Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯, ০৯ চৈত্র ১৪২৫, ১৫ রজব ১৪৪০ হিজরী।

নিম্নমুখী হয়ে উঠেছে জ্বালানি তেলের দাম

প্রকাশের সময় : ২৭ মার্চ, ২০১৬, ১২:০০ এএম

কর্পোরেট রিপোর্ট : আবারো নি¤œমুখী হয়ে উঠেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজার। ব্রাসেলস হামলার ঘটনায় বাজারে যে মন্দাভাব দেখা যায়, তা দীর্ঘায়িত হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্যটির সরবরাহ বৃদ্ধির খবরে। ফলে এদিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজার আদর্শ ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) মূল্য আবারো নেমে এসেছে ব্যারেলপ্রতি ৪০ ডলারের নিচে। খবর মার্কেট ওয়াচ। নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (নিমেক্স) মে মাসে সরবরাহ চুক্তিতে বুধবার ডব্লিউটিআইয়ের দাম কমেছে ব্যারেলে ১ ডলার ৬৬ সেন্ট। আগের দিনের চেয়ে ৪ শতাংশ কমে এদিন পণ্যটির বাজার স্থির হয় প্রতি ব্যারেল ৩৯ ডলার ৭৯ সেন্টে। আগের দিনের ধারাবাহিকতায় বাজারে এদিন পণ্যটির বাজার শুরু হয় নিম্নমুখিতায়। ওই সময় পণ্যটির মূল্য নেমে আসে প্রতি ব্যারেল ৪০ ডলার ৫৫ সেন্টে। যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহ বৃদ্ধির খবর প্রকাশের পর এ বাজারমন্দা আরো গতিশীল হয়ে ওঠে। ব্রাসেলস হামলার কারণে আগের দিন পণ্যটির বাজার স্থির হয়েছিল প্রতি ব্যারেল ৪১ ডলার ৪৫ সেন্টে। অন্যদিকে লন্ডনের ইন্টার কন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) বুধবার মে মাসে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্টের দাম কমেছে ব্যারেলে ১ ডলার ৩২ সেন্ট। আগের দিনের চেয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ কমে বুধবার দিন শেষে পণ্যটির বাজার স্থির হয় প্রতি ব্যারেল ৪০ ডলার ৪৭ সেন্টে। আগের দিন ডবিøউটিআইয়ের দাম কমলেও ব্রেন্টের বেড়েছিল। ওইদিন পণ্যটির সর্বশেষ বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় প্রতি ব্যারেল ৪১ ডলার ৭৯ সেন্টে, যা ৪ ডিসেম্বরের পর সর্বোচ্চ। যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন এজেন্সি (ইআইএ) গত বুধবার জানায়, ১৮ মার্চ শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটিতে জ্বালানি তেলের মজুদ ৯৪ লাখ ব্যারেল কমে দাঁড়িয়েছে ৫৩ কোটি ২৫ লাখ ব্যারেলে। যদিও প্লাটসের এক বিশেষজ্ঞ জরিপের পরিপ্রেক্ষিতে তা ২৭ লাখ ব্যারেল বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের জন্য আশার খবর হচ্ছে, দেশটিতে গ্যাসোলিনের মজুদ হ্রাসের পাশাপাশি চাহিদাও রয়েছে বাড়তির দিকে। একই সঙ্গে বাড়ছে পরিশোধিত তেলের চাহিদা। ইআইএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসোলিনের মজুদ হ্রাস পেয়েছে ৪৬ লাখ ব্যারেল, যা বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি। অন্যদিকে হিটিং অয়েলসহ পরিশোধিত তেলের মজুদ বেড়েছে ১৭ লাখ ব্যারেল। দেশটিতে পণ্যগুলোর ব্যবহার বাড়ায় পরিশোধনাগারগুলোয় বর্তমানে অপরিশোধিত তেলের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ