Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

ইমামে আজম হযরত আবু হানিফা (রহঃ)

গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির | প্রকাশের সময় : ৫ এপ্রিল, ২০১৮, ১২:০০ এএম

 ইলমে ফিকাহ’র স্বার্থক রূপকার ইমামে আজম হযরত আবু হানিফা (রহঃ) ছিলেন মুসলিম মিল্লাতের এক অনন্য গৌরব। তিনি ফিকাহ শাস্ত্রকে একটি স্বংয়সম্পূর্ণ এবং গতিশীল অবয়ব দান করেন। কোরআন, হাদীস, ইজমা কিয়াস, এর চারটি নীতিমালার বিশদ ব্যাখ্যা তথা হাদীসের আহকামের শ্রেণী বিভাজন, ইজমার সীমা নির্ধারণ, কিয়াসের হুকুম ও শর্তাদি নিরূপন, পরস্পর বিরোধী প্রমান্য দলীলে প্রয়োগ বিধি ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে তিনি জ্ঞান সমুদ্রের এক নবতর ও সমুজ্জল দিগন্ত উম্মোচন করেন। 

এই মহান ব্যক্তি ইরাকের কুফা শহরে ৮০ হিজরীতে জম্ম গ্রহণ করেন, তার প্রকৃত নাম ছিল নোমান পিতা- ছিলেন ছাবেত, ডাক নাম ছিল আবু হানিফা। পরবর্তী কালে এ নামেই তিনি প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তার নাম অনুসারেই তার মাজহাবের নামকরন করা হয় “হানাফী মাজহাব”। বংশগত ভাবে তিনি ছিলেন পারস্যের অধিবাসী এবং পারস্যের প্রাচীন রাজাদের বংশধর। হযরত ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) শৈশব থেকেই ছিলেন তীক্ষè মেধা ও বুদ্ধিমতার অধিকারী। কিন্তু লেখা পড়ার প্রতি অনুরাগী না হয়ে তিনি ব্যবসা বাণিজ্যে মশগুল ছিলেন। এই ব্যবসায়িক জীবন থেকে কিভাবে ইসলামের খেদমতে আসলেন সে সম্পর্কে- “আল ইকদুলফরীদ” গ্রন্থে তারই বর্ণনা উদ্ধৃত হয়েছে। তিনি বলেন এক দিন হযরত ইমাম শাবী বসেছিলেন। আর আমি তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি আমাকে ডেকে বললেন-কোথায় যাচ্ছ, কি নিয়ে ব্যস্ত, আমি বললাম বাজারে। তিনি বললেন বাজারে আসা যাওয়ায় কোন ফায়দা নেই। আলেমদের সাথে উঠাবসাতেই ফায়দা রয়েছে। বললাম-আলেমদের সাথে উঠাবসার সুযোগ কমই হয়। তিনি বললেন, অবহেলা করোনা। জ্ঞান অর্জন এবং আলেমগনের সাথে উঠাবসার বিষয়টি একটু ভাব। তোমার মধ্যে জ্ঞান প্রজ্ঞা ও চেতনা দেখতে পাচ্ছি। ইমাম শাবী এভাবে অনেক কথাই আমাকে বললেন। আমার অন্তরে তার কথাগুলো দারুন প্রভাব ফেলে। আমি ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে জ্ঞান চর্চায় ব্রতী হই। আল্লাহ পাক আমাকে তাতেই উপকৃত করেছেন। জ্ঞান জগতে এসেই তিনি প্রথমে ইলমে কালাম ও যুক্তি বিদ্যায় যুগ শ্রেষ্ঠ প্রতিভা হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেন। বসরায় পরপর বিশটি তর্ক সভায় বড় বড় পন্ডিতকে পরাস্ত করে তিনি বিজয় লাভ করেন। অতঃপর ইমাম হাম্মাদ ইবনে সুলাইমান (রহঃ) এর সাহচর্যে একটানা দশ বছর অতিবাহিত করে জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় তিনি গভীর পান্ডিত্য অর্জন করেন। ইলমে শরীয়তের একজন খ্যাতনামা জ্ঞানী হয়ে এ দশ বছর ধরে ইমাম হাম্মাদের নিকট গবেষনামূলক অধ্যয়ন, জ্ঞানের প্রতি তার আগ্রহের প্রমান বহন করে। তিনি হযরত আনাস ইবনে মালেক (রহঃ) সহ বেশ কয়েকজন মুহতারাম সাহাবা (রহঃ) কে দেখেছেন বলে প্রমান পাওয়া যায়। এছাড়াও যুগ শ্রেষ্ট তায়েবী হযরত আতা ইবনে আবিরাবাহ (রহঃ), আবু ইসহাক আসসাবয়ী (রহঃ), মুহাজের ইবনে দেছার (রহঃ), হাম্মাদ ইবনে আবি সুলাইমান (রহঃ), হাইসাম ইবনে হাবিব আস সাওয়াফ (রহঃ), কায়েস ইবনে মুসলিম, মুহাম্মদ ইবনে আলমুন কাদের, আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রহঃ) এর দাস হযরত নাফে (রহঃ), হেশাম ইবনে ওরওয়া, ইয়াজিদ ইবনে আল ফাকির, সাম্মাক ইবনে হারব, আলকামা ইবনে মারসাদ, আতিয়া আওফা সহ বহু আলেমের কাছ থেকে তাফসীর, হাদীস, ইতিহাস, যুক্তি বিদ্যা সহ সকল প্রয়োজনীয় জ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়েছিলেন। আওলাদে রাসূলগনের মধ্যে হযরত যায়েদ ইবনে যায়নুল আবেদীন (রহঃ), ইমাম বাকের (রহঃ), ইমাম জাফর সাদেক (রহঃ), আবদুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনে ইমাম হাসান (রাঃ) এর নিকট ইলমে শরীয়ত ও মারেফাতের বিভিন্ন শাখায় জ্ঞান আহরণ করে তিনি পান্ডিত্যের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেন। দ্বীনি জ্ঞানের সকল শাখায় পারদর্শী হওয়ার পর ১২০ হিজরীতে তারই ওস্তাদ হযরত হাম্মাদ ইবনে আবি সুলাইমানের ইন্তেকাল হলে কুফার জামে মসজিদে তিনি শিক্ষকতার কাজ শুরু করেন।
তার এই শিক্ষকতার সাথে সাথে তৎকালীন জালিম শাসকদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে দ্বীন যে ভাবে বিকৃত ও খেয়াল খুশি মত ফতোয়া দানের রীতি প্রচলিত হচ্ছিল তার চির অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন। তিনি ছাত্রদের প্রতিভা ও আগ্রহ অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত করেন। স্থায়ী ভাবে যারা ইমামের কাছে গবেষনায়রত ছিলেন, তাদের সংখ্যা ছিল চার শতাধিক। এদের মধ্যে ইমাম আবু ইউসুফ, ইমাম মোহাম্মদ ইবনে হাসান শায়াবানী, ইমাম জুফার, ইমাম হাসান, ইবনে জিয়াদ বিখ্যাত ফকিহ ও মুহাদ্দেস হিসাবে খ্যাতি লাভ করেন। পরবর্তী কালে তার ছাত্রদের মধ্যে প্রধান বিচারপতির পদ সহ আটাশ জন বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। আর দু’জন হয়েছিলেন জগত বিখ্যাত ফকীহ। তাছাড়া আরো যারা প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন, তারা হলেন হযরত আসাদ ইবনে ওমর আল বাজামী, আফিয়া আলআওদী, দাউদ তায়ী, কাশেম ইবনে মায়ান, আল-মাসউদী, আলী ইবনে হযরত হাম্মাদ ইবনে আবু হানিফা রাহেমাহুমুল্লাহু। ইমাম আজম যদি কোরআন-সুন্নাহ, এজমা কিয়াস দ্বারা দ্বীনের মূলভিত্তি ফিকাহ শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠা এবং ছাত্রদের দ্বারা এর বাস্তব ও প্রয়োগিক উৎকর্ষ সাধন না করতেন তাহলে জালিম শাসকরা শরীয়তকে নিজেদের মন মত করে নেয়ার সুযোগ পেত। তার এই অনন্য খেদমতের বদৌলতে ইসলামী ফিকাহর ভিত্তি স্থাপিত হয়। ইমাম মালেক, ইমাম শাফেয়ী এবং ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহঃ) সহ বিশ^বরেণ্য ফকিহগণ দ্বীনের সকল শাখায় সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জাতির সামনে তুলে ধরার যে প্রয়াস পেয়েছিলেন তাতে ইমাম আজমের অবদান অনেক বেশী। তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী ইমামের এ মৌলিক কাজে ক্রোধান্বিত হন। চতুর্দিকে তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো ও বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। ইমামে আজম আবু হানিফা (রহঃ) তার জীবনে প্রায় ৫৫ বার হজ্জ্ব পালন করেন। একবার হজ্জ্ব অনুষ্ঠানে ইমাম আবু হানিফার সাথে সাক্ষাতে ইমাম বাকের (রাঃ) বলেন তুমিই কি সেই ব্যক্তি যে আমার নানার দ্বীনকে পরিবর্তন করে দিচ্ছ এবং তার হাদীসকে যুক্তি দিয়ে বিকৃত করছ? হযরত ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) জবাবে বললেন আল্লাহর কাছে পানাই চাই। তারপরও ইমাম বাকের (রহঃ) একই কথা পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন। তখন ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) বলেন, আপনি একটু বসুন। ইমাম বাকের (রাঃ) বসলে অত্যন্ত সম্মান প্রদর্শন করে ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) বললেন আমার কাছে আপনার মর্যাদা তদ্রæপ যেমন সাহাবাদের কাছে আপনার নানা (দঃ) এর জীবদ্দশায় মর্যাদা ছিল। আমি আপনার কাছে তিনটি প্রশ্ন করব। প্রথম প্রশ্ন হল-পুরুষ অধিক দুর্বল নাকি মেয়ে? ইমাম বাকের (রহঃ) বললেন মেয়ে। ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) বললেন মেয়ের মিরাসী অংশ কতটুকু? ইমাম বাকের জবাব দিলেন পুরুষের দু অংশ আর মেয়েদের এক অংশ। ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) বললেন এ বিধান তো আপনার নানা দিয়েছেন তাই না? আমি যদি কিয়াস দ্বারা পরিবর্তন করতাম তাহলে মেয়েরা যখন দুর্বল তাহলে যুক্তি মোতাবেক পুরুষের এক অংশ আর মেয়েদের দু-অংশ দেয়ার কথা বলতাম। আমি তো এ মাসয়ালার কোন পরিবর্তন করিনি। দ্বিতীয় প্রশ্ন-নামাজ উত্তম না রোজা? ইমাম বাকের (রহঃ) বললেন-নামাজ উত্তম। ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) বললেন এটা তো আপনার নানার বিধান। আমি যদি যুক্তি মোতাবেক ফতোয়া দিতাম তাহলে বলতাম মেয়েদের কে হায়েজের পর কাজা নামাজ আদায় করতে হবে। রোজা রাখার বিধান রহিত করতাম। যুক্তি মোতাবেক যে কাজ উত্তম তারই তো কাযা করতে হবে কিন্তু আমি তো এরূপ করিনি। হযরত ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এভাবে তিনটি প্রশ্ন করে এবং যুক্তি প্রমাণ দিয়ে হযরত ইমাম বাকের (রহঃ) কে বুঝিয়া বলেন, কিয়াসের দ্বারা আপনার নানার দ্বীনকে পরিবর্তন করা থেকে আল্লাহর কাছে পানাই চাই। ইমামের যুক্তিপূর্ণ কথা শোনার পর হযরত ইমাম বাকের (রহঃ) ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর সম্মানে দাঁড়িয়ে তার সাথে আলিঙ্গন করেন এবং কপালে চুমু খেলেন। তার জন্য দোয়া করলেন। এ ঘটনা থেকে বুঝা যায়। ইমামের যুক্তি কোরআন ও সুন্নাহর বাহিরে ছিল না। এক দিকে দ্বীনের ভিত্তি টিকিয়ে রাখার জন্য ফিকাহ শাস্ত্রের চর্চা অন্যদিকে ছাত্র তৈরির কাজে জীবন উৎসর্গ এবং সত্যান্বেষী আন্দোলন সমূহের সমথর্নে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন তিনি। কুফার গর্ভনর হযরত আবু হানিফা (রহঃ) কে প্রধান বিচারপতি পদের জন্য প্রস্তাব দিলে ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) তিন তিন বার তা প্রত্যাখান করেন। এ প্রস্তাবের মাধ্যমে তারা ইমামের বিশাল জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা চালায়। ইমামের পক্ষ থেকে প্রস্তাব প্রত্যাখানের পর কুফার গর্ভনর নুবাইয়া ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন-এ পদ গ্রহণে যদি সে আবারও অস্বীকার করে তাহলে তাকে চাবুক মারা হবে। ইমাম এ সংবাদ শুনে বলেন, আল্লাহর কসম ইবনে নুবাইরা আমাকে হত্যা করলেও তার কোন প্রস্তাব আমি গ্রহণ করব না। ইমামের এই উত্তর শুনে ইবনে নুবাইরা-ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) কে তার দরবারে হাজির করার নির্দেশ দিলে সাথে সাথে তাকে দরবারে হাজির করা হয়। নুবাইরা জল্লাদকে নির্দেশ দিলে জল্লাদ ইমামের মাথায় চাবুক মারা শুরু করে। ইমামের মাথা ফেটে যখন রক্ত ঝড়ে তখনও ইমাম অবিচল কন্ঠে নুবাইরাকে দমক দিয়ে বলছিলেন স্মরণ কর: যে সময় তোমাকে আল্লাহর সম্মুখে দন্ডায়মান করা হবে, আজ তোমার সম্মুখে আমি যে ভাবে অপমানিত হচ্ছি, এর চেয়ে ও অধিক হীনতা ও অপমানের সাথে তোমাকে আল্লাহর দরবারে দাঁড় করানো হবে। একথা গুলো বার বার শুনে নুবাইরার মুখ ফ্যাকাসে হয়ে যায়। জল্লাদ কে চাবুক মারা বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়ে ইমাম কে কিছু দিন জেলে বন্দী করে রাখে। কিন্তু গণচাপের মুখে তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। এরপর ইমাম কুফা ছেড়ে হেজাজে চলে যান। উমাইয়া শাসনের অবসানের পর আব্বাসীয় খেলাফত প্রতিষ্ঠা হলে সবাই মনে করেছিল জুলুমের অবসান ঘটেছে। আব্বাসীয় শাসকরাও খ্যাতনামা আলেম, বুদ্ধিজীবীদেরকে আকৃষ্ট করার জন্য নানা ফন্দি আটে। কিছু দিন যেতে না যেতেই তাদের আচরণ উমাইয়্যাদের থেকেও জঘন্য রূপ ধারণ করলে ইমাম আবু হানিফা সহ সংগ্রামী আলেমগণ তাদের বিরুদ্ধে সোচ্ছার হয়ে উঠেন। আব্বাসীয়দের বিরুদ্ধে জিহাদের ফতোয়া দিয়ে তিনি বলেন “অমুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে জিহাদ করার চেয়ে বর্তমান অবস্থায় হুকুমতের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করা অধিক পুণ্যের কাজ”। ইমাম আবু হানিফার কর্ম তৎপরতা, শিক্ষকতা ও ফিকাহ সমগ্র মুসলিম দুনিয়ায় এতোই প্রভাবশালী হয়েছিল যে, ক্ষমতাশীলরা তার এ প্রভাবে চিন্তিত হয়ে পড়েছিল যার কারণে ইমামকে বশে আনার জন্য মানসুর প্রধান বিচারপতি পদ গ্রহণের আহŸান জানালে ইমাম পূর্বের মতই অস্বীকার করেন। এতে খলিফা ক্রোধান্বিত হয়ে নিজেই ইমামকে বেত্রাঘাত করতে শুরু করে। আহত অবস্থায় ইমামকে আবারো জেলে পাঠানো হয়। সত্তর বছরের অধিক বয়সে ইমাম আবু হানিফার উপর এ নির্মম অত্যাচারের ফলে ইমাম অসুস্থ হয়ে পড়েন। জেল খানায় অসুস্থ অবস্থায় স্বৈরচারী মানুসর ইমামকে ডেকে বিষ মিশ্রিত শরবত পান করতে বলে। ইমাম বললেন আমি পান করব না। মানসুর বলল-আপনাকে পান করতেই হবে। ইমাম বললেন আমি জেনে শুনে কোন মতেই আত্মহত্যা করতে পারি না। তখন ইমাম সাহেবকে জোর করে মাটিতে ফেলে তাঁর মুখে পাষন্ড মানসুর বিষ ঢেলে দেয়। এ ভাবে ১৫০ হিজরীর ২ শা’বান তারিখ ইসলামের এ মহান ফিকাহ ও সংগ্রামী আলেম শাহাদাত বরণ করলেন। তাঁর জানায়ায় ৫০ হাজারের ও অধিক লোক সমবেত হয়েছিল। ইমামের ওসীয়ত অনুযায়ী তকে তৎকালীন বাগদাদ শহরের বাইরে দাফন করা হয়। তার মাজার শরীফে আজো বিশে^র হাজার হাজার মানুষ জিয়ারতে উদ্দেশ্যে যান এবং তাঁর লক্ষ লক্ষ অনুসারী ছড়িয়ে আছেন বিশে^র সর্বত্র।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর