Inqilab Logo

ঢাকা শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১১ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

রংপুরের সাবেক মেয়র ঝন্টু ইন্তেকাল

প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী শোক

| প্রকাশের সময় : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে ২৬ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ইন্তেকাল করেছেন রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল রবিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে তার একমাত্র ছেলে রিয়াজ আহমেদ হিমন জানান। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী।
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঝন্টুর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে লাশ রংপুরে নেয়ার পর দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ঝন্টুর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। গত ৩১ জানুয়ারি রাতে স্ট্রোক করলে ঝন্টুকে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। তখন ওই হাসপাতালের চিকিৎসক তোফায়েল হোসেন ভুঁইয়া বলেছিলেন, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে ঝন্টু সাহেবের বাম হাত ও পা অনুভূতিহীন হয়ে গেছে। পরদিন তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় ল্যাব এইড হাসপাতালে আনা হয়। ল্যাব এইড থেকে পরে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু। গত ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে লড়লেও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি। সিটি করপোরেশনের মেয়র ছাড়াও ঝন্টু রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য, রংপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং রংপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন।
বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ঝন্টু ১৯৫২ সালের ৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেন। দেশ স্বাধীনের পর তিনি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলেও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। ১৯৮৭ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান, ১৯৯২ সালে রংপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ মুক্তি আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মূলত তার নেতৃত্বেই এরশাদ মুক্তি আন্দোলন রংপুর অঞ্চলে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ঝন্টু। এরপর জাতীয় পার্টি ত্যাগ করে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এ সময় তাকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য করা হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মেয়র


আরও
আরও পড়ুন