Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ২০১৮, ০৬ ভাদ্র ১৪২৫, ০৯ যিলহজ ১৪৩৯ হিজরী‌

তিন সিটিতে খুলনা মডেল

ফারুক হোসাইন | প্রকাশের সময় : ২৩ জুলাই, ২০১৮, ১২:০২ এএম

নতুন মডেলে খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন হওয়ার পর আসন্ন তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে একই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিএনপি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। সরকার একই মডেলে রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার সব রকম তৎপরতা শুরু করেছে এমন অভিযোগ তাদের। বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছে তাদের সেই আশঙ্কাই এখন সত্যি হতে চলেছে। আগের দুই সিটির ন্যায় ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও সমর্থকদের হামলা, মামলা, গ্রেফতার, হুমকি, পুলিশি হয়রানি, তুলে নিয়ে যাওয়া ও বহিরাগত সন্ত্রাসীদের উৎপাতসহ জোরজবরদস্তি করে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা তিন সিটির নির্বাচনী এলাকায় একটা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। গত কয়েকদিনে তিন সিটিতে গণহারে বিএনপি নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার এবং বিএনপির শান্তিপূর্ণ নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা, হামলা করছে। আর এ সব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন একেবারে চুপ করে আছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে সরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুলনা-গাজীপুর মডেলের দিকেই এগিয়ে নিচ্ছে তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, তিন সিটির নির্বাচনে গত দু’তিন দিনে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা খুলনা-গাজীপুরের আবহে নতুন মডেলের ভোট জালিয়াতির আসল রুপে আত্মপ্রকাশ করেছে। বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে রাতদিন গণগ্রেফতার শুরু করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী। সেখানে এখন খুলনা ও গাজীপুরের মতোই ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে। বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার, গণগ্রেফতার, ভয়-ভীতি প্রদর্শণ, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধা, ধানের শীষের সমর্থক ও এজেন্টদেরকে সাদা পোশাকধারীদের তুলে নেয়া ও তুলে নেয়ার পর অস্বীকার করার ধুম শুরু হয়েছে।
যদিও রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেটে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সরকারি দলের প্রার্থী ছাড়া অন্যরা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। প্রতীক পেয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরুর পর থেকে প্রার্থীদের এ অভিযোগ এখনো বাড়ছে। প্রচারে সমান সুযোগ মিলছে না, বিরোধী দলের প্রার্থীকে প্রচারণায় বাধা প্রদান, নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, এজেন্টদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন, সরকারি দলের প্রার্থীর নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ করা হচ্ছে। খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগেও প্রার্থীদের কাছ থেকে একই রকম অভিযোগ এসেছিল। তখন নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের নানা আশ্বাস দিলেও নির্বাচনে অনিয়ম-জালিয়াতির ঘটনা ঘটে, যা নির্বাচন কমিশনের তদন্তেও উঠে আসে। এবারও তিন সিটি নির্বাচনের আগে আশ্বাস দিয়েছেন নির্বাচন সুষ্ঠু করার এবং খুলনা ও গাজীপুরের পুনরাবৃত্তি না করার। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারি দল ছাড়া বিরোধীদল ও অন্যান্য দলের প্রার্থীদের কোন অভিযোগই আমলে নেয়নি ইসি। ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার না করার যে নির্দেশনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ইসি দিয়েছিল সেটিও মানছে না কেউই।
প্রায় প্রতিদিনই বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। গতকালও রাজশাহীতে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট এ কে এম মতিউর রহমান মন্টুকে গভীর রাতে তার বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করে। সিলেটে গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাস্তায় বসে পড়েন মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী। দলটির অভিযোগ খুলনা ও গাজীপুর মডেলে রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটিতেও নির্বাচন শুরু হয়েছে। ভোটের আগে গণহারে গ্রেফতার, নেতাকর্মী ও এজেন্টদের ভয়ভীতি প্রদর্শনই বলে দিচ্ছে খুলনার দিকেই নিয়ে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
শুধু বিএনপি বা বিরোধী দলগুলোই নয় এই তিন সিটির নির্বাচন যে খুলনার দিকে যাবে সেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। সংগঠনটির সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, খুলনার মতো গাজীপুরেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় প্রধান প্রতিপক্ষকে মাঠছাড়া করা হয়েছে। বিএনপির প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনের দিন সাময়িকভাবে কেন্দ্র দখল করে জালভোট প্রদান, ভোটকেন্দ্র এবং এর আশপাশে ভীতিকর ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি এবং ভোট প্রদানে বাধা দানের ঘটনা ঘটেছে। খুলনার মতো গাজীপুরের নির্বাচনেও বহু অনিয়ম ও আইনশৃঙ্খলাবাহনীর হয়রানি ও বাড়াবাড়ির অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে কিন্তু নির্বাচন কমিশন ছিল নির্বিকার। এই একই পদ্ধতি আসন্ন রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি নির্বাচন এবং আগামী একাদশ জাতীয় সংস নির্বাচনেও ব্যবহার হতে পারে।
বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, সরকার দলীয় প্রার্থী প্রতিনিয়ত নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধা প্রদান করা হচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ীতে বাড়ীতে হানা দেয়া তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভোটারদেরকে ভয় পাইয়ে দেয়াই এই পুলিশী অভিযানের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, রাজশাহীতে ধানের শীষের প্রার্থীর যাদেরকে এজেন্ট মনোনীত করা হয়েছে, তাদের কারও নামেই মামলা নেই। অথচ গোয়েন্দা পুলিশ ধানের শীষের এজেন্টদেরকে নির্বিচারে আটক করে ১৫-২০ ঘন্টা পর তাদের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় অভিযুক্ত করে গ্রেফতার দেখানো হয়।
রাজশাহী গণগ্রেফতারের অভিযোগ: আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর থেকেই বিএনপির প্রার্থীকে বাধা দেয়ার অভিযোগ, পথসভায় ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেফতার সবই দেখছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন। সর্বশেষ গত শনিবার রাতে রাজশাহী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. মতিউর রহমান মন্টুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে ১৭ জুলাই বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের নির্বাচনী পথসভায় ককটেল হামলার মামলায় গ্রেফতার করা হয়। ওইদিন বিএনপির একটি পথসভায় বুলবুল বক্তব্য প্রদানকালে কয়েকজন মোটরসাইকেল আরোহী ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যান। বিএনপির অভিযোগ ২০ জুলাই রাতে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাইনুল ইসলাম হারু, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা শিবলী, রাজপাড়া থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম আপেলকে কোন মামলা ও ওয়ারেন্ট ছাড়াই আটক করা হয়। ২১ জুলাই ভোর ৫টায় রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ওয়ায়েস করনী ডায়মন্ড, ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইফতিয়ার মাহমুদ বাবুকে একইভাবে গ্রেফতার করা হয়। একইদিন দুপুরে ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী গোলাপকেও আটক করা হয়। ১৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বাবলুকে শনিবার রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রাজশাহীতে অনিয়ম, আচরণবিধি লঙ্ঘন, গ্রেফতারের তথ্য তুলে ধরে ধানের শীষের প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল জানান, রাজশাহীতে নৌকা মার্কার প্রার্থীর পোষ্টার নির্বাচনী বিধানে বর্ণিত মাপের চেয়েও অনেক বড়, তথাপিও সেগুলো দেয়ালে সেঁটে আছে, এ বিষয়ে স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিকট অভিযোগ করলেও তারা ঠুটো জগন্নাথ হয়ে নিশ্চুপ বসে আছেন। সরকারদলীয় প্রার্থী রাজশাহী সিটিতে বহিরাগত সন্ত্রাসী ও অন্যান্য নেতাদের নিয়ে এসে ধানের শীষে প্রচার-প্রচারণায় ব্যাপকভাবে বাধা দিচ্ছে। গত ১৯ জুলাই নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে নৌকা প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ ও ভোট প্রার্থনা করেন রাজশাহী তিন এমপি আয়েন উদ্দিন, আব্দুল ওয়াদুদ দারা ও শফিকুল ইসলাম শিমুল। তিনি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ কলেও কমিশন নিশ্চুপ। প্রতিদিনই পোষাকধারী এবং সাদা পোষাধারী আইন শৃংখলা বাহিনী বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে ব্যাপকহারে গণ-গ্রেফতার, নেতাকর্মীদের বাসায় তল্লাসী, ভয়ভীতি এবং হুমকী প্রদান করছে।
সিলেটেও গ্রেফতার: রাজশাহীর মতো গণহারে গ্রেফতারের অভিযোগ না থাকলেও প্রতিদিনই সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। গ্রেফতারের বিষয়ে দুইবার অবস্থান কর্মসূচিও পালন করেছে এই সিটির মেয়ার প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী। ধানের শীষের প্রচারকালে গত শনিবার আটক দুই কর্মীকে মুক্তির দাবিতে সিলেট সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী মহানগর উপ-পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের সামনে আড়াই ঘণ্টা অবস্থান করেন। এর আগে গত ১২ জুলাই মধ্যরাতে এক কর্মীকে আটকের অভিযোগে নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন সিলেট আরিফুল হক চৌধুরী। প্রায় ৪০ মিনিট অবস্থানের পর সে রাতে আটক কর্মীকে ছাড়িয়ে আনতে সক্ষম হন তিনি। আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, পুলিশ সিলেটের রাজনৈতিক স¤প্রীতি নষ্ট করছে। কোনো মামলা-ওয়ারেন্ট ছাড়াই আমার কর্মীদের ধরপাকড় করছে। সিলেটে এই ধরনের কর্মকান্ড সহ্য করা হবে না। আমরা এমন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলব।
বরিশালেও একই অবস্থা: বরিশালেও বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, তাদের বাড়িঘর ও নির্বাচনী অফিস ভাংচুর, হয়রানীসহ গ্রেফতারের হিড়িক চলছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। দলটির নেতারা বলছেন, পুলিশী অভিযানে সারা বরিশালে শহরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বরিশাল জামায়াতের মহানগর সেক্রেটারী জহিরুদ্দিন মো: বাবরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া রাতে ১০ নং ওয়ার্ডের এক যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা তাদের নিশ্চিত পরাজয় জেনে এভাবে তিন সিটি কর্পোরেশন এলাকাতেই পুলিশকে দিয়ে এক আতঙ্কজনক পরিবেশ তৈরী করে রেখেছে। বরিশাল সিটি নির্বাচনে ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ও বিএনপি বরিশাল মহানগরের সহ-সভাপতি এ কে এম শহীদুল্লাহকে পোষ্টার ছেঁড়া ও ছবি ভাংচুরের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে পুলিশ হয়রানী করছে। বিএনপির মেয়র প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশনার বলেছেন গাজীপুর-খুলনার মতো বরিশালের নির্বাচন হবে না, তাহলে গাজীপুর-খুলনায় যে ত্রুটি-বিচ্যুতি ছিল সেগুলো কিন্তু এখনো নির্বাচন কমিশন সমাধান করেনি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আসন্ন তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনও সরকার ও নির্বাচন কমিশন খুলনা-গাজীপুরের মডেলে করতে চায়। এজন্য সেখানে বিএনপি নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেফতার করা হচ্ছে। প্রচারণায় বাধা দেয়া হচ্ছে। এই তিন সিটির নির্বাচনে আবারও প্রমাণ হচ্ছে এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে না। #######



 

Show all comments
  • মারিয়া ২৩ জুলাই, ২০১৮, ৩:৫৭ এএম says : 0
    ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার না করার যে নির্দেশনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ইসি দিয়েছিল সেটিও মানছে না কেউই।
    Total Reply(0) Reply
  • রিপন ২৩ জুলাই, ২০১৮, ৩:৫৭ এএম says : 1
    এই নির্বাচনের আয়োজন করার চেয়ে না করাই ভালো।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর