Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার ২২ মে ২০১৯, ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৬ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

চট্টগ্রাম বন্দরের গতি বাড়াতে বললেন ব্যবসায়ী নেতারা

চেয়ারম্যানের সাথে মতবিনিময়

চট্টগ্রাম ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ১২ জুলাই, ২০১৮, ১২:০১ এএম

দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা ও গতিশীলতা বাড়াতে বললেন ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নের গতি একশ মাইল হলে বন্দরের গতি ১৫০ মাইল হতে হবে। তা না হলে দেশের অর্থনীতি পিছিয়ে পড়বে। গতকাল (বুধবার) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর জুলফিকার আজিজের সাথে মতবিনিময় করেন চট্টগ্রাম চেম্বার নেতারা। চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের তুলনায় বন্দরের কর্মকান্ড অধিক গতিশীল করতে হবে।
তিনি বিভিন্ন শিপিং এজেন্ট কর্তৃক ডকুমেন্টেশনসহ নানান চার্জ আদায় ও কন্টেইনারের সিকিউরিটি মানির নামে ৫ হাজার টাকা জমা বন্ধ করা, ম্যানিফেস্টেড কার্গো নিয়ে কোন জাহাজ যাতে বন্দর ত্যাগ না করে তা নিশ্চিত করা, কতিপয় আইসিডি কর্তৃক কন্টেইনারের অতিরিক্ত হ্যান্ডলিং চার্জ বন্ধ করা, সদরঘাটে নির্মিত লাইটার জেটির অপারেশন শুরু করা, নির্মাণাধীন লাইটার জেটিসমূহে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, স্পেশাল পারমিশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জ বাতিল করা, বন্দরের জন্য প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট জরুরী ভিত্তিতে সংগ্রহ করাসহ লালদিয়া, পতেঙ্গা এবং বে-টার্মিনাল নির্মাণ কাজ দ্রæত গতিতে শেষ করার আহবান জানান।
মতবিনিময় সভায় চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, মোঃ শাহরিয়ার জাহান ও তরফদার মোঃ রুহুল আমিন, সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম আকতার হোসেন, শিপিং এজেন্ট এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আহসানুল হক চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
বন্দর চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমানোর জন্য নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে অনৈতিকভাবে শিপিং এজেন্ট কর্তৃক কোন ধরনের চার্জ আদায় করা হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান। তিনি বলেন, শিপিং এজেন্ট কর্তৃক ডি ও ইস্যু বিকেল ৫টার পরও অব্যাহত রাখতে হবে। বার্থিং তারিখের পরিবর্তে জাহাজ থেকে সম্পূর্ণ পণ্য খালাসের পর বন্দরের কমন ল্যান্ডিং থেকে ফ্রি টাইম কাউন্ট করাসহ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত আইসিডি নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে। স্পেশাল পারমিশনের নামে কোন ধরনের চার্জ আদায় করা এবং সাধারণ কার্গোর ক্ষেত্রে শিপিং এজেন্ট কর্তৃক সিকিউরিটি মানি জমা রাখা যাবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি বন্দরের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সদরঘাটে নির্মিত লাইটারেজ জেটি অপারেশন শীঘ্রই শুরু এবং বে টার্মিনাল এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে ইয়ার্ড নির্মাণের মাধ্যমে কন্টেইনার ডেলিভারীর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এতে বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চট্টগ্রাম বন্দর

১২ আগস্ট, ২০১৮

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ