Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২১ মে ২০১৯, ০৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৫ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

সিনেমা-সিরিয়ালের মগ্নতায় ঈদে ইন্ডিয়ান পোষাকে মাতাচ্ছে সিলেট

ফয়সাল আমীন | প্রকাশের সময় : ১১ জুন, ২০১৮, ৯:১২ পিএম


ঈদ আসলেই ভারতীয় পোষাক পছন্দের শীর্ষে উঠে আসে ক্রেতাদের। প্রবাসী অধ্যূষিত সিলেটে এ প্রবনতা লক্ষনীয়। ব্যতিক্রম নয় এর্বাও। পদ্মাবতী, সূর্যমুখী, বাহুবলী ও বাজির্ওা মাস্তানি নামে গাউন জামা প্রতি তীব্র আকর্ষন নারী ক্রেতাদের। সেই সাথে ভারতীয় কাতান, শাহী কাতান, বেনারশি, কাঞ্চিবরন নামে শাড়ি বিক্রি হচ্ছে দেদারচ্ছে। ভারতীয় সিনেমা ও সিরিয়ালের প্রচারনায় মাধ্যমে এসব ড্রেস ্ও শাড়ীর প্রতি ঝুঁকছে আমাদের ক্রেতারা এমনটিই মনে করছেন ফ্যাশন হাউজ সংশ্লিষ্টরা। সেকারনে ঈদ বাজারে তুলনামুলক দাপুটে বিদেশী তথা ইন্ডিয়ান পোষাক। পোষাকের বাহারী নাম দিয়ে ক্রেতাদের নজর কাড়তে নানা ফিকির। সুলতান সুলেমান কুসেম সিরিজের রানী কুসেম নামানুসারে কুসেম ব্যান্ড্রের ড্রেস্ও নজরে লাগছে ক্রেতাদের। দেখা গেছে তরুনীর ইন্ডিয়ান একটি ড্রেস ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকা এবং শাড়ি ৫ হাজার ৫০ হাজার টাকা মূল্যে ক্রয় করতে পারছে। সেখানে দেশীয় তৈরী ড্রেস যার মূল্যে ১ থেকে ৪ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। এরর্পও দেশি পোষাকগুলোতে মনোযোগ নেই ক্রেতাদের। তবে দেশিয় ফ্যাশন হাউজ আডং, দেশি-দশ, রং, শী ও অঞ্জনস এর বিক্রয় কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবার ঈ হালকা ও আরামদায়ক ড্রেস ও শাড়ি। আধুনিকতার সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উতসব পালনে তরুনীরা বেছে নিচ্ছেন এসব কাপড়। বিক্রয় কর্মীরা জানান, এবার গরমের মৌসুমে ঈদ হ্ওয়ার অন্য বছরের তুলনায় দেশিয় আরামদায়ক কাপড়গুলো বিক্রি হচ্ছে ভালো। বিদেশে কাপড়ের সাথে পাল্লা দিতে দেশিয় ফ্যাশন হাউজগুলো এবার বিভিন্ন ডিজাইনের ড্রেস ও শাড়ি বাজারে এনেছে। একাধিক নারী ক্রেতা জানান, ইন্ডিয়ান পোষাকের কারুকাজ বেশ শৈল্পিক। সেই তুলনায় দেশিয় পোষাকে কারুকাজ সাদামাটা। দেখতে গর্জিয়াস মনে হয় না। কাপড় ক্রয়ে কিন্তু দেখতে পছন্দ হ্ওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইন্ডিয়ান ড্রেস আর দেশি ডিজাইনের ড্রেস পছন্দের মধ্যে রুচিবোধের একটি ব্যাপার রয়েছে। ইন্ডিয়ান ড্রেসগুলোতে চাকচিক্যকে প্রাধান্য দেয়া হয়। কিন্তু দেশি ড্রেস সিম্পল ্ও আরামদায়ক যা পরনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ হয়। নগরীর বিভিন্ন শপিং মল ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতাদের দৃষ্টি আর্কষনের জন্য ডলে সাজিয়ে রাখা হয়েছে নানা ডিজাইনে গাউন। এবার তরুনীদের আগ্রহ বেশি পদœাবতী নামে গাউন জামার প্রতি। দাম ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া রয়েছে সূর্যমূখী। ২ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা । ভারতীয় হিন্দি ছবি বাহুবলি আর বাজির্ওা মাস্তানি‘র নামের পোষাকের চাহিদা রয়েছে। তরুনীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে পদ্মাবর্তী আর সূর্যমুখী। বাহুবলি ও বাজির্ওা মাস্তানি গাউন জামাও কিনছেন অনেকে। এবার জনপ্রিয় হয়ে উঠা এ পোষাকটি পায়ের পাতা অবধি লম্বা। উপরের অংশ টাইট আর নীচের অংশ কোমরের কাছ থেকে ঘাগরার মতো ছড়িয়ে রয়েছে। এই পোষাকটি সাধারনত বেশ ভারী ধরনের হয়ে থাকে। বিক্রেতারা জানান, এবারের ঈদে গাউন স্টাইলের এই ড্রেস বেশি চলছে। এছড়া কিশোরী তরুনীদের পছন্দের তালিকায় যোগ হয়েছে লম্বা কামিজের সঙ্গে প্লাজো, ফ্লোর টাস কামিজ, সেমি ফ্লোর টাস, কয়েক লেয়ারের বড় ঘরের ফ্রক, তার সঙ্গে প্লাজো অথবা লেগিংস। এছাড়া দেশিয় ফ্যাশন হাউজ সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার গাড় রংয়ের পাশাপাশি সব রকমের হাল্কা শেডকেও প্রাধান্য দিচ্ছেন ক্রেতারা



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সিলেট


আরও
আরও পড়ুন