Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গা শিবিরে অবাধ প্রবেশের সুযোগ দেয়ার আহ্বান

দুই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করছে মিয়ানমার

| প্রকাশের সময় : ২৫ জানুয়ারি, ২০১৮, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মিত ক্যাম্পে মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোকে অবাধে প্রবেশের সুযোগ দিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে প্রত্যাবাসিত হওয়ার আগেই এ সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর এক বিবৃতিকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স খবরটি জানিয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর অভিযোগ, মিয়ানমারে এখনও ত্রাণ সংস্থা, মিডিয়া ও অন্য স্বাধীনধারার পর্যবেক্ষকদের প্রবেশে বিধি-নিষেধ আরোপ করে রাখা আছে। ইউএনএইচসিআর-এর পক্ষ থেকে মিয়ানমারকে আহ্বান জানানো হয় যেন তারা ‘রাখাইন রাজ্যে প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ দেয় এবং একটি বিশুদ্ধ ও টেকসই সমাধানে পৌঁছানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র গেøাবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার এক খবরে জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার রাজধানী নেপিদোতে অং সান সু চি ও সেনাপ্রধান মিন অংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন সশস্ত্র দুই বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘নিউ মন স্টেট পার্টি’ ও ‘লাহু ডেমোক্রেটিক পার্টির’ নেতারা। ওই বৈঠকে তারা ‘জাতীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি’ স্বাক্ষরে সম্মত হন। তবে কবে নাগাদ চুক্তি স্বাক্ষর হবে, তার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানানো হয়নি। দুটি সংখ্যালঘু আদিবাসী সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরে সম্মত হয়েছে। দশকের পর দশক ধরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে চলে আসা সংঘর্ষ বন্ধ করতে মুখ থুবড়ে পড়া শান্তি প্রক্রিয়া আবার এগিয়ে নিতে মিয়ানামরের ডি ফ্যাক্টো সরকারপ্রধান ও রাষ্ট্রীয় পরামর্শক অং সান সু চি উদ্যোগ নেওয়ার পর এই চুক্তি হতে যাচ্ছে। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে মিয়ানমারের এই সংঘর্ষ দীর্ঘদিন ধরে গৃহযুদ্ধের মতো চলে আসছে। এই সংঘাত বন্ধ করা অং সান সু চির কাছে প্রাধান্য পাওয়া ইস্যুগুলোর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। কিন্তু ২২ মাস আগে তিনি ক্ষমতায় আসার পর থেকে গত কয়েক বছরের মধ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির ভয়াবহ সংঘর্ষ হতে দেখা গেছে। জেনেভায় জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি বলেন, প্রত্যাবাসন সঠিক, টেকসই ও প্রকৃত পক্ষেই স্থিতিশীল করার জন্য... অবশ্যই কিছু ইস্যু পরিষ্কার করে বলতে হবে, যা নিয়ে এই সময় পর্যন্ত আমরা এখনো কিছু শুনিনি।’ রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রদানসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কিছুই স্বচ্ছভাবে বলা হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিথার ন্যয়ের্ত বলেছেন, প্রত্যাবাসন বিলম্বিত করার ধারণাটি ভালো। এ ছাড়া মিয়ানমারে জাতিসংঘ সংস্থাগুলোর প্রবেশাধিকার সহজ না হওয়ায় ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন বলে জানান তিনি। রয়টার্স।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রোহিঙ্গা

২৫ জানুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ