Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৩ আশ্বিন ১৪২৫, ৭ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করলেই পাসপোর্ট নবায়ন

| প্রকাশের সময় : ২২ জুন, ২০১৮, ১:০৫ এএম


ইনকিলাব ডেস্ক : বিয়ের ১২ বছর পরে যে স্বামীর ধর্ম নিয়ে কোনও প্রশ্ন শুনতে হবে, এটা কল্পনাও করতে পারেন নি উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের বাসিন্দা তন্বী শেঠ। মিসেস শেঠ টুইটারে অভিযোগ করেছেন যে লখনৌয়ের পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে কর্মরত এক অফিসার সকলের সামনে তাকে প্রশ্ন করেছেন যে বিয়ের পরেও কেন নিজের পদবী পরিবর্তন করেননি তিনি। স্বামীকেও ডেকে বলা হয় যে পাসপোর্ট নবায়ন করতে হলে তাকে হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে হবে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে ট্যাগ করে পাঁচ ভাগে পোস্ট করা টুইটে মিসেস শেঠ লিখেছেন, তিনি আনাস সিদ্দিকিকে ১২ বছর আগে বিয়ে করেছেন, তাদের বছর ছয়েকের এক সন্তানও আছে। কিন্তু ভারতের বেশীরভাগ নারীই যেমন বিয়ের পরে পদবী বদল করে স্বামীর পদবী রাখেন, সেটা তিনি করেননি। ‘একজন মুসলিমকে বিয়ে করেও কেন পদবী বদল করিনি, সেই প্রশ্ন তুলে আমার পাসপোর্টের নবায়ন আটকে দেন বিকাশ মিশ্র নামের ওই অফিসার। সবার সামনে আমাকে অপমান তো করাই হয়, এমনকি আমার স্বামীকে ডেকে পাঠিয়ে বলা হয় যে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করলে তবেই পাসপোর্ট নবায়ন করা হবে,’ লিখেছেন মিসেস শেঠ। সুষমা স্বরাজকে উদ্দেশ্য করে তন্বী শেঠ লিখেছেন, ‘বিচারের প্রতি এবং আপনার প্রতি আমার গভীর আস্থা নিয়ে, একই সঙ্গে মনে প্রচÐ রাগ আর অনিশ্চয়তার মধ্যে এই টুইট করতে হচ্ছে আমাকে। বিকাশ মিশ্র নামের ওই পাসপোর্ট অফিসার প্রশ্ন তুলেছেন কেন আমি একজন মুসলমানকে বিয়ে করেছি, আর কেনই বা আমি বিয়ের পরে পদবী বদল করিনি। বিয়ের পর থেকে কোনও দিন এত অপমানিত হইনি।’ লখনৌয়ের রিজিওনাল পাসপোর্ট অফিসার পীযুষ ভার্মা বুধবারই সংবাদমাধ্যমের কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে ওই দম্পতিকে নিজের দপ্তরে ডেকে তাদের হাতে পাসপোর্ট তুলে দিয়েছেন তিনি। বিবিসি।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ