Inqilab Logo

ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ আশ্বিন ১৪২৭, ০৭ সফর ১৪৪২ হিজরী

প্রশ্ন: লাইলাতুল কদর ২৭ রমজান বলে আমরা জানি। তবে শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাত্রিগুলির যে কোনো একটি লাইলাতুল কদর হতে পারে বলে হাদীসে আছে। প্রশ্ন হলো, ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজানের রাতগুলি আমাদের কীভাবে কাটানো উচিত?

হোসাইন আহমেদ
নারায়নগঞ্জ

প্রকাশের সময় : ১১ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

উত্তর: আসলে হাদীসে যেমন আছে লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা তেমনই। আপনি প্রতিটি বেজোড় রাতে সামান্য হলেও কিছু নফল নামায, তেলাওয়াত, দান-খয়রাত, তওবা-ইস্তেগফার, দোয়া-দুরুদ ও বিশেষ মোনাজাত করুন। বলা তো যায় না লাইলাতুল কদর কোনদিন। যে জন্য নবী করিম সা. রমজানের শেষ ১০ দিন মসজিদেই থাকতেন। এখনো লাখো মানুষ এ জন্যই ইতেকাফ করে। বেজোড় রাতগুলিতে বেশি এবাদত করতে না পারলেও জামাতে এশা ও ফজর পড়লে আল্লাহ তায়ালা তাকে লাইলাতুল কদর পাওয়া লোকদের অন্তর্ভূক্ত করবেন বলে হাদীসে আছে। ২৭ তারিখ বেশি সম্ভাবনা থাকায় আমলে মগ্ন থাকা ভালো। লাইলাতুল কদরে বিশেষ কোনো আমলের কথা কোরআন হাদীসে নেই। একটি দোয়া মহানবী সা. বেশি বেশি করতে বলেছেন। যার বাংলা অর্থ ‘হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে আপনার ভালো লাগে। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন। 

সূত্র: জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফতওয়া বিশ্বকোষ।
উত্তর দিয়েছেন: আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • Alamin ২৬ জুন, ২০১৮, ৬:১১ এএম says : 0
    "isar namaj o fojorer namaj jamate porle lailatul kodorer fojilot prapto hobe"ei hadis khanar dolil dennai ,je kono masalar somadhane prottek ti hadiser dolil proman diye somadha diben plz,,,. na hole amra sadharon musolman bivrantite pore jai
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

আমি শরিয়তের হুকুম আহকাম মোতাবেক চলার চেষ্টা করি। পারিবারিক বাধা সত্বেও দাড়ি টুপি ব্যবহার করছি। ১ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। বিয়েতে আমি পরিপূর্ন শরিয়ত মানার চেষ্ঠা করেছি এতে পরিবারের সবাই নারাজ হয়। বড় বোন জামাইয়ের নারাজির কারণে মা-বাবাও খুশি নন। পর্দার খেলাফ এবং আমার কর্মক্ষেত্র দূরে হওয়ায় আমার স্ত্রীকে আমার কাছে নিয়ে আসি। এইজন্য আমার মা আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। তিনি আমার স্ত্রীকে ফোনে গালিগালাজ করে। বড় ভাই নেশাগ্রস্থ ও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার পরেও তারা তাকেই বেশী আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। মাস শেষে টাকা নেওয়ার জন্য ফোন করা ছাড়া আমার সাথে তারা কোনো যোগাযোগ রাখে না। এই অভিমানে আমিও যোগাযোগ কম করি এবং ৬ মাস যাবৎ বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেই। এতে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। যদিও তাদের জন্য আমার কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?

উত্তর : তাদের জন্য আপনার কষ্ট হওয়াটা আপনার ভালো মানুষির চিহ্ন। এটি সন্তান হিসাবে, ভাই হিসাবে, পরিবারের সদস্য হিসাবে আপনার প্রশংসনীয় অনুভূতি। এটুকুর জন্য ইনশাআল্লাহ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ