Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫ পৌষ ১৪২৫, ১১ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

তিন প্রস্তাবনা নন-এমপিও শিক্ষকদের

আন্দোলন অব্যাহত

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৯ জুলাই, ২০১৮, ১২:০৫ এএম

এমপিওভুক্তির দাবিতে তিন প্রস্তাবনা পেশ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। প্রস্তাবনাগুলো হচ্ছে, যে নীতির মাধ্যমে অতীতে সারা দেশের ২৮ হাজার বেসরকারি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে, বর্তমানে ৫ হাজার ২৪২টি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানও সে নীতিতে এমপিওভুক্ত হবে। বরাদ্দকৃত অর্থ অপর্যাপ্ত হলে বর্তমান অর্থ বছরেই সকল নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওর আওতায় এনে আংশিক বেতন চালু করা যেতে পারে। দীর্ঘ ১৫-২০ বছর এমপিওভুক্ত না হওয়ায় আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা যাচাই করার উদ্দেশ্যে এমপিওভুক্তির পর কমপক্ষে ৩ বছর সময় প্রদান করতে হবে। এসময়কালে সক্ষমতা অর্জনে ব্যর্থ হলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ।
গতকাল দুপুরে এই তিন প্রস্তবনা নিয়ে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সচিবালয়ে যান। বিকাল পাঁচটার দিকে শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইন তাদের এই প্রস্তাবনা গ্রহণ করেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পৌঁছানোর আশ্বাস দেন।
এদিকে এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে শিক্ষক-কর্মচারীরা। গতকাল প্রেসক্লাবের সামনে ১৪ দিন অনশনসহ ২৯ তম দিন অতিবাহিত করেন। টানা অনশনে এ পর্যন্ত দুই শতাধিক শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্তির দাবিতে নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার কর্মসূচি শুরু করেন। টানা ওই অবস্থান ও অনশনের একপর্যায়ে ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তার তৎকালীন একান্ত সচিব সাজ্জাদুল হাসান সেখানে গিয়ে আশ্বাস দেন। এরপর শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। কিন্তু অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে নতুন এমপিওভুক্তির বিষয়ে সুস্পষ্ট কিছু বলেননি। তারপর থেকেই এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছেন নন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা। তবে গত বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নীতিমালার ভিত্তিতে ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়ে দ্রæত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। কিন্তু সে নীতিমালা মানতে নারাজ শিক্ষকরা।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ