Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র Ñস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১ এপ্রিল, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। গতকাল বৃস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টে ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটির কর্মকর্তারা এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী অবৈধ অভিবাসীদের তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশীরাও রয়েছে। প্রথম ধাপে ৩০ জন বাংলাদেশী অভিবাসীকে ফেরত পাঠানোর সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এর অংশ হিসেবে অভিবাসীদের মার্কিন সরকার তাদের সব ধরনের আইনি সহায়তা দিয়েছে। আদালতে তারা তাদের যুক্তি উপস্থাপন করেছে। তাদের বৈধতার দাবির পক্ষে যুক্তি দেখাতে না পারায় সব প্রক্রিয়া শেষে তাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাটসহ ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজপি, র‌্যাবের মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে ঘিরে দেশব্যাপী নাশকতা ও অরাজকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি আমদানি করে একটি চক্র জেলায় জেলায় সরবরাহ করছিল বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি’র মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন তিনি। বুধবার রাতে পুরান ঢাকার বংশালের নবাব ইউসুফ রোডের নবাব ইউসুফ মার্কেটের সামনে থেকে গোয়েন্দা পুলিশ (দক্ষিণ) আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ ৩জনকে আটকের পর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। আটককৃতরা হলেন; মো. দবির উদ্দিন ওরফে তুহিন, মো. আব্দুল হামিদ ও মো. ইফরানুল হাসান পিয়াস। তাদের কাছ থেকে ৬টি বিদেশি অস্ত্র, ১০টি ম্যাগজিনসহ ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
মনিরুল ইসলাম বলেন, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত। এ ঘটনায় বংশাল থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে চোরাইপথে অস্ত্র সংগ্রহ করে তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করত। ইফরানুল কুমিল্লার স্থানীয় অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা-কুমিল্লা রুট ব্যবহার করে তিনি অস্ত্র সংগ্রহ করেন এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে চাহিদা মাফিক অস্ত্রের যোগান দিতেন। কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটি) এ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অরাজকতা সৃষ্টিই ছিল মূল উদ্দেশ্য।








 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ