Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

কোটালীপাড়ায় রাজনৈতিক কার্যালয়ের নামে জায়গা দখল, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৯ এপ্রিল, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গোপালগঞ্জের পকাটালীপাড়ায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়ের নামে সাইনবোর্ড লাগিয়ে সরকারি জায়গা দখল করায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ৫নং রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের মনোহর মার্কেটে। সরেজমিনে গেলে স্থানীয় পমম্বর হরষিত বাড়ৈ, নিরাঞ্জন মধু, দিলীপ পান্ডে, সুনীল বিশ্বাস, গোপাল মন্ডল বলেন- বিগত ৩৫ বছর আগে মনোহর মধু এইখানে খেয়া পনৗকা দিয়ে পথচারিদের পারাপার করে একটি মুদি দোকান ঘর নির্মান করে জীবিকা নির্বাহ করত। তখন থেকে তার নামের উপর মনোহর মার্কেট নামকরন করে স্থানীয় লোকজন তাদের জায়গায় দোকান ঘর তুলে ব্যবসা করে আসছে। এমতাবস্থায় সরকার রাস্তার দুই পাশ বাড়ানোর লক্ষ্যে তাদের জমি অধিগ্রহন করে সাম্প্রতি একটি ব্রীজ নির্মান করে। ব্রীজ নির্মানের সময় দক্ষিনপাশে বাবু বিশ্বাস ওরফে ডেভিট ও উত্তরপাশে নিরাঞ্জন মধু সহ ৫টি দোকান ভেঙ্গে জায়গা খালি করা হয়। ব্রীজ নির্মান শেষে দক্ষিন পাশে ফাকা জায়গায় মনোহর মার্কেটে অবস্থিত মসজিদ ও শ্রী শ্রী শান্তি হরি গণেশ পাগল সেবাশ্রমে আগত ব্যক্তিদের জন্য সম্মিলিত ভাবে জনস্বার্থে ঘাটলা নির্মানের জন্য নির্ধারিত স্থান ঠিক করে সাইনবোর্ড লাগানো হয়, এরপর গত শনিবার দিঘলীয়া গ্রামের নব্য আওয়ামী ও যুবলীগের শেখ মোঃ মিজানুর রহমান, শওকত শেখ, আজিজুল শেখ সহ কয়েক জনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যালয় অফিস রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন শাখা নির্ধারিত স্থান নামে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে অবৈধ ভাবে জায়গা দখল করে ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এই সাইনবোর্ড অপসারন করে ঘাটলা নির্মানের জোড় দাবি জানান, অন্যথায় তারা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচী দেয়ার কথা বলেন, তারা আরো প্রশ্ন রেখে বলেন- মিজানুর রহমান তালিকা ভুক্ত রাজাকার পমাহন মিয়ার ছেলে ও ফাসির দন্ড কার্যকর হওয়া জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানের ভাগনী জামাই সে কি করে যুবলীগ হলো ? এ ব্যাপারে রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি সর্বানন্দ বৈদ্য ও সাধারন সম্পাদক ফরিদ আহম্মেদ সিকদার বলেন- সাইনবোর্ড লাগানোর ব্যাপারে কিছুই জানিনা উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের জন্য ডগলাস এলাকায় জায়গা নির্ধারন করা আছে।
সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোঃ কামাল হোসেন শেখ বলেন- শুনেছি পোলাপানে নাকি মনোহর মার্কেটে একটি জায়গা রেখেছে। এ ব্যাপারে শেখ মিজানুর রহমান বলেন- ওখানে আগে আমার সাইনবোর্ড ছিল। পরে আমি লোকজন নিয়ে মিলাদ মাহফিল করে উদ্বোধন করি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রাজনৈতিক

১৯ এপ্রিল, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ