Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, ২ কার্তিক ১৪২৫, ০৬ সফর ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

পিতৃভূমিতে ওবামা

ইনকিলাব ডেস্ক : | প্রকাশের সময় : ১৮ জুলাই, ২০১৮, ১২:০২ এএম

প্রেসিডেন্ট পদ ত্যাগ করার পর প্রথমবারের মতো নিজের পিতৃভূমি কেনিয়া সফর করেছেন বারাক ওবামা। সেখানে তার সৎবোন ড. অউমা ওবামার একটি প্রতিষ্ঠানকে সমর্থন দিতে হাজির হয়েছিলেন তিনি। ড. অউমা কেনিয়াতে সাউতি কূ নামের একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করেছেন। এর উদ্দেশ্য হলো স্পোর্টস, বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণ ও ভকেশনাল সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা। কেনিয়ার গ্রামে বসবাসকারী যুব শ্রেীণীকে অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়াই এর লক্ষ্য। একই সঙ্গে পড়াশোনা ও খেলাধুলার মাধ্যমে যুব শ্রেণি এখান থেকে নতুন দক্ষতা অর্জন করবে।
এই প্রতিষ্ঠানেই গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। দু’দিনের সফরে তিনি তার পিতার আদি বাড়ি সিয়াইয়া কাউন্টিতে অবস্থিত নইয়াং’ওমা কিগেলো সফর করেন। এই গ্রামেই বড় হয়েছিলেন তার পিতা। এ ছাড়া বোনের ওই প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন ওবামা। সেখানেই তিনি কেনিয়াতে ২৭ বছর বয়সে তিনি প্রথম যখন সফরে গিয়েছিলেন সেই সময়কার অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন। তিনি বর্ণনা করেন ড. অউমা ওবামার সঙ্গে কিভাবে তিনি সময় কাটিয়েছেন। এ সময় বোনের এ উদ্যোগ যেন সফল হয় সে কামনা করেন। ওই সেন্টারটি উদ্বোধনের পরে ওবামা সেখানে নাচেন। তিনি বাস্কেটবল খেলেন। অনলাইনে প্রকাশিত ভিডিওতে এসব দৃশ্য দেখা গেছে। এ নিয়ে ১৫ই জুলাই টুইটারে একটি পোস্ট দিয়েছেন কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াত্তা। তিনি লিখেছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সফরের সময় তিনি তার সঙ্গে ও ড. অউমা ওবামার সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। ওবামার দেশে ফিরে যাওয়া নিয়ে তিনি লিখেছেন, আপনি ফিরে এসেছেন এটা আমাদের কাছে পরম আনন্দের। উল্লেখ্য, রাজনৈতিকভাবে ভীষণ বিভক্ত কেনিয়া। সেখানে নির্বাচনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কেনিয়াত্তা বিজয়ী হওয়ার পর সেই বিভেদ আরো বড় করে দেখা দেয়। এরপর মার্চে প্রেসিডেন্ট কেনিয়াত্তা ও তার রাজনৈতিক বিরোধী নেতা রাইলা ওডিঙ্গা বৈঠক করে ঐক্যমত পোষণ করেন। বিভেদ দূর করে দেন। তাদের এ বৈঠককে বিস্ময়কর হিসেবে বর্ণনা করা হয়। এবারের সফরে ওই ওডিঙ্গার সঙ্গে সাক্ষাত করার কথা ছিল ওবামার। সূত্র : ওয়েবসাইট।



 

Show all comments
  • মাহবুব ১৮ জুলাই, ২০১৮, ১:৩১ এএম says : 0
    এখানে আপনি আপনার মন্তব্য করতে পারেন তুমিতো সেই মহান ব্যক্তি ,যে কিনা মানব হত্যার ব্যাপকতা কমাতে এবং রাশিয়ার সাথে দ্বন্দ্ব হ্রাসে সিরিয়ার ব্যাপারে নমনীয় পররাষ্ট্রনীতি অবলম্বন করেছি লেঅথচ ৫ লাখ মানব নিহত,১কোটি শরণার্থী।এ জন্য দায়ভার স্বীকার করা উচিত যেভাবে সাবেক সতীর্থ করেছিল।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ