Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২২ জুলাই ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ৮ যিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী

হুমকিতে বঙ্গবন্ধু সেতু

সৈয়দ শামীম শিরাজী, সিরাজগঞ্জ ও আতাউর রহমান আজাদ, টাঙ্গাইল থেকে | প্রকাশের সময় : ২৩ জুন, ২০১৮, ১১:৪৯ পিএম | আপডেট : ১২:১১ এএম, ২৪ জুন, ২০১৮

ভাঙছে যমুনা। ভাঙছে জনপদ। ভাঙছে মানুষের স্বপ্ন। বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই প্রমত্ত যমুনার দুই পাড়ের ভাঙন নদীপাড়ের বাসিন্দাদের আতঙ্কিত করে তুলেছে। নদী ভাঙনে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু রক্ষা বাঁধ। এতে করে হুমকির মুখে পড়েছে দেশের উত্তরাঞ্চলের সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম বঙ্গবন্ধু সেতু। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন কারনে প্রতি বছরই যমুনার উভয় পাড় ভাঙছে। এগুলোর মধ্যে, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন, মাটি কেটে বাঁধ তৈরী এবং নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধ ও স্পার তৈরীতে অনিয়ম উল্লেখযোগ্য। বঙ্গবন্ধু সেতু ঝুঁকির মুখে পড়ার জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) গাফলতিকেই দায়ী করেছেন বাড়ি-ঘর হারা মানুষ। বাংলাদেশ সেতু কর্র্তপক্ষ (বিবিএ) এর সহকারি প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল সেতু কর্তৃপক্ষের গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার বাঁধ নির্মাণ ও সংরক্ষণ নিয়ে সীমাহীন দুর্নীতির কারনে নদী ভাঙন ঠেকাতে কোনো উদ্যোগই কাজে আসছে না। বরং বর্ষার সময় নদী ভাঙন শুরু হলেই তাদের লাভ হয়। একই সিন্ডিকেট প্রতি বছরই বাঁধ সংক্রান্ত সব কাজ পেয়ে থাকে।
জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার নদী তীর সংরক্ষণ প্রকল্পে এক বছরে ১৫ বার ভাঙন দেখা দিয়েছে। সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ অনেক স্থানে নাজুক হয়ে পড়েছে। গতবছর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বহু স্থানে ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় রিং বাঁধ দিতে হয়েছে। সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, চৌহালী, শাহজাদপুর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ যেকোন সময় ভেঙ্গে সিরাজগঞ্জ শহর ব-দ্বীপে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ সবকিছু মিলিয়ে যমুনা নদী মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জবাসী। শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধু সেতুর গাইড বাঁধের কাছে থেকে পাহাড় পরিমাণ বালু উত্তোলন করায় বঙ্গবন্ধু সেতু হুমকির মুখে পরার আশঙ্কা রয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলার নদী তীরবর্তী ৫টি উপজেলা হলো, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর। টাঙ্গাইল জেলার নদীতীরবর্তী ভূয়াপুর, কালিহাতি উপজেলা এবং দৌলতগঞ্জ এলাকায় প্রতিবছর ভাঙন দেখা দেয়। এবার বর্ষার শুরুতেই সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতুর উভয় দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতি ও সিরাজগঞ্জ এনায়েতপুরে চলছে নদী ভাঙ্গনের মাতম। সেই সাথে সিরাজগঞ্জের পাবনা বেড়াকোলা থেকে রংপুরের কাউনিয়া পর্যন্ত ১৩৫ মাইল বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙনও অব্যহত রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর বাঁধের কোন না কোন স্থানে ভেঙে থাকে। বলা যায়, ভাঙ্গনের অপেক্ষায় মুখিয়ে থাকে বাঁধ। সিরাজগঞ্জের যমুনা ও বড়াল নদীর পানি বৃদ্ধি আতঙ্কে থাকে এই অঞ্চলের কৃষকরা। আর ঝুঁকিপূর্ণ রিং বাঁধের ওপর নির্ভর করছে ৬৩ হাজার হেক্টর জমির ধান।
সরেজমিনে যমুনার দুই পাড় ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে চলছে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্তে গ্রামরক্ষা বাঁধে তীব্র ভাঙন। গ্রামরক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার গড়িলাবাড়ি ও বেলটিয়া গ্রামের ১৫-২০ টি বাড়ি যমুনা নদীতে বিলীন হয়েছে। এছাড়া হুমকির মুখে রয়েছে কয়েকটি গ্রামের শতাধিক বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট। ভাঙনের কারনে বঙ্গবন্ধু সেতুর টাঙ্গাইল অংশে গাইড বাঁধ হুমকির মুখে রয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। নদীর পানি বৃদ্ধি, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ( বিবিএ) গাফলতিকেই এ অবস্থার জন্য দায়ী করেছেন বাড়ি-ঘর হারা মানুষ।
অপরদিকে, সিরাজগঞ্জ এনায়েতপুর একইভাবে তীব্র ভাঙ্গনের মুখে পড়ে সরকারী-বেসরকারী অফিস, হাট/বাজার, দোকানপাট, বিভিন্ন শক্তকাঠামোসহ প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত খাজা এনায়েতপুর মেডিকেল কলেজ হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড় সিরাজগঞ্জ ও পূর্ব পাড় টাঙ্গাইল জেলার উভয় পাশে অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিপদজনকভাবে গড়ে উঠেছে ‘বালু মহাল’। বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দক্ষিণের বেড়াকোলা থেকে উত্তরের কাউনিয়া পর্যন্ত ১৩৫ মাইল বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে যমুনা নদী থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বালুদসু্যুরা বালু উত্তোলন করছে। এতে যমুনা নদী পাড়ের ভাঙ্গন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। ফি বছর অব্যাহত গতিতে যমুনা যেন ভেঙ্গেই চলেছে। বালু উত্তোলনের ঘটনা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটলেও তা রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। গত বন্যায় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাহুকায় দুই দুইবার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় একই স্থানে ১১ বার ভাঙ্গন দেখা দেয়। জেলার কাজীপুর, শাহজাদপুর, চৌহালী, বেলকুচি এলাকায় একই অবস্থা বিদ্যামান। যমুনার নদীর পূর্বপাড় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর, নলীন, জগৎকুড়া, অর্জুনা, গাবসারা, গোবিন্দদাসি, নিকরাইল, চরবাসাইল, চর অর্জুনা, চরশ্বশুয়া, জগনাথগঞ্জ ঘাট এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে করে বঙ্গবন্ধু সেতুসহ শহর রক্ষাবাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ভাঙ্গন মেরামত করা হচ্ছে অথচ এসব দেখভালের জন্য সংশ্লিষ্টরা একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দায় এড়িয়ে চলছে। অথচ দিন দিন বালু উত্তোলনের ব্যাপক প্রসার ঘটছে। বার বার নিষেধাজ্ঞা, অভিযোগ ও মানববন্ধন করেও তাদের রোধ করা যাচ্ছে না।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বালু দস্যুরা বালু উত্তোলন করে নানাবিধ সমস্যার জন্ম দিচ্ছে। শহর রক্ষার বাঁধ ও নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধসহ আবদি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে যমুনার উভয় পাড়ের মানুষের মধ্যে। নদী ভাঙ্গনে রোধ করতে কোটি কোটি টাকা দিয়ে নির্মিত হচ্ছে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ, চৌহালী ও কাজীপুরর তীর সংরক্ষন বাঁধ। অথচ এসব এলাকায় গড়ে উঠেছে বালু চরের মহাল আর অপরিকল্পিতভাবে চলছে বালু উত্তোলন। ইতিমধ্যে অনিয়মের অভিযোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জমিমানা করা হলেও থেমে নেই বালু উত্তোলনের কাজ। এলাকাবাসির মতে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে দিয়ে ক্রসবার -০২ এর ভেতর দিয়ে টানা হয়েছে বালু তোলার পাইপ। এ কারণে কোথাও কোথাও ফাটল তৈরী হয়েছে। আর ফাটলের কারণে নদী তীরবর্তী ফসলি জমি ও বসতবাড়ি বিলিনেরও শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বাংশের উত্তর দিকের সেতুর নিরাপত্তা বেষ্টুনীর পাশেই গড়ে উঠেছে বিশালাকারের বালু মহাল। ড্রেজার দিয়ে এ স্থানে বালু উত্তোলন করায় নদীর তলদেশ থেকে সরে যাচ্ছে মাটি। এতে হুমকির মুখ পড়ছে বঙ্গবন্ধু সেতুর গাইডবাঁধও। শহররক্ষাবাঁধের মতিন সাহেবের ঘাট এলাকায় গড়ে উঠেছে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বালু মহাল। এখানে শুধু বালু দস্যুরা বালু তুলেই ক্ষান্ত হচ্ছে না। এরা মেশিন দিয়ে পাড়ের এটেল মাটিও কেটে নিয়ে বিক্রি করছে। সিরাজগঞ্জের দক্ষিণ দিকের সেই বেড়াখোলা থেকে শুরকরে উত্তর দিকের কাউলিয়া পর্যন্ত সর্বত্র চলছে বালু উত্তোলন। সেই সাথে জেলার নদী তীরবর্তী পাঁচটি উপজেলা শাহজাদপুর, চৌহালী, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ সদর, কাজীপুর বিভিন্ন পয়েন্টেও চলছে বালু উত্তোলন। পূর্বপাড়ের ভূঞাপুর, নলীন, জগৎকুড়া, অর্জুনা, গাবসাড়া, গোবিন্দদাসি, নিকরাইল, চরবাসাইল, চর অর্জুনা, চরশ্বশুয়া, জগনাথগঞ্জ ঘাটে একইভাবে বালু দস্যুরা বালু উত্তোলন করে চলেছে। এসব কারনে যমুনার উভয় পাড়ের নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
খাস কাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদ হোসেন জানান, ২০১৫ সালে যমুনা নদীর ভাঙ্গন থেকে টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী রক্ষায় ১০৯ কোটি টাকা ব্যায়ে ৭ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষন কাজ শুরু হয়। বাঁধটির প্রায় ৯৫ ভাগ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এ অবস্থায় গত বন্যায় ১১ দফায় ধ্বস নামে। চৌহালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান বলেন, বাঁধ ভাঙ্গনের বিষয়ে টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাজাহান সিরাজ বলেন, বাঁধের এই অংশে গভীরতার সৃষ্টি হওয়ায় ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। তবে স্থানীয়রা বলেন অন্যকথা। তাদের মতে বালু দস্যুরা ড্রেজার দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনে বাঁধ এলাকা থেকে মাটি সরে গিয়ে গভীরতার সৃষ্টি হচ্ছে। জেলার কাজীপুর উপজেলার বাইখোলা গ্রাম, পাটগ্রাম ফ্লাডসেন্টার মাইজবাড়ী, গান্দাইল, শুভগাছা, মেঘাই এর ভাঙ্গন যেন থামছেই না। বালু দস্যুদের এমন ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে নদী কুলের মানুষ। তাদের যেন কোন ভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। এমনকি দুই কুলের বালু দস্যুদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এ যাবত সিরাজগঞ্জ জেলায় তিনজন নিহত হয়েছে। মামলা মোকাদ্দমা চলছে। তাতেও বালু দস্যুদের কার্যক্রম বন্ধ নেই।
ক্রমেই হুমকির মুখে পড়ছে নদীর তীরবর্তী এলাকার ভাঙ্গনকবলিত অসংখ্য মানুষ। ঘটনার এখানেই শেষ নয়, অভ্যন্তরীণ শাখা নদী, করতোয়া, ফুলজোড়, গুমানী, কাটাখালি থেকেও বালু দস্যুরা নির্বীঘেœ বালু উত্তোলন করেই চলেছে। স¤প্রতি সিরাজগঞ্জ জেলার হাইওয়ের নলকা সেতু এলাকায় ফুলজোড় নদী থেকে বালু উত্তোলন করে সেতুর পশ্চিমপাশে দুই দিকে পাহাড় পরিমান উচ্চতায় বালু তুলে বৈদ্যুতিক লাইন ও নলকা সেতুকে ঝুকিপূর্ণ করে তোলে। তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করার পরেও বালুদস্যুদের এহেন অবৈধ ব্যবসা থেমে নেই। এতে যা ঘটার তাই ঘটছে। নলকা সেতু দেবে গিয়ে যানচলাচলের বিঘœ ঘটে এবং তিব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ স্বার্থরক্ষা সংগ্রাম কমিটির নেতাদের মতে, বালু মহাল নির্ধারণে সকলের মতামত থাকতে হবে। তা না হলে নদী ভাঙনের দুঃখ যমুনা পাড়ের মানুষের কোন দিনই ঘুচবে না।
এ প্রসঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, বালু উত্তোলনের নির্ধারিত স্থান থাকলেও অসাধু কিছু ব্যবসায়ী এই কাজ করে আসছে। আর এতে ক্ষতির মুখে পড়ছে শহর রক্ষা বাধ ও ফসলি জমিও।
পাউবোর সিরাজগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। বালু উত্তোলনের কারণে সিরাজগঞ্জ শহরের বাঁধ ও অন্যন্যা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমি শহর রক্ষাবাঁধের মেইন গেইট বন্ধ করে রেখেছি। যাতে বালু মহালের বালুর ভারী ট্রাক ভিতরে ঢুকতে না পারে।
সিরাজগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বলেন, যারা অবৈধ বালু উত্তোলন করছে তাদেরকে বালু উত্তোলন করতে নিষেধ করা হয়েছে। যেসব জায়গায় থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে সেসব জায়গা থেকে আর কোনভাবে বালু উত্তোলন করা যাবে না এমন নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেতু কর্র্তপক্ষ (বিবিএ) এর সহকারি প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, নদীতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। তিনি বলেন, এই ভাঙনে সেতুর কোন ক্ষতি হবে না। ভাঙন ঠেকাতে সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলানো হচ্ছে।



 

Show all comments
  • লাইজু ২৪ জুন, ২০১৮, ৪:০৪ এএম says : 0
    এসব কী সরকার দেখেন না ?
    Total Reply(0) Reply
  • কাসেম ২৪ জুন, ২০১৮, ৫:০৭ পিএম says : 0
    বিষয়টি খুবই উদ্বেগের
    Total Reply(0) Reply
  • ২৫ জুন, ২০১৮, ১২:১৯ এএম says : 1
    আমার দেশের মানবাধিকার কমিশনের এ গুলো দেখে না।
    Total Reply(0) Reply
  • ২৭ জুন, ২০১৮, ১০:২২ এএম says : 2
    সবা টাকার লোভ কেন দেশকে বাচানোর লোভ নেই কেন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর