Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪ আশ্বিন ১৪২৭, ০১ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

খোশ আমদেদ মাহে রমজান

পবিত্র মাসে পাল্টে যাবে কর্মজীবী মানুষের জাপিত জীবনধারা

| প্রকাশের সময় : ১৮ মে, ২০১৮, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্বের মুসলমানদের জন্য সাপ্তাহের অন্য ৬ দিনের চেয়ে জুম্মাবারের মর্যাদা অন্যরকম। সেই জুম্মাবারেই শুরু হলো দেশে পবিত্র মাহে রমজান মাসের প্রথম রোজা। রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের সওগাত নিয়ে সারাবিশ্বের মুসলমানের দ্বারে বছর ঘুরে এলো এই মাহে রমজান। সাম্য, সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, ত্যাগ, সংযম ও আত্মশুদ্ধির মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে গেছে মাসের ক্ষণ গণনা। স্বাগত হে মাহে রমজান। শাবান মাস বিদায়ে পশ্চিম আকাশে এক ফালি নতুন চাঁদ নতুন সওগাত নিয়ে রমজান মুসলিম ধনী-গরিব, ছোট-বড় সবার ঘরে ঘরে উপস্থিত। এ মাসের গুরুত্ব সম্পর্কে হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘এ মাসে বেহেশতের দরজাগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো তালাবদ্ধ থাকে আর শয়তানকে (তার সহচরদেরসহ) শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়। (বুখারি ও মুসলিম)। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আরবী মাস শুরু হওয়ায় সউদী আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে একদিন আগেই রমজান শুরু হয়ে গেছে।
মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব।
আর মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে আল্লাহর ইবাদত বন্দেগীর জন্যই। আল্লাহ’র এই দুনিয়ায় মুমিনদের জন্য মহান আল্লাহর সন্তুুষ্টি অর্জনে রমজান মাস খুবই তৎপর্যপূর্ণ। এই মাসের প্রতিটি ক্ষণ, প্রতিটি দিবস, প্রতিটি রজনী আমল করা যায়। তাই মাসটি মুসলমানদের জন্য অন্য মাসগুলোর চেয়ে অনেক বেশি নেয়ামতের। এ মাসেই মহান আল্লাহ মহাগ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন নাজিল করেছেন; ইসলামের ৫ স্তম্ভের অন্যতম সিয়াম সাধনা তথা রোজা মুমিন-মুসলমানের জন্য ফরজ করেছেন। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ নিজেই ঘোষণা করেছেন, ‘রমজান মাস, এতে মানুষের পথপ্রদর্শক ও সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন এবং ন্যায় ও অন্যায়ের মীমাংসারূপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। অতএব, তোমাদের মধ্যে যে এ মাস পাবে সে যেন এ মাসে অবশ্যই রোজা রাখে’ (সূরা বাকারা, আয়াত ১৮৩)। রমজান মাস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা পৃথক পৃথক বাণী দিয়ে দিয়েছেন। তারা দেশের সকল নাগরিককে সোহার্দ্য ও সম্পৃতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।
এই রমজান মাসে মাসব্যাপী রোজা রেখে আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে পৃথিবীর মুমিন মুসলমানরা ‘ঈমানী চেতনা জাগ্রত’ করে নেবেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু দেশে গতকাল রাতে তারাবি’র নামাজ ও সাহরি খাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে মাহে রমজানের রোজা পালনের আনুষ্ঠানিকতা। মসজিদে মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসলমান এশার নামাজের পর তারাবির নামাজ আদায় করেন। তারাবির নামাজ পড়তে রাজধানী ঢাকা, বিভাগীয় শহর, জেলা শহর এবং সারাদেশে মসজিদে মসজিদে নামে মুসল্লিদের ঢল। পুরুষ তরুণ, যুবকরা যেমন রাতে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করেন; তেমনি মহিলারাও ঘরে ঘরে তারাবি’র নামাজ পড়েন। ইতিমধ্যে রমজান উপলক্ষ্যে সরকারি অফিস আদালতের সময়সুচি পরিবর্তন করা হয়েছে। মানুষের জীবন সুচি ও খাদ্যাভাসের মেনুতে এসেছে পরিবর্তন। পবিত্র রমজান মাসে পাল্টে যাবে কর্মজীবী কোটি কোটি মানুষের জাপিত জীবনধারা।
বাংলাদেশের মানুষের কাছে রমজান মাসে সিয়াম সাধনা ‘রোজা’ নামে সর্বাধিক পরিচিত। রোজা হলো ফার্সি শব্দ। রোজাকে আরবি ভাষায় সাওম বা সিয়াম বলা হয়ে থাকে। সাওম অর্থ বিরত থাকা। শরীয়তের পরিভাষায় মোমিন মুসলমানদের ফরজ রোজা রাখার নিয়তে সুব্হে সাদিক থেকে সূর্যান্ত পর্যন্ত কোন কিছু পানাহার না করাই হলো ‘রোজা’। মহান আল্লাহ তাঁর মুমিন বান্দাদের তাঁর কাছে টেনে নেয়ার জন্য পবিত্র রমজান মাসের রোজাকে তিন ভাগে বিভক্ত করে দিয়েছেন। প্রথম ১০দিন রহমত; দ্বিতীয় ১০দিন মাগফিরাত এবং তৃতীয় ১০দিন নাজাত। মাহে রমজানের রোজা মুমিন বান্দাদের সৃষ্টিকর্তার কাছাকাছি নিয়ে যায় এবং তাদের আত্মাকে নব শক্তিতে আরো বলিয়ান করে। ইসলামের প্রথম স্তম্ভ নামাজ যেমন মুমিন মুসলমানদের শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতার শিক্ষা দেয়; তেমনি রোজা শিক্ষা দেয় তাক্ওয়া, সহিঞ্চুতা ও সংযমের। আল্লাহ সমস্ত মানবজাতির উদ্দেশ্যে পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেন যে, ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের জন্য সিয়ামের বিধান দেয়া হলো; যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীগণকে দেয়া হয়েছিল; যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পারো’ (সূরা আল বাকারা)।
রমজান মাস উপলক্ষ্যে দেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনধারা এবং অফিস-আদালতের সময়সূচিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সরকারি অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠান মধ্যাহ্ন বিরতি ছাড়াই সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। মাঝখানে নামাজের জন্য দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত নামাজের জন্য বিরতি থাকবে। রমজান উপলক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে বটেই; আফ্রিকা ও পশ্চিমা অনেক দেশে পণ্যেমূল্য কমানো হয় রোজাদারদের প্রতি সম্মান জানিয়ে। দুঃখজনক হলো আমাদের দেশের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রমজান উপলক্ষ্যে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি করে দিয়েছেন। তবে সরকারের পক্ষ্য থেকে নি¤œ আয়ের ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য কমমূল্যে কিছু পণ্য বিক্রীর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট মোঃ আবদুল হামিদ রমজানের পবিত্রতা ও তাৎপর্য অনুধাবন করে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের সঠিক প্রতিফলন ঘটানোর এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবদান রাখার আহবান জানিয়েছেন। মাহে রমজান উপলক্ষে দেশবাসীসহ মুসলিম উন্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে বাণীতে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ বলেন, ‘রমজানের পবিত্রতা সকলের মাঝে উদ্ভাসিত হোক- এ কামনা করি। রমজানের সংযম ও আত্মশুদ্ধির মহান শিক্ষা সমাজের সকল স্তরে ও সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক- এই প্রার্থনা করি। পরম করুণাময় মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।’ তিনি বলেন, সংযম ও সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান আমাদের মাঝে সমাগত। সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ক্ষমা লাভের মাস মাহে রমজান। অশেষ রহমত, বরকত, মাগফেরাত ও নাজাতের এ মাস মহান আল্লাহর নৈকট্য, শান্তি এবং তাকওয়া অর্জনের অপূর্ব সুযোগ এনে দেয়। যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ রমজান মাসটি পালন করে থাকে। ক্ষমা ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের মানসে মুসল্লিরা ফরজ ইবাদতের পাশাপাশি সাহারি, ইফতার, তারাবিসহ রাত জেগে নফল ইবাদতে মশগুল থাকেন। আত্মশুদ্ধির পাশাপাশি সিয়াম ধনী-গরিব সকলের মাঝে পারস্পরিক সহমর্মিতা, স¤প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করে। অপর এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবতীয় ভোগবিলাস, হিংসা-বিদ্বেষ, উচ্ছৃঙ্খলতা, সংঘাত পরিহার করে ব্যক্তিগত ও সমাজ জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার আহŸান জানিয়েছেন। পবিত্র রমজান উপলক্ষে দেয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়ে বলেন, রমজান আত্মসংযম, অনুকম্পা ও ক্ষমা লাভের মাস। এ মাসে ত্যাগ স্বীকারের শিক্ষার মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ হয়। মহান আল্লাহ জাতীয় জীবনে পবিত্র রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন এমন আশা প্রকাশ করে বাণীতে তিনি বলেন, আসুন, আমরা সকল প্রকার অকল্যাণ বর্জন করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পরস্পরকে সহযোগিতা করি। জীবনের সর্বস্তরে ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করি।
ইসলামের সংস্কৃতি-সৌন্দর্যের আবহে চট্টগ্রামে মাহে রমজান
চট্টগ্রাম থেকে রফিকুল ইসলাম সেলিম জানান, পবিত্র মাহে রমজানের চাঁদ দেখার সাথে সাথে পাল্টে গেছে বার আউলিয়ার পুণ্যভূমি চট্টগ্রামের দৃশ্যপট। সর্বত্রই ভাবগম্ভীর ইসলামী সংস্কৃতি-সৌন্দর্যের অনুপম আবহ। মসজিদে মসজিদে উপচেপড়া মুসল্লির ভিড়। বাসাবাড়িতে সেহেরী ইফতারির নানা আয়োজন। মাগরিবের আজানের আগেই বদলে যায় বন্দরনগরীর চিরচেনা সেই রূপ। দোকান-পাট বন্ধ হয়ে যায়, সড়কে কমে যায় যানবাহন চলাচল। নগরবাসী ছুটতে থাকে বাসাবাড়িতে। এশার আজান দিতেই দলে দলে সবাই ছুটেন মসজিদে। মসজিদগুলোতে তারাবির নামাজ আদায়ে নেয়া হয় ব্যাপক প্রস্তুতি। বড় বড় মসজিদে মুসল্লিদের ঢল নামে। অতিরিক্ত মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করতে মসজিদের ছাদে, বারান্দা, কোথাও আবার পাশের খোলা ময়দানেও প্যান্ডেল টাঙ্গানো হয়।
ইসলামের প্রবেশদ্বার খ্যাত চট্টগ্রামের মানুষ ধর্মপ্রাণ। মাহে রমজান থেকে শুরু করে প্রতিটি ধর্মীয় উৎসব এখানে পালিত হয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে। এর মধ্যদিয়ে মানুষের জীবনযাত্রা এবং আচার-আচরণে ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্যই প্রতিফলিত হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। শবে বরাতের পর থেকেই মসজিদে মুসল্লির উপস্থিতি বাড়তে থাকে। আর মাহে রমজানে মসজিদগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই থাকে না। অফিস-আদালতেও জামায়াতে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। মাহে রমজানকে ঘিরে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ধনাঢ্য ব্যক্তিবর্গ হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার ও সেহেরী সামগ্রী বিতরণ করেছেন। অনেকে এ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ করেছেন। মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা থেকে শুরু করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দান, খয়রাত করছেন ধনাঢ্যরা। এটি ঈদের আগ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। চাটগাঁর ঐতিহ্য অনুযায়ী অনেকের বাসাবাড়ি এবং মসজিদ ও খানকায় মুসল্লিদের জন্য ইফতারির আয়োজন করা হয়েছে। নগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ, জমিয়তুল ফালাহ, এনায়েত বাজার শাহী জামে মসজিদসহ অধিকাংশ মসজিদে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ইফতারির আয়োজন করা হয়েছে।
স্কুল বন্ধ, এ সুযোগে বাসাবাড়িতে শিশুদের কোরআন-হাদীস শিক্ষার ব্যবস্থা নিয়েছেন অভিভাবকেরা। নিয়োগ দেয়া হয়েছে ধর্মীয় শিক্ষক। রমজান মাসে তারা শিশুদের কোরআন শিক্ষা দেবেন। মহানগরীর বিভিন্ন মসজিদেও সহীহ কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এ রমজানেও বাসাবাড়িতে খতমে কোরআনের আয়োজন চলছে। নগরীর অভিজাত হোটেল-রেস্তোঁরা থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকানগুলোতেও হরেক ইফতারির পসরা সাজানোর প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আজ প্রথম রমজান থেকে শুরু হবে জমজমাট ইফতারির বাজার। হোটেল-রেস্টুরেন্টে ইফতার মাহফিলের আয়োজন রয়েছে। রোজার প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে ইফতার মাহফিল। ইতোমধ্যে নগরীর সব কনভেনশন হল, কমিউনিটি সেন্টার আগাম বুকিং দেয়া শেষ হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন প্রতিবারের মতো ইফতার মাহফিলের আয়োজন করছে। পুরো রমজান মাসজুড়ে অব্যাহত থাকবে এ মাহফিল। ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। নির্বাচনের বছর হওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্যোগেও এবার ব্যাপকহারে ইফতার মাহফিলের আয়োজনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস মাহে রমজান জুড়েই ইসলামী সংস্কৃতির চর্চা হবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে।



 

Show all comments
  • মোজাম্মেল হক ১৮ মে, ২০১৮, ৩:০৪ এএম says : 0
    আল্লাহ এই মাসে আমাদেরকে বেশি বেশি ইবাদত করা তৌফিক দান করুক।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রমজান
আরও পড়ুন