Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

ইফতারী হোক স্বাস্থ্য সম্মত

| প্রকাশের সময় : ১ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

সারাদিন রোজা রাখার পর ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায় ইফতারীকে কেন্দ্র করে। প্রত্যেকটি পরিবারে দেখা যায় পরিবারের সব সদস্য একসাথে বসে ইফতারী করছেন যা অন্য সময় মেলানো ভার, কারন খাবার টেবিলে একসাথে বসা কঠিন হয়ে পড়ে। মহান আল্লাহতায়ালা সবচেয়ে বেশী খুশি হন যখন রোজদার ব্যক্তিরা ইফতারীর সামনে থাকা স্বত্তে¡ও আল্লাহর হুকুমের জন্য অপেক্ষা করেন এই সময়টি। তাই ইফতারের গুরুত্ব অনেক বেশী যেমন ধর্মীয় দিকে তেমনী শারিরিক দিকেও। কারন সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার হওয়া উচিত এমন যা সহজে হজম হয় ও শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী। যেমন-
১। সারাদিন পানাহার না করার কারণে শরীরে এক ধরনের পানি শূন্যতা দেখা যায়, যার প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশুদ্দ পানি, শরবত, জুস ইত্যাদি। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোন প্রকার ক্ষতিকর কেমিক্যাল না মিশানো হয়।
২। ইফতারী তৈরির ক্ষেত্রে ভোজ্য তেল ব্যবহারে হিসাব ও বিচক্ষণতার সাথে দিতে হবে যাতে শরীরে কোন ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে।
৩। বাইরের দোকানে বা খোলা জায়গায় তৈরি অস্বাস্থ্যকর খাদ্য দিয়ে ইফতার করবেন না।
৪। সব সময় চেষ্টা করবেন নিজের বাসায় তৈরি খাবার দিয়ে ইফতার করার। সম্ভব না হলে, ভাল পরিবেশে তৈরিকৃত ইফতার কিনবেন।
৫। অধিক মসালাযুক্ত ভারী খাবার দিয়ে ইফতার না করাটা ভাল। যতটা সম্ভব হালকা ও সহজ হজমযোগ্য খাবার দিয়ে ইফতার করবেন।
৬। ইফতারে ফলমূলের প্রাধান্য বেশী দিবেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে কেমিক্যাল বা ফরমালিন মুক্ত হয়।
৭। কখনোই সারাদিন পানাহার না করার পর পেট ভর্তি করে ইফতার করা উচিত নয়।

-ডাঃ এম. ইয়াছিন আলী
বাত, ব্যাথা, প্যারালাইসিস ও ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ
চেয়ারম্যান ও চীফ কনসালটেন্ট
ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল
বাড়ী-১২/১, রোড-৪/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা
মোবাঃ ০১৭৮৭১০৬৭০২



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ