Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫, ১২ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

একাত্তরের রোজনামচা

মা হা মু দ শা হ কো রে শী | প্রকাশের সময় : ২৬ মার্চ, ২০১৮, ১২:০০ এএম

সিরিয়ায় মুক্তিযুদ্ধের মিশন
দামেশ্ক্-পর্ব
১৩.৮.৭১ শুক্রবার
দুপুর ২.৩০, আড়াইটের রওনা হলাম সিরিয়ার রাজধানী দামেশ্ক্ (দামাস্কাস)-এর পথে। যে সব পার্বত্য অঞ্চল দিয়ে গাড়ি চলছিল তা প্রায় পাকিস্তানের সোয়াত এলাকার মতো। তবে এয়ার কন্ডিশনের চাইতে আরামদায়ক মনোরম শীতল আবহাওয়া। সন্ধ্যার আগে দামেশ্ক্ শহরের কাত্তান হোটেলে এসে পৌঁছলাম। (ভারতীয় দূতবাসের এটাচি ভরদ্বাজ অপেক্ষা করছিলেন)।
বৈরুত থেকে ভাড়া গাড়িতে নন্দর সঙ্গে আমার দু’জন আসছিলাম। হাত মুখ ধুয়ে এলে ভরদ্বাজ আমাদের নিয়ে গেলেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত গুহের বাসায়।
গুহ সাহেব কিছুদিন আগেও ঢাকায় কন্সাল-জেনারেল ছিলেন। আরমানীটোলা হাইস্কুলে আমার শ্বশুর সৈয়দ আলী আহসান সাহেবের সহপাঠী ছিলেন বলে আমাকে জানালেন। সংযোজন ৭.৭.৭৫]
সুন্দর মাছের ঝোল, ডাল-ভাত খেয়ে জালাল ভাই (মোল্লা জালালউদ্দিন এমসিএ) আর আমি পরিতৃপ্তি লাভ করলাম। গুহ সাহেবকে পেলাম একজন অমায়িক, শান্ত ও বুদ্ধিমান ভদ্রলোকরূপে। তবে তাঁর ধারণা, এখানে নাকি আশা-ভরশা কম। দেখা যাক !
*[দামেশ্ক্ আমার কাছে একেবারে অপরিচিত নগরী নয়। ১৯৬৫ সালে দুই মাসের ব্যবধানে এক রাত একদিন করে দু’দুবার প্যারিস থেকে সিরিয়ান-এরাব এয়ারলইন্সে দেশে ফেরা ও প্যারিসে ফিরে যাওয়ার কারণে]
১৪.৮.৭১ শনিবার
এখানে যোগাযোগের জন্য তিনটি নাম ঠিকানা পেয়েছিলাম :
ডক্টর মুস্তাফা আমিন, আফ্রো-এশীয় সলিডারিটি কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল ... অফিস ফোন-১১৯৫৭৫ মারজে- স্কোয়ার, শামির হোটেলের ওপরতলা...।
মি. মুরাদ কুয়াৎলি, অফিস ফোন ১১৮১৫৪ ওয়ার্ল্ড পিস কাউন্সিলের কেউকেটা, ফিরদৌস স্ট্রটে কেএলএম অফিসের ওপর তলায়।
হায়দার বোজো, অফিস ফোন ১১৯১৮৬ লীগ অব জুরিস্টস-এর ডিরেক্টর। বহু চেষ্টা সত্তে¡ও যোগাযোগ সম্ভব হলো না।
বিকেলে প্যারিসের সহপাঠী বন্ধু মিশেল আরবাশের ভাই বাহিজ আরবাশ এলো। ফইন আর্টসের পেইন্টিংয়ের ছাত্র। দ্বিতীয় বর্ষ। প্রথম বর্ষে প্রথম হয়েছে। তার সঙ্গেও প্যারিসে দেখা হয়েছিল। সে এসে সিরীয়া জীবনযাত্রা সম্পর্কে বেশ সুন্দর বলে গেল :
‘রাজনৈতিক স্বাধীনতার ঘাটতি আছে বলা চলে বৈকি, কিন্তু একটু
খাইলেই এখানে সবাই ভালো রকমে জীবনযাত্রা নির্বাহ করতে পারে।
তাছাড়া সিরীয় জনসাধারণ আসলে সবসময় জীবনযাত্রা ছাড়া অন্য কিছুই
কথা চিন্তা করে। তাদের একটা অন্য জগৎ-মনোজগৎ রয়েছে। নিশ্চয়ই
সমগ্র আরবদের মধ্যে সিরীয়রা যে সবচে’ বেশি ইন্টেলেকচুয়াল তাতে কি
আর সন্দেহের অবকাশ আছে?’
ডক্টর ওমর আবু রিশের ভগ্নিপতি ডক্টর মাদানী খিয়ামীকে (রেক্টর অক দ্য ফ্যাকালটি অব মেডিসিন) ফোনে পাওয়া গেল। পরদিন সকাল ১০টায় রঁদেভু। বাহিজের সাথে জায়গাটা দেখে এলাম। পরদিন সকালেই তো আসতে হবে। সন্ধ্যা সাড়ে ৮টায় গুহ সাহেবের বাড়িতে নৈশভোজনে এলাম। মিসেস গুহ খুব খাতির করলেন। আসলে তাঁর বাপের দেশের লোক তো আমরা! কুমিল্লার মেয়ে তিনি। এদিকে জালাল ভাইয়ের শ্বশুরবাড়ি আবার কুমিল্লা।
১৫.৮.১৯৭১ রোববার
সকালে খিয়ামীর সাথে দেখা করতে এসে জানলাম, আজ থেকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট পদে যোগদান করেছেন। সুতরাং ভারী ভিড়! তবু আমাদের অনেকক্ষণ রাখলেন ঘরে, কিন্তু কথা বলতে পারছেন না। শেষে কয়েকজন অধ্যাপককে বের করে দেয়া হলো। আমরা আমাদের বক্তব্য উপস্থাপন করলাম। তিনি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে বললেন। তাঁরও বক্তব্যÑ এখানে খুব একটা কিছু কেউ করতে পারবে না। পরদিন সকালে আসতে বললেন। (ক্লিনিকের নম্বর ১১২০৫৫, বাসার ফোন নম্বর ৩৩৭৯৩২)।
বিকেলে বাহিজকে দিয়ে ফোন করে জানা গেল, মুরাদ কুয়াৎলি আগামী বিষুদবার পর্যন্ত লাতাকিয়া-তে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ যাপনে রত থাকবেন। নিজেরা ড. মুস্তাফা আমিনের অফিসে তিন-চারবার গেলাম। ব্যর্থ হয়ে অতঃপর সুক হামিদিয়া, ওমায়য়াদ মসজিদ, রোকেয়ার কবর, সালাদিনের কবর ইত্যাদি পরিদর্শন করলাম।
১৬.৮.৭১ সোমবার
আজ মিশেল আরবাশ, আমার প্যারিসের বন্ধু বাইর থেকে ফিরে এসেই ফোন করল। দুপুরে আমাদের হোটেলে এলো। ঘণ্টাখানেক ধরে ওকে বোঝালাম। ও বেশ বুঝে নিলো এবং যোগাযোগ করানোর ব্যাপারে স্বেচ্ছায় কিছু দায়িত্ব নিলো। সন্ধ্যায় ওর অফিসে গিয়ে মেয়্ত্র মোরিস সালিবা, অধুনা আন্ডার-গ্রাউন্ড কম্যুনিস্ট পার্টির খুবই প্রভাবশালী নেতার (এখন একজন এমপি/দেপুতে) সঙ্গে আলাপ হলো। সংক্ষেপে আমাদের মিশন সম্পর্কে বললাম। তিনি আমাদের ডক্টর মুস্তাফা আমিনের কাছে নিয়ে গেলেন। ডক্টর আমিন বেঁটেখাটো, (ভেতরে ভেতরে শয়তান লোক : মনে হলো)। প্রথমেই কথা উঠল দামেস্কে গত আফ্রো-এশীয় সম্মেলন প্রসঙ্গে। আমি বললাম, ‘শুনেছি আমাদের একজন প্রতিনিধি লন্ডন থেকে এসেছিল, তাঁর সঙ্গে কি আপনার আলাপ হয়েছে?’
তাঁর জবাব : ‘কতলোক এসবে আসে, সবাইকে মনে রাখা তো সম্ভব নয়। তবে পূর্ব পাকিস্তানিদের চাইতে তোমাদের ব্যাপারে ভারতীয়দের খুব সোচ্চার দেখা গেল।’
আমি বললাম : ‘পাকিস্তান থেকে যারা এসেছে, তারা তো সরকারি প্রতিনিধি। আমাদের কোনো প্রতিনিধি তো কনফারেন্সে নিমন্ত্রণ পায়নি।’
তখন তিনি একটু রেগে মেগে বললেন : মাই ফ্রেন্ড (মনামি)! এটা একটি প্রিপ্রেটরি সম্মেলন, কনফারেন্স ছিল না।’ সম্মেলনের এবং সিরীয়দের পক্ষে সাফাই গাইলেন।
তখন আমি বললাম : ‘আমি তো আপনাদের দোষ দিচ্ছি না, শুধু আমাদের কথাটা শোনানোর অবকাশ হয়নি, সুযোগ ঘটেনি, এ কথাটাই বলছি এবং ভারতীয়রাও তাই বলেছেন। কেননা আজকে আমাদের সমস্যার সমস্ত বোঝা তাদের ঘাড়েই চেপেছে। সমস্ত বিশ্ববিবেক ঘুমিয়ে আছে।’
আস্তে আস্তে তিনি ঠাÐা হলেন এবং নিজেই প্রস্তাব করলেন, আফ্রো-এশীয় সংহতি সমিতির প্রেসিডেন্ট মসিয় বেজবুজের সঙ্গে আমাদের সাক্ষাৎকারের চেষ্টা করবেন। এ ছাড়া মসিয় সালিবার সূত্রে বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ল বাতোনিয়ে বিয়াদ আবেদ (খব ইধঃড়হরবৎ জরধফ অনবফ)-এর সঙ্গে যেন দেখা করি। এটি বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মুক্তির বিষয়ে বিবৃতির জন্য প্রয়োজন।
১৭.৮.১৯৭১ মঙ্গলবার
সালিবা সেটি আজ সন্ধ্যায় ঠিক করে রেখেছেন। সন্ধ্যায় আমরা মিশেলের সঙ্গে ল বাতোনিয়ে-র অফিসে এলাম। খুবই চমৎকার অফিস। তবে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো। চারজনের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হলো। সালিবার কাছ থেকে আবেদ নাকি কিছু শুনেছেন।
এখন আমাদের কাছ থেকে আরো বেশি কিছু শুনতে চান। তার জন্য বিষুদবার বেলা ১টায় দিনক্ষণ ধার্য করলেন। এক্ষণি তাঁকে ইন্দোনেশিয়া জাতীয় দিবসের পার্টিতে যেতে হবে। মা’লিশ! (অর্থাৎ-ধার্য ধর, ধৈর্য ধর, বাঁধ বুক!)
১৮.৮.৭১ বুধবার
মিশেল ফোন করে জজকোর্ট আসতে বলল। সেটিকে আরবিতে বলেÑ ‘কাসা আল আদ্ল।’ সেখানে সাল্ দাভোকায় (ংধষব ফ’আড়পধঃং) গিয়ে আবদেল সালাম হিদার এবং মিশেল দাহবারের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আলোচনা হলো। হিদারের অনেক প্রশ্নের জবাব দিলাম। হিদার প্রাক্তন জাস্টিস মিনিস্টার এবং ডেপুটি (এমপি, গোঁড়া মুসলমান। কিন্তু আমাদের ব্যাপারে পূর্ণ সহানুভ‚তি রয়েছে)। মিশেল দাহবারেরও। তিনি ইংরেজি বলতে পারেন। এই সুযোগে জালাল ভাই (মোল্লা) বললেন : ‘আইনজীবীদের সামনে কিছু বলার সুযোগ পেলে ভালো হয়। বিশেষ করে আমি নিজেই তো পেশায় আইনজীবী।’ কিন্তু সেটা সম্ভবপর নয়। সরকারের অনুমতি লাগবে। সে অনুমতি না পাওয়ারই সম্ভাবনা রয়েছে। পত্রপত্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ করাও অর্থহীন। এখানো চলছে একনায়কত্ব বা গোষ্ঠীতন্ত্র এবং চলছে ত্রাসের রাজত্ব। কেউ স্বাধীনভাবে কিছু করতে পারে না।
এখন সালিবা, বেজবুজ আর মিশরীয় যোগাযোগের ওপর নির্ভর করতে হবে। সন্ধ্যায় গুহ সাহেবের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক আলাপ, চা-পান। আলোচনায় জানা গেল, এখানো পাক সরকারের স্পাই রয়েছে এক গ্যাংগ। সব সময় আমাদের যেন কেউ অনুসরণ করছে, মনে হলো।
১৯.৮.১৯৭১ বৃহস্পতিবার
মিশেল আমাদের ল বাতোনিয়ে-র কাছে নিয়ে যাবে। সাড়ে ১২টায় কোর্টে গিয়ে হাজির হলাম। ওর এক বন্ধু অ্যাডভোকেটের সঙ্গে আলাপ হলো বাংলাদেশ প্রসঙ্গে। ল বাতোনিয়ে আমাদের সাদর অভ্যর্থনা জানিয়ে বললেন, তিনি আমার দেয়া ট্রুথ অ্যাবাউট বাংলাদেশ নেড়েচেড়ে দেখেছেন এবং এত বড় একটা ট্র্যাজেডি হয়ে গেল দেখে খুবই মর্মাহত। আমি সুযোগ পেয়ে এই ট্র্যাজেডির ব্যাপকতা এবং পশ্চাৎভ‚মি বিশ্লেষণ করে একটা ছোটোখাট বক্তৃতা দিয়ে ফেললাম। তিনি ফরাশি বোঝেন, তবে বলতে পারেন না ভালো। তাই আরবিই বলেন। মিশেল ফরাশিতে অনুবাদ করে দেয়। আমি আবার ইংরেজি-বাংলায় জালাল ভাইকে বলি। কথা প্রসঙ্গে ল বাতোনিয়ে জানালেন যে, শেখ মুজিবের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে এবং তাঁর পক্ষে যা সম্ভব তা তিনি করবেন। ইতোমধ্যে চার-পাঁচজন লোক এসে গেলেন, একজন হলেন বৈরুতের নাজাত পার্টির (মুসলিম লীগ?) আদনান হাকিম। আমি আরো কিছু বললাম। তিনি জানতে চাইলেন, আমরা স্বধীনতা ঘোষণা করে বিচ্ছিন্ন হতে চেয়েছি কেন? এবং আমরা স্বধীনতা পেলে ভারত ও চীন এই ‘দুই জায়েন্টের’ মাঝখানে টিকে থাকব কি করে? আমি খুব সাবধানতার সঙ্গে জবাব দিলাম। তিনি বললেন,‘আমরা যেন কিছু মনে না করি। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তাঁর গভীর মমতা ও শ্রদ্ধা রয়েছে। তা ছাড়া কোনো দেশের জনগণ যদি তাঁদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্থির সংকল্প হন তাহলে কেউ তাঁদের পিছু হটাতে পারে না।’ যাহোক, আপাতত তিনি সিরীয় অ্যাডভোকেটদের পক্ষ থেকে একটা চিঠি পাক সরকারের উদ্দেশ্যে লিখে তাদের রাষ্ট্রদূতকে দেবেন। সেখানে তিনি নির্যাতিত শরণার্থীদের সমস্যার কথা উল্লেখ করবেন এবং শেখ মুজিবের বিচার সামরিক আদালতে না করার জন্য বলবেন। আগামী সপ্তাহের শেষের দিকে সেই চিঠির একটি কপি আমরা নিয়ে যেতে পারি। আমি অসংখ্য ধন্যবাদ দিয়ে বললাম : ‘সিরিয়ার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের এবং শ্রদ্ধার সম্পর্ক আরো গভীরতর হোক, এই কামনা করি।’
ল বাতোনিয়ে খুবই আবেগের সঙ্গে এই মন্তব্য গ্রহণ করলেন এবং আমার থিসিসের একটি কপি পেতে বেশ আগ্রহ দেখালেন। আজকে আমাদের প্রথম বড় ধরনের সাফল্য লাভ হলো। মিশেলকে অনেক ধন্যবাদ। সালিবাকেও। মিশেলের মতে, আমরা সত্যিই সাফল্য অর্জন করেছি।
২০.৮.৭১ শুক্রবার
সন্ধ্যায় ড. আমিনকে ফোন করলাম। বেজবুজ ফিরেছেন, তবে লিবীয় এবং মিশরীয় প্রেসিডেন্টদ্বয় এখানে আসার জন্য শনিবার অবধি তিনি খুবই ব্যস্ত। রোববার সন্ধ্যায় তাঁকে ফোন করব।
কুয়াৎলি আর বোজো এখনো ফেরেননি।
কাল আমরা সিরিয়ার তুর্কি সীমান্তবর্তী দ্বিতীয় বড় শহর আলেপ্পো যাবো। (ঢাকায় সাবেক ফরাসি কনসাল জেনারেল) সেকুতোভিচে-র সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে (নিজের পরিচয় গোপন করে চট্টগ্রামে ফ্রান্সের অনারারি কনসাল রসুল নিজামের কাজিন পরিচয় দিয়ে ইংরেজিতে)। পরদিন আমার আলেপ্পো আগমনের খবর দিলাম। তিনি লাঞ্চের দাওয়াত করলেন। কিন্তু পৌঁছুতে পারব তো ঠিক সময়ে?
দামেশ্ক্ নতুন রূপ নিয়েছে সন্ধ্যায়। প্রেসিডেন্টদের নিয়ে একটা বিশাল গাড়ি বহর রাস্তা দিয়ে যেতে দেখলাম।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর