Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫, ৯ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

চিঠিপত্র

| প্রকাশের সময় : ১৬ এপ্রিল, ২০১৮, ১২:০০ এএম

তামাকজাত পণ্যের অবাধ ব্যবহার নয়
শ্বাস-কাশি, ফুসফুসে সমস্যা, হার্টে সমস্যা, লিভারজনিত সমস্যা আজ অনেকের যেন নিত্যসঙ্গী, শুধু তামাক সেবনের ফলে রোগগুলো মহামারী আকারে ধারণ করছে। কেন আজ যুবকরা অযথা টাকা খরচ করে তামাকজাত পণ্য কিনে খারাপ নেশায় জড়িত হচ্ছে? যারা এই ধূমপান করে তাদের কাছ থেকে জাতি আজ যৌক্তিক চিন্তা আশা করতে পারছে না। মদ্যপানের ফলে যুবকরা আজ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। যুবসমাজের এই তামাক সেবন ও মদ্যপানের মতো এ খারাপ নেশা থেকে তাদেরকে ফিরিয়ে আনার মতো ব্যবস্থা সরকারি উদ্যোগে বাস্তবায়ন করতে হবে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একসঙ্গে তামাকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সভা-সমাবেশ করে এর প্রতিকারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ধূমপান ও মদ্যপানের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবসা শিথিল করতে হবে। সমাজ ও রাষ্ট্রের কর্তাদের এই নেশা পরিত্যাগ করতে হবে। ধূমপান ও মদ্যপানকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইন পাস করে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। ধূমপান বা অতিরিক্ত তামাক সেবনের কারণেই আজ মানবদেহে এত বড় বড় রোগ সৃষ্টি হচ্ছে। কোনোক্রমেই আজ তামাক সেবন কমানো যাচ্ছে না। যুবক ছেলেরা হরহামেশা সবার সামনে ধূমপান করছে, কেউ প্রতিবাদ করছে না। মদ্যপান করার কারণে কেউ কেউ আবার অশালীন কাজ করছে। তাই তামাক ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারলেই দেশের সোনার যুবকদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তামাক সেবনের ক্ষতিকর প্রভাব ও ভয়াবহতা সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে, তা না হলে একটি সুস্থ মনের সুস্থ জাতি তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই তামাকের অবাধ বা মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার বন্ধ করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
তাইফুর রহমান মুন্না
কাছিকাটা, মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ