Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫, ৯ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

বাংলাদেশে তিন যুগে তিন নারী বৈমানিকের মৃত্যু

| প্রকাশের সময় : ১৪ মার্চ, ২০১৮, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক: বাংলাদেশের ইতিহাসে যাত্রীবাহী বাণিজ্যিক বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানীর ঘটনা খুব কম। এখন পর্যন্ত দেশের মাটিতে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা ১৯৮৪ সালে ঢাকায় বিমানবন্দরের কাছের ভূমিতে যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪৯ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। সেসময় অন্যান্য যাত্রীদের সাথে নিহত হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক লাইসেন্সপ্রাপ্ত পাইলট কানিজ ফাতেমা রোকসানা। তবে তার আগে ৭ বছর দক্ষতার সাথে বাণিজ্যিক বিমান পরিচালনার রেকর্ড ছিলো এই পায়োনিয়ারের। এর বাইরে ৯৮ সালে সেনা প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় পুরান ঢাকার পোস্তগোলায় সহযোগী পাইলট রফিকুল ইসলামসহ নিহত হন প্রশিক্ষণার্থী পাইলট ফারিয়া লারা। তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের মেয়ে। সেকারণেই হয়তো সেসময় এ ঘটনা বেশ মিডিয়া কাভারেজ পেয়েছিলো। সেলিনা হোসেন পরবর্তীতে নিজের নিহত কন্যাকে নিয়ে ‹লারা› নামে একটি সাড়াজাগানো বই লিখেন। নেপালের কাঠমান্ডুতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএসবাংলার ড্যাশ-৪ বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে আছেন মহিলা পাইলট ফার্স্ট অফিসার পৃথুলা রাশিদা। তিনি মূল পাইলট আবিদ সুলতানের সহযোগী হিসেবে ফ্লাইট পরিচালনা করছিলেন। সাধারণত এ ধরণের প্লেন ক্রাশে কেউ বাঁচে না, তবে শুধুমাত্র পাইলটদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়া চেষ্টা ও দক্ষতায় এ দুর্ঘটনায় বেঁচে গেছেন ১৭জন। নেপালের মিডিয়া তাকে আখ্যায়িত করেছেন ‹ডটার অব বাংলাদেশ› নামে।



 

Show all comments
  • সাব্বির ১৪ মার্চ, ২০১৮, ২:৩৭ এএম says : 0
    পৃথুলা রাশিদা দায়িত্ব পালনের এক উদাহরণ হয়ে রইলো।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Abdul Hai ১৪ মার্চ, ২০১৮, ৯:৩৩ এএম says : 0
    We are sorry that we have lost our golden people. My condolence to them those who have lost their life in air crash accident in Napol.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ