Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫, ৯ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

লক্ষীপুরে সয়াবিনের পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক

এস এম বাবুল (বাবর), লক্ষীপুর থেকে | প্রকাশের সময় : ১৪ মার্চ, ২০১৮, ১২:০০ এএম

সয়াবিনের রাজধানী হিসাবে খ্যাত উপকূলীয় জেলা লক্ষীপুরের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সয়াবিন গাছের সমারোহ। চলতি মৌসুমে ফেব্রুয়ারি মাসে সয়াবিনের বীজ বোনা শেষ হয়েছে। এখন গাছ বেড়ে উঠছে, চলছে পরিচর্যা। ভালো ফলন ঘরে তুলতে চাষিরা সারাদিন অবিরাম কাজ করছে মাঠে। জেলার রায়পুর উপজেলার চরলক্ষী, চর আবাবিল, চর বংশি, রামগতি উপজেলার চর আবদুল্লাহ, চরগাজি, চর লক্ষী, চর আলেকজান্ডার, চর বাদাম, কমলনগর উপজেলার চর ফলকন, চর জাঙ্গালিয়া, চর কালকিনি, চর মার্টিন, চর লরেন্স, সদর উপজেলার চর রমণীমোহন, চর মনসা, টুমচরসহ জেলার প্রায় সর্বত্র বিস্তৃত মাঠ ঝুড়ে আবাদ কৃত সয়াবিনের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে স্থানীয় কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও উর্বর মাটির কারণে এ অঞ্চলে সয়াবিনের বাম্পার ফলন হয়ে থাকে। দেশের উৎপাদিত প্রায় ৮০ ভাগ সয়াবিন এ জেলায় উৎপাদিত হয়। এখন রবি মৌসুম। তাই সয়াবিন আবাদ পরবর্তী চারার পরিচর্যা করেছে কৃষকরা। মাঠ জুড়ে সয়াবিনের চারা গাছ বেড়ে উঠছে, গ্রামের পর গ্রাম সবুজের বিস্তার। যেন ফসলের মাঠ নয়, সবুজে ঘেঁরা চাদর। বাম্পার ফলনের প্রত্যাশায় সারাদিন চলছে সয়াবিন ক্ষেতের পরিচর্যা। করছেন সার ও কীটনাশক প্রয়োগ। একটু একটু করে সয়াবিন গাছ বেড়ে উঠার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কৃষকের স্বপ্ন। জেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে সয়াবিন আবাদের সময় জমি স্যাঁতসেঁতে থাকায় চাষিরা কাঙ্খিত আবাদ করতে পারেনি। চলিত মৌসুমে জেলায় ৫০,৫০৫ হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার মধ্যে ৪১,২৭০ হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদ হয়েছে। লক্ষীপুর জেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বেলাল হোসেন খান বলেন, বীজ বপনের সময় বৃষ্টি হয়েছিল। তাই চাষিরা অধিকাংশ জমিতে সয়াবিন আবাদ করতে পারেনি। যার ফলে সয়াবিন আবাদে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। এছাড়াও গত কয়েক বছরের লোকসানের ফলেও অনেক চাষি সয়াবিন আবাদ করেনি। তারপরেও ধানের চেয়ে সয়াবিনের বেশি দাম পাওয়া যায় বলে কৃষকরা সয়াবিন চাষ করেন। বর্তমানে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মাঠে সয়াবিন খেত পরিচর্যা করছে ভালো ফলনের প্রত্যাশায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্যান্য বছরের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠবে কৃষকরা।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ