিপ্যাড বানানোর স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে। বন্দুক বা ট্যাঙ্কের চিহ্ন না মিললেও সেখানে তার ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। চীনের ঘাঁটি থেকে সিকিম মাত্র ৮১ মিটার দূরে। কয়েক দিন আগেই চীনকে তোপ দেগেছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত। দোকলামে চীনা সেনা বড় সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে বলে গত বুধবার দাবি করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একাংশ। কিন্তু এ দিন চীন সম্পর্কে সুর অনেকটাই নরম করে ফেললেন রাওয়াত। সম্প্রতি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় চীনা গতিবিধি নিয়ে সরব হন সেনাপ্রধান। সেই মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল বেইজিং। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দোকলাম সমস্যার পরে দু’দেশ ফের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। কিন্তু ভারতীয় সেনাপ্রধানের এমন মন্তব্যে ফের সমস্যা তৈরি হতে পারে। বুধবার আবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একাংশ দাবি করে, ভারত-চীন-ভুটান সীমান্তের দোকলামে বড় ধরনের সামরিক কমপ্লেক্স তৈরি করছে বেইজিং। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু উপগ্রহ চিত্রে সেই কমপ্লেক্সের অবস্থানও দেখানো হয়েছে। বুধবার রাষ্ট্রপতি ভবনে রাইসিনা আলোচনা প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে যান সেনাপ্রধান। সেখানেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দু’দেশের সম্পর্ক দোকলাম সমস্যার আগে যে স্তরে ছিল সেই স্তরে ফিরে গেছে। ফলে আপাতত তেমন সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।’ দোকলামে যে চীনা সেনা এখনও রয়েছে তা মেনে নিয়েছেন রাওয়ত। তার দাবি, চীনা সেনাদের সংখ্যা এখন অনেক কম। তাদের হাতে যে পরিকাঠামো রয়েছে তার বেশিরভাগটাই অস্থায়ী। রাওয়াতের আশ্বাস, ‘ভারতীয় সেনাও ওই এলাকায় রয়েছে। পরিস্থিতি প্রতিকূল হলে তার মোকাবিলা করা হবে।’ স্পুটনিক নিউজ, এনডিটিভি, টাইমস অব ইনডিয়া।যে অভিজ্ঞতা তা থেকে বলা যায়, যদি রোহিঙ্গারা দেখে যে তাদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত, তারা দেশে ফিরে গেলে সহিংসতা, নির্যাতন ও ধর্ষণের আবারো শিকারে পরিণত হবেন তাহলে তারা আশ্রয় শিবির ছেড়ে যেতে চাইবেন না। তিনি বিবৃতিতে আরো বলেন, রোহিঙ্গাদেরকে পর্যায়ক্রমিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য মৌলিক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে। এটা দীর্ঘদিনের এক বাস্তবতা। এ বিষয়টি অবশ্যই চিহ্নিত করতে হবে। রয়টার্স, সিএনএন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।