Inqilab Logo

ঢাকা শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

জাপানি নারীর লাশ হত্যার ৫ মাস পর দূতাবাসের কাছে হস্তান্তর

প্রকাশের সময় : ৯ এপ্রিল, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : হত্যার পাঁচ মাস পর জাপানি নারী হিরোয়ি মিয়াতার (৬১) লাশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে জাপানি দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি সুধি ওনু ও সেকেন্ড সেক্রেটারি কসু মাতসোনাগার কাছে তার লাশ হস্তান্তর করা হয়।
উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান বলেন, দূতাবাসের কর্মকর্তারা লাশ কোথায় নেবেন, তা পুলিশকে জানাননি।
প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় ছিলেন হিরোয়ি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরে সিটি হোমস নামে একটি আবাসিক হোটেলে থাকতেন। ঢাকার কয়েক ব্যক্তির সঙ্গে ব্যবসায়িক কর্মকা-ে যুক্ত ছিলেন তিনি। এ ছাড়া জাপান সরকারের পেনশনও পেতেন। গত বছরের ১৯ নভেম্বর জাপান দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানায় হিরোয়ি মিয়াতা নিখোঁজ রয়েছেন বলে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এই জিডির তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে ২৯ অক্টোবর মিয়াতার মৃত্যুর পর তার পরিচয় ও নাগরিকত্ব গোপন করে হালিমা খাতুন নামে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কবরস্থানে দাফন করা  হয়। পরে পুলিশ সন্দেজনক কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আর তখনই উদঘাটন হয় তথ্য। পুলিশ সিটি কর্পোরেশনের ওই কবরস্থান থেকে লাশ উদ্ধার করে লাশের ময়না তদন্ত করে। পুলিশ এ ঘটনায় মারুফুল ইসলাম (৩০), রাশেদুল হক ওরফে বাপ্পী (৪২), ফখরুল ইসলাম (২৭), বিমলচন্দ্র শীল (৪০) ও মো. জাহাঙ্গীর (২৮) গ্রেফতার করে।  এদের মধ্যে বিমলচন্দ্র শীল পেশায় চিকিৎসক। পুলিশ বলেছে, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী। জাপানের নাগরিক মিয়াতার মাধ্যমে তারা জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্যবসা করতেন।
তারা মিয়াতাকে সিটি হোমস হোটেলে রাখতেন। রাশেদুল সুকৌশলে মিয়াতাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। এরপর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ফখরুলের বাসায় আটকে রাখেন। তারা মিয়াতাকে আটকে রেখে জাপানে তার স্বজনদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করেন। কিন্তু ২৯ অক্টোবর ভোররাত চারটার দিকে তারা সুকৌশলে মিয়াতাকে হত্যা করেন।





 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জাপানি নারীর লাশ হত্যার ৫ মাস পর দূতাবাসের কাছে হস্তান্তর
আরও পড়ুন