Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯, ০৫ কার্তিক ১৪২৬, ২১ সফর ১৪৪১ হিজরী

পেশাজীবীরা রাজপথে

হোসাইন আহমদ হেলাল : | প্রকাশের সময় : ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ১২:০০ এএম

যানজট-ভোগান্তিতে নাগরিক জীবন
প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আমরণ অনশন চলছে, ১৭০ শিক্ষক অসুস্থ : প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মতে ৪১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ হয়নি : সিএইচসিপিদের চাকরির রাজস্বকরণের দাবি, আজ থেকে তাদের আমরণ অনশন শুরু হবে : চাকরির বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবি বাংলাদেশ ছাত্র পরিষদের : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই অতিরিক্ত সচিবের আশ্বাস প্রত্যাখ্যান
রাজনীতির মাঠ এখনো নিস্তেজ হলেও পেশাজীবীরা উত্তপ্ত করেছে রাজপথ। নির্বাচনী বছর ২০১৮ সাল শুরুর আগেই খুলনার পাটকল শ্রমিকরা বেতনের দাবিতে মাঠে নামেন। তাদের আন্দোলন শেষ হতে না হতেই নতুন বছরে শুরু হয় কায়েকটি পেশাজীবী সংগঠনের দাবির আন্দোলন। ডাক্তার, নার্স, প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক, মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারী, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, পাটকল শ্রমিক, বাংলাদেশ কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার এ্যাসোসিয়েশন, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও পৌরসভার কর্মচারী কারা করছে না আন্দোলন? দাবী দাওয়া নিয়ে অবস্থান, অনশন, মানববন্ধন বিক্ষোভ করেই চলছেন বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা। কেউ প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের প্রত্যাশায় কেউ আমরণ অনশন করছেন; কেউ অনশনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তা কার্যত ‘দাবী আদায়ের স্কয়ার’ হয়ে গেছে। ছাত্ররা সংগঠনের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় উত্তপ্ত করছেন; সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা চাকরির বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে তারা স্মারকলিপি ও বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন। এদিকে পেশাজীবীদের অব্যাহত দাবী অন্দোলনে ঢাকার রাজপথ হয়ে ওঠেছে অসহনীয় যানজট। এতে ক্ষুব্ধ নগরবাসী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। অপরদিকে আন্দোলনকারী পেশাজীবী সংগঠনের নেতাদের স্পষ্ট বক্তব্য- ‘দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবো। কোন কর্মকর্তা, মন্ত্রীর আশ্বাসে বাড়ী ফিরবো না। ‘প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস পেলে তারা রাজপথ ছেড়ে স্ব-স্ব কর্মস্থলে চলে যাবেন’ এমন ঘোষণাও দিয়েছেন। পেশাজীবীদের হঠাৎ আন্দোলন কর্মসূচী ঘোষণায় সরকার বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গেছে। নির্বাচনের বছরের শুরুতে সরকারের কাছে পেশাজীবীদের দাবী বাড়তি ঝামেলা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাবী বাস্তবায়নে সরকারের সামর্থ কতটুকু রয়েছে তাও বিবেচনা না করায় সরকার কার্যত বিপদে পড়ে গেছে।
চলতি বছরের ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন নিয়ে সরকার রয়েছে মহা-ঝামেলায়। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আয়োজনের জন্য দেশী বিদেশী চাপ আসছে। এ অবস্থায় ‘বোঝার ওপর শাকের আঁিট’র মতো নির্বাচনী বছরই দাবি আদায়ের বছর মনে করছে সরকারি ও আধা সরকারি কর্মকারী পেশাজীবীরা। সরকারের দুর্বলতার পুঁজি করে পেশাজীবীর দাবী আদায়ের সুযোগ হাত ছাড়া করতে চাইছেন না। স্ব-স্ব সংগঠনের দাবী স্ব-পক্ষে যুক্তি তুলে বক্তব্য রাখছেন; সরকার সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও সংগঠনের পক্ষে সমর্থন লাভে তদবির-লবিং করছেন। পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা সরকারকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে সমর্থনের আশ্বাস দেয়ার ইঙ্গিত করছেন তাদের বক্তব্যে। ইতোমধ্যে সরকার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ও এমপিওভূক্ত বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার দাবি পূরণে আশ্বাস দিয়েছেন। এ আশ্বাস ছিলো স্বয়ং সরকার প্রধান শেখ হাসিনার তরফ থেকেই। তাই তারা আশ্বস্ত হয়ে ফিরে গেছেন কর্মস্থলে।
বাংলাদেশ বেসরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো: মামুনুর রশিদ ইনকিলাবকে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারী ২৬ হাজার ১ শ ৯৩টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দিলেও ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়নি। সরকারী কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। মরতে হলে মরবো, তবুও জাতীয়করণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবোনা। মহাসচিব মো: কামাল হোসেন বলেন, আমাদের অনেক শিক্ষক অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন। অনেক শিক্ষকের পরিবার অনাহারে অধাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। প্রধানমন্ত্রী যদি বলেন তোমাদের দাবি মানা হবে তাহলে আমরা ফিরে যাবো। আমরা প্রদানমন্ত্রী ছাড়া অন্য কাউকে বিশ্বাস করিনা। তিনি শিক্ষকদের কষ্ট অনুভব করছেন, করবেন। আমরা তার মুখের বাণী শোনার অপেক্ষায় রয়েছি।
বেসরকারী প্রাথামিক শিক্ষক সমিতির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়, ১১ দিনের কর্মসূচিতে প্রথমে প্রতীকী অনশন ২৭ জানুয়ারী থেকে আমরণ অনশন অব্যহত রয়েছে। গত ৩০ জানুয়ারী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব আকরাম আল হোসেন, মন্ত্রীর একান্ত সচিব শেখ আতাহার হোসেন শিক্ষকদের এ দাবী যৌক্তিক। এ দাবীর সাথে একাত্মতা পোষণ করে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মতে ১ হাজার ৮শ’ বিদ্যালয় যাছাই-বাছাই শেষ করে মন্ত্রনালয়ে আছে। বাকী বিদ্যালয়গুলো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ওই বিদ্যালয়গুলো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। প্রস্তাবে সু-নির্দিষ্ট ঘোষণা না থাকায় আন্দোলনরত শিক্ষকরা না’ বলে তা প্রত্যাখান করেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তাদের আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেন মুক্তিযোদ্ধা মো: তোফাজ্জেল হোসেন, ব্যাবসায়ী আবুল মিয়া, উপদেষ্টা স্বপ্না ইয়াছিন, হুমায়ুন কবির পন্ডিত। বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক সমিতি নেতা সালেহ্ উদ্দিন, শাহ্জাহান আলী সাজু, বদরুল আমিন সরকার (ফরহাদ), ফিরোজ উদ্দিন, শাহনাজ পারভীন, আশরাফুল ইসলাম, নীলা রাণী দাস, মো: হারুনুর রশিদ, বখতিয়ার রহমান, দ্বীন ইসলাম, শামছুল হক, অবদুল মালেক, মিজানুর রহমান, সুমন কুমার চাকী, শেখ রাজু আহমেদ, ধরণী মোহন রায়, পরেশ মাহবুবা আক্তার মালা, সেলিম, আব্দুস সামাদ, শফি, সাদিক, মোখলেছুর রহমান মানিক প্রমূখ।
বাংলাদেশ কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার এ্যাসোসিয়েশন আজ বৃহস্পতিবার থেকে আমরণ কর্মসূচিতে যাচ্ছে। গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবায় তাদের অগ্রণী ভূমিকার কারণে সরকার তাদের উন্নয়ন খাতের থেকে রাজস্ব বিভাগে নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনের মুখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রকল্প পরিচালক তাদের আশ্বস্ত করেন। আজও তাদের সে দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছে। সিএইচসিপিদের চাকুরী রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের বিষয়ে হাই কোর্টে রীট মামলা দায়ের করা হয়। আদালত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। রীট পিটিশন ১৯৫০ সংগঠন ৩ দফা দাবী আদায়ের জন্য আন্দোলন করছে। দাবিগুলো হচ্ছে, ১৪ হাজার সিএইচসিপির চাকরি রাজস্বখাতে স্থানান্তর, ১৪তম গ্রেড থেকে ১১তম গ্রেডে উন্নীত করা, প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট স্থাপন করে ২ বছরের উচ্চতর প্রশিক্ষন প্রদান করা। তারা সারাদেশে গত ২০, ২১ ও ২২ জানুয়ারী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কর্ম বিরতি পালন করেছিলো। ২৩ ও ২৪ জানুয়ারী জেলায় জেলায় সিভিল সার্জন কার্যালয়, জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। এবং গত ২৭ জানুয়ারী থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচী পালন করে আসছে। আজ থেকে দাবী মেনে না নেয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন শুরু করবে।
কমিউনিটি হেল্থ প্রোভাইডার এ্যাসোসিয়েশনের আহŸায়ক মো: শহিদুল ইসলাম, সদস্য সচিব মো: নঈম উদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা কামাল হোসাইন সরকার ইনকিলাব কে জানান, গত ৬ বছরে সারাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকে তারা সাধারণ মানুষদের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে এসেছে। গ্রামীণ স্বাস্থ্য আজ অনেক উন্নত স্বাস্থ্য। গণসচেতনতা বৃদ্ধিতেও আমরা কাজ করেছি। সরকার আমাদের সাফল্য দেখেই আমাদের রাজস্বখাতে ন্যস্ত করার উদ্যোগ নিয়ে এখন অজ্ঞাত কারণে বাদ রাখছে। আমরা বাধ্য হয়ে আদালতে গিয়েছি। আদালত নির্দেশ দিলেও এখনও কার্যকর করা হয়নি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছেড়ে যাবো না। এবিষয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের অপেক্ষায় রয়েছেন।
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের ব্যানারে শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। তাদের দাবি চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ বছর করার জন্য। সমাবেসে তারা বলেছেন, গড় আয়ু যখন ৪৫ বছর ছিলো তখন চাকুরীতে প্রবেশের বয়স ২৭ বছর করা হয়েছিলো। যখন ৫০ ছাড়লো তখন প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর করা হলো। বর্তমানে গড় আয়ু ৭২ বছর হলেও চাকরিতে বয়সের সীমা ৩৫ করলে আপত্তি কোথায়? সাধারণ ছাত্র পরিষদ নেতা সঞ্জয় কুমার দাস ও বিনয় কুমার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারী চাকুরী নিয়ম অনুসরণ করার কারণে বেসরকারী ব্যাংকসহ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও ৩০ বছরের উর্ধ্বে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে না। ফলে বেসরকারী ক্ষেত্রেও চাকুরীর বয়সসীমা ৩৫ করা প্রয়োজন। সবুজ ভূঁঞা, ইমতিয়াজ হোসেন ও সুদিপ পাল বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে যুব সমাজকে কাজে লাগাতে হবে। যুবনীতি ২০১৭-তে বলা আছে যুবদের বয়স ১৮-৩৫ বছর রাখা হয়েছে। ৩০-৪০ বছর বয়সের যারা তারা পরিপূর্ণ উপযুক্ত মানুষ। তারা কর্মক্ষেত্রে কাজের মান উন্নত করতে পারে। মনোযোগ দিয়ে কাজ করার সুযোগ সময় সৃষ্টি হয়। চাকরির সয়সসীমা ৩৫ বছর নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা হয়েছে। লাখ-লাখ উচ্চ শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা বয়সের দেয়ালে আবদ্ধ হয়ে হতাশায় ভূগছে। সরকারী-বেসরকারী কোথাও চাকরি মিলছেনা। তারা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এবিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এফ এম মনজুর কাদের ইনকিলাবকে বলেন, শিক্ষকদের দাবি যৌক্তিক তবে এটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার, প্রক্রিয়াধীন ও চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনগুলো তাদের দাবি আদায়ের জন্য পর্যায়ক্রমে আন্দোলন সংগ্রাম করে যাচ্ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে পেশাজীবী আন্দোলনকারীর সংখ্যা। এতে করে কোন পেশাজীবীর দাবি যৌক্তিক আর কোনটি যৌক্তিক নয় তা নিয়েও নানা সংশয় রয়েছে। সব দাবিই যৌক্তিক এ কথা মনে করা ঠিক হবেনা। অযৌক্তিক দাবি নিয়ে কারা রাস্তায় দাড়াচ্ছে এবং কারা তাদের উস্কানি দিচ্ছে সে বিষয়ে সরকারের ক্ষতিয়ে দেখা উচিত। পেশাজীবীদের হঠাৎ আন্দোলন কর্মসূচী ঘোষণায় সরকার শুধু বিব্রত নয় সরকারের কাছে তাদের দাবী বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে। দাবী বাস্তবায়নে সরকারের সামর্থ কতটুকু রয়েছে তাও বিচেচনার বিষয় আছে বলে মনে করছেন অনেকে।
এদিকে পেশাজীবীদের ধারাবাহিক আন্দোলনের কারনে রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সচিবালয়সহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতে যানজটের সৃষ্টি সহ ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিঘিœত হচ্ছে নিরাপত্তাও। আইনশৃংখলা বাহিনী হিমসিম খাচ্ছে। এব্যাপারে সরকারের জরুরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন মনে করছেন ভোক্তভোগিরা। অপরদিকে পেশাজীবীদের মধ্যে শিক্ষকদের দাবী যৌক্তিক মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়। তাদের দাবী মেনে নিতে আপত্তি থাকার কথা নয়। এসব জনগুরুত্বপূর্ণ দাবীগুলো নির্দিষ্ট সময়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হলে আন্দোলন-সংগ্রামের প্রয়োজন হতোনা বলে মনে করছেন ভোক্তভোগী সাধারণ মানুষ।



 

Show all comments
  • বিপ্লব ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ৩:৩৯ এএম says : 0
    আলোচনার মাধ্যমে বিষয়গুলোর সমাধান হওয়া দরকার।
    Total Reply(0) Reply
  • তারেক মাহমুদ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ৩:৩৯ এএম says : 0
    সব বিষয়ে কেন যে রাস্তায় আসতে হচ্ছে সেটাই আমার বুঝে আসে না
    Total Reply(0) Reply
  • মনির ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ২:০৯ পিএম says : 0
    এই বিষয়গুলো নিয়ে নিউজ করায় ইনকিলাবকে ধন্যবাদ জানাই
    Total Reply(0) Reply
  • জার্জিস ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ২:০৯ পিএম says : 0
    এদের নিয়েও সরকারের চিন্তা করা উচিত বলে আমি মনে করি।
    Total Reply(0) Reply
  • Sanjida ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ৬:৫৫ পিএম says : 0
    রাস্তায় না নামলে কি কোনো কিছু সমাধান হতে পারে না। আর কেনই বা সমাধান হয় না, বুঝি না।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন