Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৭ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৩ জামাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী।

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জেলহাজতে

প্রকাশের সময় : ৩০ মার্চ, ২০১৬, ১২:০০ এএম

পটুয়াখালী জেলা সংবাদদাতা
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও পৌর বিএনপির সভাপতি মাকসুদ বায়েজীদ পান্না মিয়া গতকাল মঙ্গলবার একটি হত্যা মামলায় পটুয়াখালীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তারিক শামসের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, সদর থানার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের শারিকখালী গ্রামের আইয়ুব আলী মাতবরের সাথে তার ভাতিজা বাহাদুর মাদবরের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে ২০১৫ সালের ১৯ জুলাই দুপুরে বাহাদুর মাতবর তার লোকজন নিয়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আইয়ুব আলী মাতবরের ছেলে মাসুদকে পিটিয়ে, কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পরে আইয়ুব আলী মাতবর মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ পান্না মিয়াকে হুকুমদাতা হিসেবে ১৪ নং আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। আদালত প্রাঙ্গণে মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ পান্না মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ, যারা দোষী, যারা হত্যাকারী, যারা একটি নিরপরাধ ছেলেকে হত্যা করেছে তাদের বিচার হওয়া উচিত। আমি পৌরসভার বাসিন্দা, দু’বার মেয়র নির্বাচন করেছি, আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়ানো হয়েছে। মাকসুদ কায়েজীদ পান্না মিয়ার আইনজীবী বলেন, মজিবর রহমান দুলাল বলেন, মামলার বাদি আদালতে এফিডেভিট দিয়ে বলেছেন মাকসুদ বায়েজীদ পান্না তার মামলার আসামি না, তাকে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়ার জন্যও সে আবেদন করেছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন