Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় সমন্বিত পরিকল্পনা আসছে

প্রকাশের সময় : ১ এপ্রিল, ২০১৬, ১২:০০ এএম

বিশেষ সংবাদদাতা : এভিয়েশন সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সময়সীমা নির্ধারণ করে তা করা হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রশ্নে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।  গতকাল বৃহস্পতিবার  সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননের সঙ্গে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এসিসট্যান্ট সেক্রেটারি এ্যালান বারসিনের নেতৃত্বে সফররত মার্কিন প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্বের প্রতিটি দেশ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাচ্ছে। ভৌগোলিক অবস্থান এবং সম্ভাবনার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাই এখানকার এভিয়েশন সিকিউরিটি ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে আর কেউ নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা দিতে না পারে। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি  টাইমলাইন নির্ধারণ করে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।
বৈঠকে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাজ্যে সরাসরি কার্গোপণ্য পরিবহনে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানদ-ে উন্নীত করতে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের রেডলাইন এভিয়েশন সিকিউরিটিজ কোম্পানি কাজ করছে। যার ফলাফল ইতিবাচক হবে।
 বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলকে জানানো হয়, বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি-১ উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় আইন ও জনবল নিয়োগের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সিভিল এভিয়েশন এ্যাক্ট-২০১৬ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সংসদের আগামী অধিবেশনে তা পাস করা হবে। প্রতিনিধি দলটি এ ব্যাপারে অবগত বলে তারা জানান।
 আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব এসএম গোলাম ফারুক, যুগ্ম সচিব এএইচএম জিয়াউল হক, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এহসানুল গনি চৌধুরী, মেম্বার (অপারেশন) মুস্তাফিজুর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আসাদুজ্জামান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (আমেরিকা) আবিদা সুলতানা। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বৈঠকে ফেডারেল এভিয়েশন এডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) সি জে কলিন্স, ডেপুটি চিফ মিশন উধারফ মিল, ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি এডমিনিস্ট্রেশন রাসেল এমসি গ্লিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ