Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ০৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

চান্দিনায় এইচএসসিতে মাদরাসা এগিয়ে

মুন্সী কামাল আতাতুর্ক মিসেল, চান্দিনা থেকে : | প্রকাশের সময় : ২১ জুলাই, ২০১৮, ১২:০২ এএম

 মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উপজেলার ৯টি মাদরাসা থেকে ২৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ২টি জিপিএ-৫সহ ৯৫.৯৮ শতাংশ হারে পাস করে ২৬৩ জন শিক্ষার্থী। ৯টি মাদরাসার মধ্যে আবেদানূর ফাজিল মাদরাসার ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ২টি জিপিএ-৫ সহ শতভাগ করে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। এছাড়া ৪টি মাদরাসা শতভাগ পাস করে। শতভাগ পাসের মধ্যে রয়েছে হারং আলিম মাদরাসা, নাওতলা ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা, তীরচর আতিকিয়া আলিম মাদরাসা এবং বড়ইয়াকৃষ্ণপুর ফাজিল মাদরাসা। উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। উপজেলার ৫টি কলেজ, ৯টি মাদরাসা ও ২টি কারিগরি কলেজের শিক্ষার্থীরা ওই ফলাফল অর্জন করে। আবেদানূর উচ্চ মাধ্যমিক বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে ৫৬টি জিপিএ-৫ পেয়ে উপজেলা পর্যায়ে জিপিএ-৫এর রেকর্ড গড়ে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চান্দিনা উপজেলার ৫টি কলেজের ১ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ টি জিপিএ-৫ সহ ৮৭.৪৫ হারে ১ হাজার ২৬৯ জন শিক্ষার্থী পাস করে। এর মধ্যে চান্দিনা মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ৪৭৬জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪টি জিপিএ-৫সহ ৯৬.২২ শতাংশ হারে ৪৫৮ জন পাস করে কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। অপরদিকে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৮৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৫৬টি জিপিএ-৫ সহ ৯৮.৮৫ হারে ৮৬ জন শিক্ষার্থী পাস করে। এর মধ্যে আবেদানূর উচ্চ মাধ্যমিক বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে ৬৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে ৫৬ টি জিপিএ-৫ সহ ৬৬জন পরীক্ষার্থী পাস করার গৌরব অর্জন করে এবং চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা থেকে ২০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে শতভাগ পাস করে।
মুরাদনগর উপজেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৩ টিতেই নেই জিপিএ-৫। এতে করে জিপিএ-৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা যেমন হতাশ পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিয়ে, তেমনি চিন্তার ভাজ পড়েছে অভিভাবকদের কপালে।
এ ব্যাপারে উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল আলম তালুকদার দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, গত বছরের ফলাফলের তুলনায় এবার পাশের হার বৃদ্ধি পেলেও ভালো ফলাফলে অনেক পিছিয়ে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিতু মরিয়ম বলেন, গত বছর পাশের হার ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ, এবার ৭২.৪৮ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে এবার শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করেছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর