Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০, ০১ শ্রাবন ১৪২৭, ২৪ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

ধামরাইয়ে ৪ মাস ধরে সিজার বন্ধ

ধামরাই (ঢাকা) থেকে মোঃ আনিস উর রহমান স্বপন | প্রকাশের সময় : ৭ জুলাই, ২০১৮, ১২:০২ এএম

ঢাকার ধামরাই উপজেলা সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যানিস্থেশিয়ার ডাক্তার না থাকায় ৪ মাস ধরে সিজার কার্যক্রম বন্ধ রযেছে। এতে বিপাকে পড়েছে গ্রামাঞ্চলের হাজারও গর্ভবতী মহিলা।

৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলায় প্রায় ৬ লাখ লোকের স্বাস্থ্যসেবার জন্য একমাত্র নির্ভরযোগ্য সরকারী হাসপাতাল এটি। এখানে গর্ভবতী মায়েদের সিজার (অপারেশনের) জন্য রয়েছে একটি অত্যাধুুনিক অপারেশন থিয়েটার। রয়েছে উন্নতমানের আধুনিক যন্ত্রপাতি। একাধিক গাইনি চিকিৎসক থাকলেও নেই শুধু অ্যানিস্থেশিয়ার ডাক্তার। এ কারণে ৪ মাস ধরে অপারেশন থিয়েটারে কোন অপারেশন হচ্ছে না। ফলে উপজেলার পাশের উপজেলার হাজারও গর্ভবতী মায়েরা পরেছে চরম বিপাকে। বাধ্য হয়ে তাদেরকে যে ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে গুণতে হচ্ছে মোটা অংকের টাকা। এতেকরে সাধারণ কেটে খাওয়া মানুষ গুলি পড়েছে চরম বিপাকে।
চিকিৎসা সেবা নিতে আসা এক গর্ভবতী মা সালেহা বেগম জানান,আগের দিনে কোন সিজারে প্রয়োজন হত না।তাই সিজার করার জন্য কোন ডাক্তারের প্রয়োজন হত না। এখন জমানা পাল্টে গেছে তাই এখন সিজারের প্রয়োজন হয়। আর এখানে ৪ মাস ধরে সিজার করার কোন ডাক্তার নেই।আমরা গরীব মানুষ হাজার হাজার টাকা খরচ করে আমরা বড় কোন হাসপাতালে সিজার করাতে পারব না।তাই সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদ আমাদের এখানে যেন দ্রæত সিজারের ডাক্তার দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ ফজলুল হক জানান,আমাদের এখানে অ্যানিস্থেশিয়ার যে ডাক্তার ছিলেন তিনি গত মার্চ মাসে চলে যাওয়ায় আমরা ৪ মাস ধরে কোন সিজার অপারেশন করতে পারছি না। প্রতি মাসে অ্যানিস্থেশিয়ার ডাক্তার দেয়ার উর্ধ¦তন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হলেও এতে কোন ফল পাচ্ছি না। আমাদের এখানে কোন বেসরকারি ভাবে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ নেই। আর আমাদের কোন প্রকার ফান্ড নেই যে আমরা বাহিরে থেকে অ্যানিস্থেশিয়া এনে অপারেশন করাব। স্থানীয়রা এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বন্ধ


আরও
আরও পড়ুন