Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ০৫ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

চীনা পণ্যে আরো একশ’ বিলিয়ন ডলার শুল্কারোপ যুক্তরাষ্ট্রের

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৭ এপ্রিল, ২০১৮, ১২:০০ এএম

চীনের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর আরও একশ’ বিলিয়ন ডলার শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। মার্কিন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে চীন যুক্তরাষ্ট্রের ১০৬টি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পণ্যে শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করার পর ট্রাম্প বেইজিংয়ের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন এ পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছেন। গত কয়েকমাসে যুক্তরাষ্ট্র শতাধিক চীনা পণ্যের ওপর ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে। নতুন করে আরও শুল্ক চাপিয়ে দেওয়া হলে তা দুই দেশের ‘বাণিজ্য যুদ্ধকে’ বিস্তৃত করবে এবং বিশ্ব বাজারের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে উসকে দেবে বলে ধারণা পর্যবেক্ষকদের। মার্চের প্রথমদিকে বিদেশ থেকে আমদানি করা স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর শুল্কের হার বাড়িয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যার প্রতিক্রিয়ায় ১২৮টি মার্কিন পণ্যে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কথা ঘোষণা করে বেইজিং। গত সপ্তাহে মেধাস্বত্ব লংঘনের শাস্তি হিসেবে ১৩০০ চীনা পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের নতুন পরিকল্পনার কথা জানায় ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউস জানায়, মেধাস্বত্ব অধিকার বিষয়ে চীনের অন্যায্য চর্চার কারণেই আমদানি পণ্যে এ অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ পরিকল্পনাকে গত বছর চীনের মেধাস্বত্ব চর্চা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের তদন্তের নির্দেশের ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। চীন তার দেশে বিনিয়োগ করতে যাওয়া মার্কিন কোম্পানিগুলোকে প্রযুক্তি ভাগাভাগিতে চাপ দিচ্ছে তদন্তে এ ধরনের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়ে গত মাসেই ট্রাম্প বেইজিংয়ের কোন কোন পণ্যে শুল্ক আরোপ করা যায় তার তালিকা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার পরপরই সয়াবিন, এয়ারক্রাফটের যন্ত্রাংশ, কমলালেবুর রসসহ ১০৬টি মার্কিন রপ্তানি পণ্যে চীনের অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তুতির খবর পাওয়া যায়। বেইজিংয়ের এ পাল্টা পদক্ষেপকে ‘অন্যায্য’ অ্যাখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, নিজেদের ভুল না শুধরে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষক ও কারিগরদের ক্ষতি করার পথ বেছে নিয়েছে চীন। “চীনের এ অন্যায্য পদক্ষেপের পর আমি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধিদের ৩০১ ধারা অনুযায়ী দেশটির ওপর আরও ১০০ বিলিয়ন ডলার শুল্ক আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেছি; কোন কোন পণ্যের ওপর শুল্ক দেওয়া যায়, তা চিহ্নিত করার কথাও বলেছি,” বলেন ট্রাম্প। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ পূর্ণমাত্রায় শুরু হলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। রয়টার্স, সিএনএন, এপি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ