Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫, ১৫ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা

| প্রকাশের সময় : ২৭ এপ্রিল, ২০১৮, ১২:০০ এএম

এটি একটি বংশগত রোগ। এ রোগে চোখের রেটিনাতে সমস্যা হয়। চোখের সবচেয়ে ভেতরের স্তরের নাম রেটিনা। রেটিনাতে অনেকগুলো স্তর থাকে। রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসাতে রেটিনার সবগুলো স্তরেই সমস্যা হয়। এর সাথে ছানি এবং গøুকোমাও থাকতে পারে।
রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা অটোজমাল ডমিনেন্ট, রিসেসিভ এবং এক্সলিংকডও হতে পারে। রোগটিতে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হতে থাকে। প্রথমে রাতে দেখতে সমস্যা হয়। শেষে অন্ধত্ব দেখা দেয়।
রেটিনা চোখের সবচেয়ে ভেতরের স্তর। রেটিনাতে আলো পড়ে তাই আমরা দেখতে পাই। রেটিনাতে রড ও কোন কোষ থাকে। রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসাতে রড ও কোন কোষ নষ্ট হয়ে যায়। প্রথমে রড কোষ নষ্ট হয়। রড কোষ রাতে দেখতে সহায়তা করে। পরে কোন কোষও নষ্ট হয়। কোন কোষ বর্ণ চিনতে এবং উজ্জল আলোতে দেখতে সহায়তা করে।
রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা তে শৈশবেই চোখে সমস্যা হয়। প্রথমে আবছা আলোতে রোগীর দেখতে কষ্ট হয়। অন্ধকারে হাঁটতে পারেনা। অনেক সময় পড়ে যায়। তারপর আস্তে আস্তে অন্ধ হয়ে যায়। ৫০ বছরের মধ্যেই রোগী সম্পূর্ণ অন্ধ হয়ে যায়।
রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা ডায়াগনসিসের জন্য ভালভাবে ইতিহাস নিতে হবে। শারীরিক পরীক্ষা করলে তেমন কিছু পাওয়া যায়না। অপথ্যালমোস্কোপ দিয়ে পরীক্ষা করলে রোগটি ধরা যায়। নিশ্চিত হবার জন্য ইলেকট্রোরেটিনোগ্রাম এবং ডিএনএ টেষ্টিং করা হয়। রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসার কোন চিকিৎসা নেই। ভিটামিন এ, লুটিন, এ ডিজিজকে ধীর করে। তবে এ বিষয়ে বিতর্ক আছে। স্টেরয়েডের কথাও কেউ কেউ বলেন। তবে খুব একটা লাভ হয়না। বর্তমানে জীন থেরাপী দেয়া হচ্ছে। যদিও আমাদের দেশে এসব সুবিধা বর্তমানে নেই।

-ডা. মোঃ ফজলুল কবীর পাভেল



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।