Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ০৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

দৌলতপুরে তামাকের পরিবর্তে বাড়ছে বোরো আবাদ

| প্রকাশের সময় : ১৩ মার্চ, ২০১৮, ১২:০০ এএম

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) উপজেলা সংবাদদাতা : বাড়ছে বোরো ধানের চাষের জমি। তামাক চাষ ছেড়ে কুষ্টিয়া জেলায় বোরো ধানসহ সব ধরনের ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, কুষ্টিয়া জেলায় সর্বমোট আবাদি জমির পরিমাণ ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৭৮ হেক্টর। এর মধ্যে গত মৌসুমে বোরো ধান আবাদ হয়েছিল প্রায় ৩৩ হাজার ৮৫২ হেক্টর। গম ১১ হাজার ১৩০ হেক্টরে, ভুট্টা ২০ হাজার ৯০০ হেক্টর, আলু ২ হাজার ৮০৬ হেক্টর, মিষ্টি আলু ৩৬৪ হেক্টর, সরিষা ৬ হাজার ৬৯০ হেক্টর, সবজি ৬ হাজার ২২৫ হেক্টর এবং ১৩ হাজার ২৭৬ হেক্টরে তামাক চাষ হয়েছিল।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর কৃষি অফিসের তথ্যমতে, ২০১৬-১৭ মৌসুমে উপজেলায় আবাদযোগ্য জমি ৩২ হাজার ১৫০ হেক্টর। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর সেচ স্কিমের আওতাভুক্ত জমিতে প্রতি বছর বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধিসহ লাইন লোগো ও পার্চিং (এলপিপি) পদ্ধতি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, চলতি বছর ৪ হাজার ৭১৯ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেছিল। প্রকৃতপক্ষে ৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের আবাদকৃত বোরো চাষের জমির পরিমানের চেয়ে বেশি। গত বছর এই আবাদ ছিল ৪ হাজার ৭৪০ হেক্টর জমিতে। বছরের এই মৌসুমেও বোরো ধান রোপন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জেলার চাষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে তাঁরা তামাক চাষ ছেড়ে বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসল আবাদের দিকে ঝুকেছেন। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে তাদেরকে এ ব্যপারে পর্যাপ্ত সহযোগীতা এবং দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। এছাড়াও তামাক কোম্পানীগুলো কিভাবে পরিবেশ বান্ধব আধুনিক পদ্ধতিতে তামাকসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন করা যায়, প্রতিনিয়ত তারও প্রশিক্ষন দেয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর