Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৭ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৩ জামাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী।
শিরোনাম

আইনি লড়াই চালাবেন নওয়াজ

ইনকিলাব ডেস্ক : | প্রকাশের সময় : ৯ জুলাই, ২০১৮, ১২:০৬ এএম

 দুর্নীতির দায়ে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিকে রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় দিনটিকে কালোদিন বলে আখ্যা দিয়েছেন তার ভাই ও পাকিস্তান মুসলিম লীগ-এন সভাপতি শাহবাজ শরিফ। তবে, এ রায়ের মধ্যদিয়ে নতুন পাকিস্তানের জন্ম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ প্রধান ইমরান খান। দুর্নীতি মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে শুক্রবার ১০ বছরের কারাদÐাদেশ দেন আদালত। এই রায় ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই লন্ডনে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। দেশে ফিরে তিনি এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানান। নওয়াজ শরীফ বলেন, ‘কোথাও রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার ইচ্ছা আমার নেই। আমার স্ত্রী একটু সুস্থ হলেই আমি দেশে ফিরে যাবো। পাকিস্তানের জনগণ মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমি সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার বিষয়ে এরই মধ্যে আইনজীবীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে।’ বর্তমানে লন্ডনে চিকিৎসাধীন ক্যানসারে আক্রান্ত স্ত্রীর পাশে থাকতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে সেখানে অবস্থান করছেন নওয়াজ। তবে দেশে ফেরার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ উল্লেখ করেন নি তিনি। শুক্রবারের ওই রায়ে তার মেয়ে মরিয়মকেও সাত বছরের কারাদÐ দেয়া হয়েছে। এদিকে রায়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন নওয়াজ শরিফের ভাই ও পাকিস্তান মুসলিম লীগের-এন-এর সভাপতি শাহবাজ শরিফ। শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘এ রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, আগামী ২৫ জুলাই মানুষ ভোটের মাধ্যমে তাদের আসল রায় দেবেন। পাকিস্তান মুসলিম লীগ-এন এ রায় প্রত্যাখ্যান করছে।’ এ রায়ে আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কোরে নতুন পাকিস্তানের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দল পিটিআই-এর প্রধান ইমরান খান। তিনি বলেন, ‘আজ পাকিস্তানিদের আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া প্রকাশ করা উচিৎ। কেননা এ রায়ের মধ্যদিয়ে দুর্নীতিমুক্ত নতুন একটি পাকিস্তানের জন্ম হলো।’ লন্ডনে চারটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেনার অর্থের বৈধ উৎস দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় শুক্রবার নওয়াজ ও তার মেয়েকে কারাদÐের রায় দেন আদালত। একই সঙ্গে মোটা অঙ্কের জরিমানাও করা হয়। এর আগে ২০১৫ সালে পানামা কেলেঙ্কারিতে নাম আসে নওয়াজের। ওই অভিযোগে গতবছর প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে যেতে হয় তাকে। একইসঙ্গে দলীয় প্রধানের পদও ছাড়তে বাধ্য হন পাকিস্তানের তিন বারের এই প্রধানমন্ত্রীকে। ডন, রয়টার্স।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: নওয়াজ

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ