Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ০৪ মাঘ ১৪২৭, ০৪ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

চাটখিলে ভুল সেটে এইচএসসি পরীক্ষা

অভিভাবকদের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা

চাটখিল (নোয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১২ এপ্রিল, ২০১৮, ১২:০০ এএম

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বর্তমানে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি বিষয় পরীক্ষা খ সেটে অনুষ্ঠিত হলেও চাটখিল পাঁচগাঁও মাহাবুব সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ক সেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে করে এ কেন্দ্রের ১২শ ১৯ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এদের অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস সালাম পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে সরজমিনে ঘটনা তদন্ত করেছেন। এ ঘটনায় কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির আহবায়ক গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বিপ্লব চন্দ্র মজুমদার এবং কেন্দ্র সচিব ও কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল আবু জাফর মোঃ সাদেককে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, চাটখিল পাঁচগাঁও মাহাবুব সরকারি ডিগ্রি কলেজ (কোড-৩০৯) কেন্দ্রে চাটখিল পাঁচগাঁও মাহাবুব সরকারি ডিগ্রি কলেজের ৭৯৭ জন, চাটখিল মহিলা ডিগ্রি কলেজের ১৯২ জন, সোনাইমুড়ির জয়াগ কলেজের ১৬২ এবং হীরাপুর কলেজের ১৮ জন পরীক্ষার্থী বর্তমান বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। নিয়ম অনুযায়ী ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করার পর, পরীক্ষার ২৫ মিনিট আগে বোর্ড থেকে কেন্দ্র সচিবের বরাবরে কোন সেটে পরীক্ষা নেওয়া হবে, তা এসএমএস করে জানানো হয়। গত সোমবার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ে পরীক্ষা খ সেটে অনুষ্ঠিত হওয়ার এসএমএস আসলেও কেন্দ্র সচিব ও কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মনিরুল ইসলাম ভুল করে ক সেটে পরীক্ষা নেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর খাতাগুলো ডাকযোগে যথাসময়ে প্রেরণ করা হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৩ ঘন্টা পর জানা যায়, খ সেটের স্থলে ক সেটে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। জেলা প্রশাসকের সুপারভাইজিং অফিসার ইউএনও রায়হানুল হারুন জানান, তিনি ঘটনাটি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসক শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন। প্রশ্নপত্র ভুলের ঘটনাটি অনেক পরে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে জানাজানি হয়। এ নিয়ে পরীক্ষার্থীদের শংঙ্কা এবং অভিভাবদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।
এ ব্যাপাওে কেন্দ্র সচিব ও কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন পরীক্ষার শুরুর পূর্বে মোবাইলে এসএমএস আসে। তিনি পূর্বের আসা এসএমএস গুলো বিলুপ্ত করেননি। তিনি এর আগের দিনের ক সেটের এসএমএস দেখেই প্রশ্নপত্র পরীক্ষার্থীদের মাঝে ভুল করে বিতরণ করেন। ইউএনও রায়হানুল হারুন জানান, প্রশ্নপত্র বিতরণে ভুল হলেও পরীক্ষায় কোন প্রকার ত্রুটি হয় নাই। এতে পরীক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভবনা নাই। তবে শিক্ষা বোর্ডের কন্ট্রোলার অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষার্থীদের দুঃচিন্তার কেনো কারণ নেই।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ