Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ০৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

ফ্রান্সে ইসলাম চর্চা

মা হ মু দ শা হ কো রে শী | প্রকাশের সময় : ৪ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক বহুদিক থেকে ফ্রান্স ইউরোপের মধ্যমণি। ক্যাথলিক মতবাদ ইতালী, স্পেন প্রভৃতি দেশে কট্টর প্রাধান্য বিস্তার করলেও কেবল ফ্রান্সেই দেখা যায় তার সুষম রুপ। বর্তমানে ফ্রান্সে প্রোটেস্টান্ট, গ্রীক অর্থডক্স, ইহুদীবাদসহ বহু ধর্মীয় মতবাদের সমাবেশ থাকলেও ক্যাথলিকদের পর সংখ্যাধিক্য রয়েছে ইসলাম পন্থিদের। এর সঙ্গে নাপোলেওর কায়রো অভিযানের একটি দূরান্বয়ী সম্পর্ক হয়তো রয়েছে তবে দুই বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালে মুসলমান অধ্যুষিত দেশসমূহ হতে সৈনিক ও শ্রমিক আমদানিই এই সংখ্যাধিক্যের মূল কারণ। বর্তমানে মুসলমানরা দ্বিতীয় ধর্মীয় সম্প্রদায়রূপে গড়ে তুলছে বহু মসজিদ ও ধর্মীয় শিক্ষালয়। অবশ্য এর অর্থে এই নয় যে, ফ্রান্সে মুসলমানদের প্রভূত সাংস্কৃতিক প্রভাব রয়েছে। সম্ভবত লন্ডনে ক্যাম্ব্রিজে সে প্রভাবে কিছু বেশী। তবে দীর্ঘকাল ধরে ফ্রান্সে চলে আসছে ইসলাম চর্চা। ইসলাম তত্ত¡ ‘(ইসলামোলজি); মুসলিম রাষ্ট্র, জনগোষ্টি ও সংস্কৃতিক বিষয়ক অধ্যয়ন (এত্যুদ্ ইসলামিক/মুজুলমান) ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে গভীর নিষ্টার সঙ্গে সরবন ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে বর্তমান মুহূর্তে গভীর গবেষণার অবকাশ না থাকলেও ইসলাম সম্পর্কিত কিছু গ্রন্থ ও গ্রন্থকার সম্পর্কে অল্পবিস্তর তথ্য পরিবেশিত হল্ োআশা করা যায়, অদূর ভবিষ্যতে আগ্রহী উপযুক্ত ফরাশিনবীন গবেষণাকর্মী আমাদের অধিকতর তথ্য ও তত্ত¡সমৃদ্ধ প্রবন্ধ ও গ্রহন্থ উপহার দেবেন।
সম্ভবত বিংশ শতাব্দীর সেবা ফরাশি ইসলাম তত্ত¡বিদ হলেন লুই মাসিইনো। তিনি পঞ্চাশের দশকে অল পাকিস্তান হিস্টরী কনফারেন্স’-এ যোগদানের জন্য ঢাকায় এসেছিলেন বলে আমাদের ধারণা। মুসলিম মরমীবাদ সম্পর্কে তিনি বিশ্বনন্দিত বিশেষজ্ঞ। তার যে গ্রন্থের উল্লেখ সর্বত্র তার বাংলা শিরোনাম হলে ‘মুসলিম মরমীবাদের বিশেষায়িত শব্দ ভান্ডাদের উৎস সম্পর্কে প্রবন্ধ’। গ্রন্থটি প্রথম ছাপাখানায় যায় ১৯১৪ সালে। জর্মান সৈন্যরা প্রেসে আগুন ধরিয়ে দিলে পান্ডুলিপির কিংদংশ পুড়ে যায়। সাত বৎসরের অক্লান্ত পরিশ্রমে লেখক তা পুনলিখনে সফল হন। ১৯২২ সালে এটি প্রকাশিত হরে গ্রন্থকারের খ্যতি ছড়িয়ে পড়ে। কায়রোর পন্ডিতেরাও তাকে ‘শেখ’ উপধিতে ভূষিত করেন। পরিমার্জিত পরিবর্ধিত গ্রন্থটি ১৯৫৪ সালে পুন:প্রকাশিত হয়। রয়াল সাইজে ৪৫৬ পৃষ্টার বই, অতিরিক্ত ৭টি পূর্ণ পৃষ্টার ছবি। মনসুর হাল্লাজের মতবাদের উৎস সাংকেতিক শব্দবলীর বৈশিষ্ট্য, কুরআন, গ্রীক, হিব্রু-খ্রিস্টান, হিন্দু বহুত্ববাদের আন্তসম্পর্ক গ্রন্থটির প্রথম দুই অধ্যয়ের বিসয়বস্তু। তৃতীয় অধ্যায়ের ইসলামে মরমীবাদের স্থান নিয়ে গভীর তত্ত¡পূর্ণ আলোচনা। চতুর্থ অধ্যাযে মরমীবাদের ধারাবহিকতা প্রসঙ্গে ছ’টি উপ-অধ্যায়ে রয়েছে বিস্তৃত আলোচনা : ১ কুরআনে সূত্র ২. প্রথম দুই শতাব্দীর মরমীবৃন্দ, ৩. হাসান বসরী, ৪. ইমাম জাফর-এর নামে প্রচলিত তফসির ৫. বসরা ‘স্কুলের’ শেষ মরমীবৃন্দ ৬. বাগদাদ স্কুলের প্রতিষ্ঠা।
পঞ্চম অধ্যায়ে সন্নিবেশিত হয়েছে হিজরী তৃতীয় শতাব্দীর ‘স্কুল’ সমূহ সম্পর্কে বিস্তৃত বর্ণনা ও বিশ্লেষণ : ১. মোহাসিবি কর্তৃক প্রাচীন ঐহিত্যের অনুসরণ : ২. ইবনে জারামের খোরাসানীয় ‘স্কুল’ ৩. দুই প্রান্তিক: বিস্তামী ও তিরমিজি; ৪. সাহ্ল তোস্তারির সালিমিয়া স্কুল; ৫. খারবাাজ ও জোনায়েদ; ৬. হাল্লাজীয় সংশ্লেষণ ও পরবর্তী ব্যাখ্যা। সংযোজন ও নির্ঘন্টসহ রয়েছে মনসুর হাল্লাজের মূল রচনা। লুই মালিইঁনোঁ একবার বলেছিলেন : “ইসলাম এবং ফ্র্সা পরস্পর পরস্পরের প্রতি (সখ্যতায়) অংঘীকারাব্ধ।” তাই তার শিষ্য-প্রশিষ্য অনেকেই বহু বিখ্যাত গবেষণা কর্ম রেখে গেছেন। প্রথমে লুই গার্দের দুটি গ্রন্থের কথা বলি; একটি হলো : ইবনে সিনার ধর্মচিন্ত (১৯৫১), অন্যটি (এম.এম আনাওয়াতি-র সঙ্গে) মুসলিম ধর্মতত্তে¡র ভূমিকা’ (১৯৪৮), দই বইই পন্ডিত মহলে উচ্চ প্রশংসিত।
বিষয়বস্তুর দিক থেকে মিল অথব দৃষ্টিভঙ্গী ও তথ্য পরিবেশনের দিকে থেকে বিন্নতর বই হলো অঁরি তরব্যাঁ-র: ইসলামিক দর্শনের ইতিহাস, ১ শুরু থেকে ইবনে রুশদের ইন্তেকাল (১১৯৮) অবধি’। সৈয়দ হোসায়েন নাসর ও ওসমান ইয়াহিয়া-র সহযোগে গ্রন্থটি রচিত। প্যারিসের বিখ্যাত প্রকাশত গালিমার ১৯৬৪ সালে সরাসরি পকেট বুক সংস্কুরণে (কলেকসিয়োঁ ইদে, ৩৮৪পৃ) এটি বেরোয়া। আটটি অধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দিচ্ছি। প্রথমত : দর্শনচিন্তার উৎস: কোরআন ও অনুবাদের ওপর ২টি উপ-অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে সুন্নী কালাম। ৩টি উপ-অধ্যয়ে রয়েছে ১. মুতাজিলা ২. আবুল হাসান আল-আমিরি, ইবনে সিনা, ইবনে মুসকুইয়ে, ইবনে ফাতিক ইবনে-হিন্দ, আবুল বারাজত আল বাগদাদী, ইবনে হামিদ গাজ্জালীর দর্শন স ম্পকির্ত চিন্তা-ভাবনা ও সমালোচনার ওপর। ষষ্ঠ অধ্যায় শুধুমাত্র সুফী মতবাদের ওপর। প্রাসঙ্গিক মন্তব্যের পর আবু ইয়াজিদ বোস্তামী, জোনায়েদ, হাকিম তিরমিজি, হাল্লাজ ও আহমদ গাজ্জালী (এবং ‘পবিত্র প্রেম’) সম্পর্কিত নাতিদীর্ঘ আলোচনা। সপ্তম অধ্যায়ে আমরা পাই সোহ্রাওয়ার্দী এবং ‘আলোকের দর্শন’ বিষয়ে বক্তব্য। অষ্টম অধ্যায়ে নিবেদিত হয়েছে আন্দালুসিয়ার দার্শনিকদের নিয়ে। ইবনে মাসারা, ইবনে হাজম, ইবনে বাজ্জা, ইবনে আল-সিদ, ইবনে তোফায়েল এবং ইবনে রুশদ প্রসঙ্গ সুন্দরভাবে ব্যাখাত হয়েছে। ক্রান্তিকালের বিশ্লেষণ আছে এবং ইসলামিক দর্শন সে দর্শনের সাধারণ ইতিহাস থেকে বাদ ছিরো সেজন্য ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।
ইসলাম সম্পর্কে প্রাথমিক পরিচিতিমূলক একটি গ্রন্থও আমাদের বিবেচনায় আসতে পারে। গ্রন্থটি একজন বিশেষজ্ঞ কর্তৃক রতি এবং ইউনিভার্সিটি প্রেসেস অব ফ্রান্স কর্তৃক একটি বিশেষ সিরিজে (‘কসেজ্” আমি কী জানি?) প্রকাশিত। গ্রন্থকার দামিনিক সুরদেল একজন ডি. লিট এবং দামেশকস্থ ফ্রেঞ্চ ইনস্টিটিউটের ফেলো। মধ্যপ্রাচ্যের ধুসর অতীত নিয়ে তার কয়েকটি গ্রন্থ রয়েছে, যথা ‘আব্বাসী উজিরাদ: ৭৪৯ থেকে ৯৩৬ (দামেশক, ১৯৫৯-৬০) যাহোক, তার ইসলাম বইটি ক্ষুদ্রকায় (১২৮ পৃ.) হলেও তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথম অধ্যয়ে মুহাম্মদ (সা:)-এর কুরআন ও দ্বিতীয় ‘উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বেও ইতিহাস’ বিবৃত হয়েছে। তৃতীয় অধ্যায় ইসলামিক আইন প্রসঙ্গে। চতুর্থ অধ্যায়ে উল্লিখিত হয়েছে উপদলগত আন্দোলন তথা কোন্দল : ১. খারিজি মতবাদ ২. ডশয়া মতবাদ। পঞ্চম অধ্যয়ে সুফীবাদ এবং দর্শন সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে। ষষ্ঠ অধ্যায়টি বুদ্ধিবৃত্তিক ও শৈল্পিক কর্মকান্ড প্রসঙ্গে। এতে বিজ্ঞান, সাহিত্য ও বিবিধ শিল্প প্রসঙ্গে মনোজ্ঞ উপস্থাপনা রয়েছে। সপ্তম অধ্যায়টির শিরোনাম “আধুনিক ইসলাম”। তিনটি উপ-অধ্যায়ে : ১ আধুনিককালে মুসলিম বিশ্বের ইতিহাস; ২ মুসলিম বিশ্বর যথার্থ অবস্থান, ৩ ইসলামের বাস্তব অবস্থা। গ্রন্থকার ১৯৫৯ সাল অবধি (গ্রন্থটির প্রকাশকাল) ইসলাম অুসারীদের সে সময়ে ৩৬৫ মিলিয়ন, সমগ্র বিশ্বের জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশের বেশি) অগ্রগতি বিশ্বাবাপী কী কী সূত্রে সৃজিত হচ্ছে তার বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছন। তাছাড়া ড. সুরদেল লক্ষ করেছেন যে বহু সত্তে¡ও মুসলমানরা তাদের প্রাথমিক উৎস কুরআনে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন যা তাদের শক্তির মূল কারণ এবং সেখানেই তারা আধুনিকতার স্বপক্ষে যক্তি খুজে পান।
এখানে একজন বিখ্যাত আরবী বিশেষজ্ঞের নাম উল্লেখ করা যেতে পারে যিনি, শার্ল পেলা, সরবনের অধ্যাপক, ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক স্টাডিজের পরিচালক এবং বর্তমান প্রবন্ধকারের গবেষণা কর্মের (১৯৫৯-৬৫) অন্যতম তত্তাবধায়ক ছিলেন। অল-পাকিস্তান হিস্টরী কনফারেন্স উপলক্ষে পেলাম পঞ্চাশের দশকে দুবার ঢাকা ও রাজশাহী এসেছেন। তিনি ছিলেন হল্যান্ড থেকে প্রকাশিত এনসাইক্লোপেডিয়া অব ইসলামের অন্যতম সম্পাদক। কয়েকে বছর আগে পরলোগত পোলার দুটি গ্রন্থ খুবই বিখ্যাত: ‘আরবী ভাষা ও সাহিত্য (১৯৫২) এবং ‘বসবীয় মিলিউ (পরিবেশ) এবং গাহিজের প্রস্তুতি পর্ব’ (১৯৫৩)।
সবশেষে যে গ্রন্থটির পরিচয় দেবার প্রয়াস পাবো, তা হলো এমিল দেরমগেম রচিত ‘মুহাম্মদ (দ:) ও ইসলামী ঐতিহ্য’। এটি একটি বহু চিত্র ও উপাদান সমৃদ্ধ সুশোবন গ্রন্থ। এমলি এর আগে ‘মুহাম্মদ (সা:)-এর জবিনী’ প্রকাশ করেছিলেন (১৯২৯-১৯৫০) তাছাড়া লিখছেন ‘মুসলিম সন্তদের জীবনী’ (১৯৪২), ‘সবচেয়ে সুন্দর আরবী রচনা’ (১৯৫১) এবং মাগরেবী ইসলামে সন্ত ঘরানা’ (১৯৫৪) বর্তমান গ্রন্থে অধ্যায় বিভাজন ভিন্ন ধরনের। তিনভাগে বিভক্ত বইটির প্রথম ভাগ মুহাম্মদ (সা:)-এর ওপর : উৎস, ষষ্ঠ শতাব্দীতে মক্কা ও আরবদেশে, ইহুদী ও খ্রিস্টানরা, মুহাম্মদ (সা:)-এর যৌবন, নবীর মিশন, নিপীড়ন, কুরআন, শোকের বছর, হিজরত, ধর্মযুদ্ধ, হরেম, মক্কা দখল বিজয় এবং ইন্তেকাল।
দ্বিতীয় ভাগে ‘ইসলামিক ঐতিহ্য’ যার অনুষঙ্গ হরো গৃহযুদ্ধ ও রাজ্যাধিকার, মঞ্চ, কাঠামো, আচরণ বিধি তরিকাসমূহ, স্কুল, ভাবনা চিন্তা..., রনেসঁস-মানবতাবাদ ও “উন্মুক্ত” ধর্ম। তৃতীয় ভাগে রয়েছে বিভিন্ন পাঠ্য গ্রন্থ ও অন্যান্য মূল্যবান রচনাংশ কুরইন, হাদীস, আইন, আধ্যত্মিক জবিন, প্রবচন, উপদেশাত্মক গল্প কবিতা। এছাড়া রয়েছে কালপঞ্জী, গ্রন্থপঞ্জী, চিত্রপঞ্জী।
রসুলে খোদা (সা:) কে কেন্দ্রে রেখে লেখা এই গ্রন্থের সাথে আরো বহু বইযের কথা বলা যেত। এখানে শুধু একটির নাম উল্লেখ করতে চাই। বইটি হলো রেজি বøাশের রচিত ‘মুহাম্মদ (সা:) বিষয়ক জটিলতা’ (১৯৫৩)।
প্রবন্ধে উল্লেখিত ফরাশি শব্দ ও নাম
ISLAMOLOGIE
ETUDES ISLAMIQUE/ MUSULMANE
SORBONNE (LA): UNIVERSITE DE PARIS
ROGER GARAUDI
MICHEL CHODKIWICZ
EVA DE VITRAY-MAYEROVITCH
LOUIS MASSIGNON: ESSAI SUR LESORIGINES DE LEXIQUE TECHNIQUE DE LA MYSTIQUE MUSULMANE.
LOUIS GARDET:
LA PENSEE RELIGIEUSE D AVICENNE;
LOUIS GARDET & M.M ANAWATI;
INTRODUCTION A LA THEOLOGIE MUSULMANE
HENRI CORBIN: HISTOIRE DE LA PHILOSOPHIE ISLAMIQUE : DES ORIGINES JUSQU A LA MORT DÕ AVERROES (1198)
GALLIMARD : COLLECTION IDEES PRESSES, UNIVERSITAIRES DE FRANCE : QUE SAIS JE?
DOMINIQUE SOURDEL, ANCIEN PENSIONNAIRE DE L INSTITUE FRANCAIS DE DAMAS, DOCTEUR ES LETTERS:
LÕISLAM: LE VIZIRAT ABBASIDE DE 749 A 936.
CHARLES PELLAT :
LANGUE ET LITTERATURE ARABES; LE MILIEU BASRIEN ET LA FORMATION DE GAHIZ
EMILE DERMENGHEM
MAHOMET ET LA TRADITION ISLAMIQUE
REGIS BLACHERE:
LE PROBLEME DE MAHOMET.

লেখক : সাবেক মহাপরিচালক, বাংলা একাডেমি



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর