Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২ কার্তিক ১৪২৭, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

পরীক্ষায় পাশ পিসিবি শিরোপা ফিরল ইসলামাবাদে

| প্রকাশের সময় : ২৭ মার্চ, ২০১৮, ১২:০০ এএম


স্পোর্টস ডেস্ক : লুক রনকি ও কামরান আকমাল। এবারের পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ধারাবাহীক দুই ব্যাটসম্যানের নাম। এর পূর্ণ সুবিধা নিয়ে তাদের দুই দলও উঠে যায় ফাইনালে। কিন্তু ফাইনালে ব্যর্থ হলেন আকমাল, আর ধারাবাহীকতা ধরে রেখে রনকি খেললেন ২৬ বলে ৫২ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। আকমালের পোশোয়র জালমিকে ৩ উইকেটে হারিয়ে রনকির ইসলামাবাদ ইউনাইটেডও জিতে নিযেছ আসরের চ্যাম্পিয়নের খেতাব। পিসিএলের তিন বছরের ইতিহাসে রাজধানীর দলটির এটি দ্বিতীয় শিরোপা।
সাহেবজাদা ফারহান (৩৩ বলে ৪৪) ও রনকির ৯৬ রানের জুটিতে মনে হচ্ছিল সহজ জয়ই পেতে চলেছে ইসলামাবাদ। লক্ষ্যটাও ছিল নাগালের মধ্যে, মাত্র ১৪৯ রান। কিন্তু ২০ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে প্রাণ সঞ্চার করেন পোশোয়ারের বোলাররা। হঠাৎ করেই করাচি জাতীয় স্টেডিয়ামের পিচে রান তোলা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু আসিফ আলীর ৬ বলে ৩ ছক্কায় ২৬ রান সব শঙ্কা দুর করে দেয়। ১৯ বল হাতে রেখেই গেলবারের চ্যাম্পিয়নদের কাছ থেকে শিরোপা পুনরুদ্ধার করে ইসলামাবাদ। ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে থেকেই জয়ের সাক্ষি হন ইসলামাবাদ দলপতি মিসবাহ-উল হক।
এর আগে বল হাতে রনকিদের জন্যে কাজটা সহজ করে দেন শাদব খান। ২৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে পেশোয়ারের ব্যাটিং মেরুদন্ড ভেঙে দেন এই স্পিনার। ২টি করে উইকেট নিয়ে তার সঙ্গে যোগ দেন সামিত প্যাটেল ও হুসাইন তালাতও। ফলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৯ উইকেটে ১২১ রানে পরিণত হয় পেশোয়ারের ইনিংস। এরপরও তারা লড়াইয়ের পুঁজি গড়ে দশে নামা ওহাব রিয়াজের ১৪ বলে অপরাজিত ২৮ রানের কল্যাণে। পিসিএলে দশ বা এগারো নম্বরে ব্যাটে নেমে যা সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। ইনজুরির কারণে পেশোয়ারের হয়ে এদিনও খেলতে পারেননি টাইগার ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল।
পাঁচ ছক্কা ও চার বাউন্ডারিতে ৫২ রানের ম্যাচসেরা ইনিংসের পথে আকমালকে (৪২৫) ছাড়িয়ে আসরের সর্বোচ্চ রান স্কোরার বনে যান রনকি (৪৩৫)। সিরিজ সেরাও হন নিউজিল্যান্ডের এই মারকুটে ব্যাটসম্যান। আসরের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার ফাহিম আশরাফ ও ওহাব রিয়াজ। দুজনেই নেন ১৮টি করে উইকেট।
তবে ম্যাচের ফল নয়, নিরাপত্তার শঙ্কা কাটিয়ে সুষ্ঠভাবে দুটি কোয়ালিফাইং ও ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করতে পেরে নিশ্চয় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ফাইনালের উত্তেজনাকে ছাড়িয়ে দীর্ঘ নয় বছর পরে করাচি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে তৈরী হয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আবহ। এটাই ছিল আয়োজকদের সবচেয়ে বড় সফলতা। ছুটির দিনে ফাইনাল উপভোগ করতে করাচি স্টেডিয়ামে ছিল উপচে পড়া ভিড়। আসরের প্রথম ৩১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ও শারজাহতে। আগামি ১ এপ্রিল থেকে করাচির এই মাঠেই শুরু হবে পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পিসিবি


আরও
আরও পড়ুন